


নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: বসন্ত শেষে চৈত্র সেলের হাওয়া। কোথায় কত শতাংশ ডিসকাউন্ট, সেদিকেই নজর আম জনতার। ১ বৈশাখের প্রক্কালে বইপাড়াতেই শুরু হল বই উৎসব। তাই এই উৎসবেও উঠল বেশি ডিসকান্টের দাবি। গিল্ড কর্তৃপক্ষ অবশ্য সরাসরি শতাংশ না বললেও, মঞ্চ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, পাঠকরা এই উৎসবে এসে ২০ শতাংশ ন্যূনতম ছাড় পাবেনই। দরাদরি করলে তা আরও বাড়বে। প্রকাশকরা চাইলে নিজের মতো করে ছাড় দিতে পারেন। তাই বেজায় খুশি বইপ্রেমীরা। কারণ, চড়া দাম দেখে যাঁরা বইমেলায় বই কিনতে পারেননি, তাঁরা এখানে সুযোগ পেতে পারেন।
কলেজ স্কোয়ারের বিদ্যাসাগর উদ্যানে ১ এপ্রিল থেকে শুরু হল, ‘বইপাড়ায় বই উৎসব’। উদ্বোধন করেন সাহিত্যিক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন কবি জয় গোস্বামী, সুবোধ সরকার, বিনতা রায়চৌধুরী, শ্রীজাত, অমর মিত্র, মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার সহ বহু বিশিষ্টজন। পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক সুধাংশু শেখর দে, সভাপতি ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় সহ একঝাঁক সাহিত্যিক ও শিল্পীও উপস্থিত ছিলেন। বইপাড়া প্রায় দু’শো বছরের পুরনো। এশিয়ার অন্যতম বড় বই বাজার এটি। সেই বাজারের পাশেই কলকাতা পুরসভার সহযোগিতায় এই উৎসব শুরু হয়েছে। চলবে, ৭ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রতিদিন বিকেল ৩টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উৎসব চলবে। বড়, ছোট প্রকাশনী মিলিয়ে ৫৫টি বইয়ের স্টল হয়েছে।
গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক সুধাংশু শেখর দে বলেন, কলেজ স্ট্রিট বইপাড়ার একটি আলাদা আবেগ রয়েছে। তাই এখানে বই উৎসব এক পৃথক অনুভূতি আনে। কলকাতা বইমেলায় মানুষের আবেগ আমরা দেখেছি। এখানেও বইপ্রেমীরা ভিড় করবেন। সভাপতি ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ন্যূনতম ২০ শতাংশ ছাড় আছেই। এরপর প্রকাশকরা চাইলে আরও বেশি দিতে পারেন। বইপ্রেমীদের দরদাম করতে হবে। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বইপাড়ায় একটি উৎসব করতে বলেছিলেন। তাই ২০১৩ সালে