Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হাওড়ায় স্কুলের চাকরিতে দুর্নীতি: প্রাক্তন ডিআই ও অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চার্জশিট

শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির ঘটনায় হাওড়ার একটি স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক, প্রাক্তন ডিআই, অভিযুক্ত শিক্ষক সহ মোট চারজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিল সিআইডি।

হাওড়ায় স্কুলের চাকরিতে দুর্নীতি: প্রাক্তন ডিআই ও অবসরপ্রাপ্ত  প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চার্জশিট
  • ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির ঘটনায় হাওড়ার একটি স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক, প্রাক্তন ডিআই, অভিযুক্ত শিক্ষক সহ মোট চারজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিল সিআইডি। কয়েকদিন আগে  হাওড়া আদালতে জমা পড়া এই চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, প্যানেলে থাকা দ্বিতীয় প্রার্থীকে বাদ দিয়ে আইন ভেঙে তৃতীয় প্রার্থীকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। সকলের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি ও দুর্নীতি দমনের ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

Advertisement

চার্জশিটে বলা হয়েছে, স্কুল সার্ভিস কমিশন তৈরি হওয়ার আগে হাওড়ার একটি স্কুলে শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য দরখাস্ত চাওয়া হয়। ওই সময় স্কুল পরিচালন সমিতির হাতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ছিল। লিখিত পরীক্ষা ও ইন্টারভিউয়ের পর তিনজনের প্যানেল তৈরি করা হয়। প্রথমজন চাকরিতে যোগ দিলেও কিছুদিন পর পদত্যাগ করেন। 
নিয়ম অনুযায়ী প্যানেলে থাকা দ্বিতীয়জনের চাকরি পাওয়ার কথা। কিন্তু তাঁকে নিয়মমাফিক না জানিয়েই তিন নম্বরে থাকা শেখ সিরাজুল ইসলামকে চাকরি দেওয়া হয়। সিরাজুল হলফনামা দিয়ে জানান, প্যানেলে থাকা দ্বিতীয় ব্যক্তি অন্য জায়গায় চাকরি করছেন। তাই এই স্কুলে চাকরি করতে ইচ্ছুক নন। প্যানেলে থাকা দ্বিতীয় প্রার্থী একথা জানার পর তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। সেখানে উল্লেখ করেন, তাঁর নামে মিথ্যা হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছে। আদালত সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেয়।
ওই চার্জশিটে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় প্রার্থীকে জানানোই হয়নি বিষয়টি। তাঁর নামে মিথ্যা হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছিল। তিনি যে চাকরি করতে ইচ্ছুক নন, একথা জানাননি। অবৈধভাবে চাকরি পেয়েছেন সিরাজুল। 
নিয়ম অনুযায়ী প্রথমজন চাকরি ছেড়ে গেলে বিষয়টি শিক্ষাদপ্তরকে জানানো দরকার ছিল। শিক্ষাদপ্তর অনুমতি দিলে তবে আবার নতুন করে নিয়োগ করা যেত। এমনকী, আদালত বলার পরেও ওই পদটি শিক্ষাদপ্তরের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। নিয়ম ভেঙে নিয়োগ হয়েছে। নিয়োগপত্রে সই ছিল ওই বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তথা ম্যানেজিং কমিটির মাথার। এমনকী, অবসরপ্রাপ্ত স্কুল পরিদর্শকও বিষয়টি জানতেন বলে চার্জশিটে উল্লেখ রয়েছে। এই দু’জন ছাড়াও সিরাজুল ও অন্য আরেকজনের নাম রয়েছে চার্জশিটে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ