


সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: রানাঘাটের অস্মিকার পর এবার উলুবেড়িয়ার মহেশপুরের ঘোষপাড়ার একরত্তি ঈশান ঘোষ। জিন ঘটিত বিরল রোগ স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রফিতে (এসএমএ) আক্রান্ত এই শিশু। তাকে বাঁচাতে হলে ১৬ কোটি টাকার জিন থেরাপি ইঞ্জেকশনের প্রয়োজন। একথা শুনে কার্যত মাথায় হাত ঈশানের বাবা কৌশিক ঘোষ ও মা শিল্পা ঘোষের। ছেলের চিকিৎসার জন্য এই বিপুল টাকা কীভাবে জোগাড় হবে, সেই চিন্তায় ঘুম উড়েছে দম্পতির। একরত্তির চিকিৎসার জন্য ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করেছেন এই দম্পতি। অনেকে এগিয়েও এসেছেন। তবে কবে ঈশানকে ১৬ কোটির ইঞ্জেকশন দেওয়া যাবে, তা নিয়ে অন্ধকারে দম্পতি।
বছর চারেক আগে কৌশিক ও শিল্পার বিয়ে হয়। ঈশানের বয়স এখন ২ বছর ৩ মাস। বাউড়িয়ার একটি জুটমিলের শ্রমিক কৌশিকবাবু বলেন, ‘সাড়ে চার মাস আগে হঠাৎ ঠান্ডা লেগে ঈশানের নিউমোনিয়া হয় এবং তা থেকে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। সেই সময় ছেলেকে কলকাতার মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করি। ডাক্তারকে জানাই, প্রায় দু’বছর বয়স হতে চললেও এখন ও হাঁটতে পারে না। এরপরেই ডাক্তার এসএমএ রোগের পরীক্ষার কথা বলেন। এরপর কলকাতার শম্ভুনাথ মেডিক্যাল কলেজে ওই পরীক্ষা হয়। একমাস আগে সেই রিপোর্ট হাতে পেয়েছি। গত মাসে ছেলে ফের অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে আবার মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করতে হয়। সেই সময় ডাক্তার রিপোর্ট দেখে জানান, ঈশান বিরল এসএমএ রোগে আক্রান্ত। এই চিকিৎসার জন্য ১৬ কোটি টাকা দামের ইঞ্জেকশন দরকার। এত টাকা কোথা থেকে আসবে? তবে আমরা টাকার জন্য বিভিন্ন জায়গায় দরবার করেছি। সামান্য কিছু টাকা জোগাড় হয়েছে।’ ছেলের চিকিৎসার জন্য সবাইকে পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।