


ক্যার্লিফোনিয়া: ১৬ বছর বয়সিকে আত্মহত্যার প্ররোচনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার! এমনই মারাত্মক অভিযোগ উঠল চ্যাটজিপিটির বিরুদ্ধে। আমেরিকার এই ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল গোটা বিশ্বজুড়ে। সম্প্রতি অবসাদের কারণে আত্মঘাতী হয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা ওই নাবালক অ্যাডাম রাইন। সেই ঘটনায় নির্মাতা সংস্থা ওপেন এআই ও চ্যাটজিপিটির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে মৃতের পরিবার। তাদের অভিযোগ, কারও সাহায্য নেওয়ার পরামর্শ দেওয়ার বদলে, অ্যাডামের আত্মহত্যার ভাবনাকে ক্রমাগত উস্কানি দিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৪ সাল থেকে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করত অ্যাডাম। সেটা অবশ্য অন্যান্য সাধারণ পড়ুয়ার মতো হোমওয়ার্ক ও বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য জানার জন্য। এমনকী কলেজ, কেরিয়ার নিয়েও চ্যাটজিপিটির পরামর্শ নিত অ্যাডাম। কিন্তু শেষ কয়েকমাসে নিজের জীবনের অবসাদ ও নেতিবাচক দিকগুলি নিয়েও এআইয়ের সঙ্গে চ্যাট করত অ্যাডাম। কথোপকথনে বারবার উঠে এসেছিল আত্মহত্যার প্রসঙ্গও।
অ্যাডামের আইনজীবী মিতালি জৈন জানিয়েছেন, চ্যাটজিপিটির সঙ্গে কথোপকথনে ২০০ বার ‘আত্মহত্যা’ শব্দ ব্যবহার করেছে নাবালক। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাটি ওই শব্দ ব্যবহার করেছে ১২০০ বারেরও বেশি। আত্মহত্যা নিয়ে আলোচনা চললেও একবারও কথোপকথন বন্ধ করে দেয়নি চ্যাটজিপিটি। এমনকী অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন, জলে ডুবে মৃত্যু, কার্বণ মনোক্সাইডের বিষক্রিয়া সহ একাধিক আত্মহত্যার উপায় বিস্তারিত ভাবে জানিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাটি। জানা গিয়েছে, একাধিকবার হেল্পলাইনে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছিল চ্যাটজিপিটি, তবে কীভাবে সেই অপশন এড়িয়ে যাওয়া যায় তারও উপায় বাতলে দেয় এআই নিজেই।