Bartaman Logo
২ জুন, ২০২৬

সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক, মৈথিলীর হাত ধরেই বিজেপি প্রথমবার জয়ী আলিনগরে

মাত্র ছ’বছর বয়সেই গানের তালিম শুরু করেছিলেন মৈথিলী ঠাকুর। তারপর বিহারের ঐতিহ্যবাহী পল্লিগীতি, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত থেকে শুরু করে হারমোনিয়াম ও তবলা বাজানোতেও অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছেন মধুবনীর এই শিল্পী।

সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক, মৈথিলীর হাত ধরেই বিজেপি প্রথমবার জয়ী আলিনগরে
  • ১৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০

পাটনা: মাত্র ছ’বছর বয়সেই গানের তালিম শুরু করেছিলেন মৈথিলী ঠাকুর। তারপর বিহারের ঐতিহ্যবাহী পল্লিগীতি, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত থেকে শুরু করে হারমোনিয়াম ও তবলা বাজানোতেও অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছেন মধুবনীর এই শিল্পী। এবার রাজনীতিতে ঢুকে প্রথম প্রতিযোগিতাতেই নজর কাড়লেন। বিজেপির হয়ে আলিনগর কেন্দ্র থেকে জয় নিশ্চিত করলেন মৈথিলী। ২০০৮ সাল থেকেই এখানে মহাগঠবন্ধন জয় পেয়ে এসেছে। আর বেশিরভাগটাই মুসলিম ভোটের দৌলতে। এবার সেই আসনে জয় পেল বিজেপি। আর সেটা উচ্চবর্গীয় ঠাকুর সম্প্রদায়ের মৈথিলীর হাত ধরেই।

Advertisement

মৈথিলীকে নিয়ে বর্তমান তরুণ প্রজন্মের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। দেশে-বিদেশে নানা অনুষ্ঠানের ডাক তো বটেই, একইসঙ্গে ফেসবুক-ইউটিউবে তাঁর চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার লক্ষ ছাড়িয়েছে। এহেন এক জনপ্রিয় শিল্পীকে ভোটের লড়াইয়ে নামিয়ে বিজেপি যে কোনও ভুল করেনি সেটাই প্রমাণিত হল। 
মাত্র ১১ বছর বয়সে সা রে গা মা পা জুনিয়র প্রতিযোগিতা ও ১৫ বছর বয়সে ইন্ডিয়ান আইডলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রথম নজর কাড়ের মৈথিলী। আর রাজনীতির ময়দানেও তিনি নজর কাড়লেন। ছেলেবেলায় তাঁকে নিয়ে সংগীতের ভালো তালিমের জন্য পরিবার দিল্লির দ্বারকায় চলে গিয়েছিল। শিল্পী হিসেবে যেমন তিনি পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করেছেন, একইভাবে বিজেপিরও মানরক্ষা করলেন। এই প্রথম আলিনগরে তাঁর হাত ধরেই প্রথমবারের জন্য জিতল বিজেপি। 
২০১৯ সালে নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে এবং তাঁর ভাইকে মধুবনীর অ্যাম্বাসাডরের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে তিনি আগেই অটল মিথিলা সম্মান পুরস্কার পেয়েছেন। ২০২১ সালে তথ্য-সম্প্রচার মন্ত্রকের তরফে তাঁকে লোকমাত সুর জ্যোৎস্না জাতীয় সংগীত পুরস্কার দেওয়া হয়। বিধায়ক হয়ে এবার তাঁর লক্ষ্য মধুবনী শিল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। 

সম্পর্কিত সংবাদ