অটোয়া, ২৫ মার্চ: আগামী ২৮ এপ্রিল কানাডায় নির্বাচনের ডাক দিয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভোট হওয়ার কথা ছিল চলতি বছরের অক্টোবরে। কিন্তু ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির জেরে দ্রুত নির্বাচন করতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী কার্নি। উদ্দেশ্যে একটাই, কানাডায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মজবুত সরকার গড়া। যা মার্কিন হুঁশিয়ারি সামলে সবরকম বাধা টপকাতে প্রস্তুত থাকবে। কিন্তু কানাডার এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (স্থানীয় সময়) কানাডার গোয়েন্দা সংস্থা কানাডিয়ান সিকিয়োরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস বিস্ফোরক দাবি করেছে। তাঁদের দাবি, কানাডার নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে কয়েকটি দেশ।
সেই তালিকায় রয়েছে ভারত ও চীন। এই দুই দেশ নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে এমনই গুরুতর অভিযোগ করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। যাকে কেন্দ্র করে ফের একবার ভারতের সঙ্গে সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে কানাডায়। এমনিতেই খলিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরের খুনের ঘটনায় নয়াদিল্লিকেই দায়ী করে এসেছিলেন কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। সেই অভিযোগের জেরে, ভারতের সঙ্গে কানাডার সম্পর্ক ক্রমশ তিক্ত হয়ে ওঠে। এবার নির্বাচনে নাক গলানোর মতো গুরুতর অভিযোগ করায় ফের একবার টরোন্টোর সঙ্গে সংঘাতে যেতে পারে নয়াদিল্লি। এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। তবে কানাডার গোয়েন্দা সংস্থার নিশানায় শুধুই ভারত ও চীন নয়। পাকিস্তান ও রাশিয়াও রয়েছে। কানাডিয়ান ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের দাবি, পাকিস্তান ও রাশিয়াও সাধারণ নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে পারে।
কীভাবে এই দেশগুলি হস্তক্ষেপ করতে পারে? তার উত্তরও দিয়েছেন কানাডিয়ান ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের ডেপুটি ডিরেক্টর অব অপারেশনস ভানেসা লয়েড। তিনি জানিয়েছেন, কৃত্রিম মেধার ব্যবহার করে নির্বাচনের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করতে পারে এই দেশগুলি। কানাডার এই অভিযোগের ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত কিছুই জানায়নি নয়াদিল্লি।