Bartaman Logo
২৮ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মতুয়াদের ভোটাধিকার নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতার

বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে মতুয়াদের ভোটাধিকার ইস্যুতে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন সর্বভারতীয় বিজেপির এসসি মোর্চা সভাপতি লাল সিং আর্য। রবিবার সল্টলেক দলীয় পার্টি অফিসে সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির ছিলেন এই গেরুয়া নেতা।

মতুয়াদের ভোটাধিকার নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতার
  • ৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে মতুয়াদের ভোটাধিকার ইস্যুতে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন সর্বভারতীয় বিজেপির এসসি মোর্চা সভাপতি লাল সিং আর্য। রবিবার সল্টলেক দলীয় পার্টি অফিসে সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির ছিলেন এই গেরুয়া নেতা। এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রচুর মতুয়া-নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের মানুষের নাম বাদ পড়ছে। এনিয়ে এদিন প্রশ্নের মুখে পড়েন পিছিয়ে পড়া এই ধরনের জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করা কেন্দ্রীয় শাসক দলের শাখার সর্বভারতীয় প্রধান। জবাবে লাল সিং আর্য বলেন, নির্বাচন কমিশন এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনলাইন-অফলাইন সুবিধা রেখেছে। কারও নাম বাদ গেলে কমিশনের কাছে উভয় মাধ্যমেই অভিযোগ জানাতে পারেন। কিন্তু আমি মনে করি, বাংলাদেশ থেকে আগত অবৈধ নাগরিকদের নাম ভোটার তালিকায় থাকা উচিত নয়। তিনি আরও বলেন, যাঁরা ২০-২৫ বছর ধরে ভারতে বসবাস করছেন আমাদের সরকার তাঁদের জন্য আইন প্রণয়ন করেছে। তার মাধ্যমে তাঁরা ভারতের নাগরিক হতে পারেন। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় সরকার সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) আনে। যদিও সেই আইন মেনে গত ছ’বছরে নামমাত্র মতুয়া ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। ভোটের মুখে এসআইআর গেরোয় অসংখ্য মতুয়া ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের কিংবা পরিবারের লোকজনের নাম দেখাতে পারেনি। 

Advertisement

ওই কারণে তাঁদের নাম কাটা যাচ্ছে। এ নিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বাসবাণী শুনিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ দুই নেতা সাফ জানিয়েছেন, মতুয়াদের আতঙ্কে থাকার কোনও কারণ নেই। তাঁরা ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন। অমিত শাহ গত ৩০ ডিসেম্বর স্পষ্ট করে বলেছিলেন, কেউ মতুয়াদের ক্ষতি করতে পারবে না। এমনকী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নন। এই আবহে সর্বভারতীয় বিজেপির এসসি মোর্চার সভাপতির উলটো বক্তব্য ঘিরে ফের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে মতুয়া সমাজে। মতুয়াদের একাংশের দাবি, কেন্দ্রীয়মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর আগে সিএএ’র মাধ্যমে নাগরিকত্ব মেলার কথা বললেও এখন ভিন্ন সুরে কথা বলছেন। কয়েকদিন আগে তিনি বলেছেন, এসআইআরের মাধ্যমে কয়েককোটি রোহিঙ্গার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়বে। তাতে এক লাখ মতুয়ায় নাম বাদ যাবে। সহ্য করে নিতে হবে। তাতে অসবিধার কী আছে?

সম্পর্কিত সংবাদ