নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া ও চুঁচুড়া: অবশেষে হুগলির সব বিধানসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী ঘোষণার কাজ শেষ করতে পারল। প্রথম দফায় হুগলি ও শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলায় একটি নাম ঘোষণা করেছিল পদ্মপার্টি। দ্বিতীয় দফায় দুই সাংগঠনিক জেলার পাঁচটি আসন বাকি রেখে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল। বুধবার সেই পাঁচটি আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হল। হাওড়ার একটি আসনেও প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষণা অনুসারে, চন্দননগরে আরও একবার বিধানসভা নির্বাচনে লড়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে দলের রাজ্যনেতা দীপাঞ্জন গুহকে। উত্তরপাড়ার প্রার্থী করা হয়েছে দীপাঞ্জন চক্রবর্তীকে। তিনি প্রাক্তন এনএসজি। দলের সাবেক জেলা সভাপতি সুবীর নাগকে জেলা সদর চুঁচুড়ার বিধানসভা আসনে প্রার্থী করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে দলবদলুদের প্রার্থী করা নিয়ে হুগলি বিজেপিতে ব্যাপক ক্ষোভের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। পদ্মপার্টির সাবেক জেলা সভাপতি সুবীরের বিরুদ্ধেও তৃণমূল কংগ্রেস ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ আছে। দলের অন্দরে গুঞ্জন, অতীতে একবার তৃণমূলের চুঁচুড়ার বিদায়ী বিধায়ক অসিত মজুমদারের মাধ্যমে ঘাসফুল শিবিরে যাওয়ার বন্দোবস্ত প্রায় পাকা করে ফেলেছিলেন সুবীর। যদিও গত কয়েকবছর ধরে পদ্মপার্টির নানা কাজে তাঁকে তৎপর দেখা গিয়েছে। দলের নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সুবীরবাবুর ঘনিষ্ঠতা বিশেষ চর্চিত। এদিন প্রার্থী ঘোষণার পরে সুবীর বলেন, আমি সনাতনী। বিজেপি’র কর্মী ছিলাম, আছি, থাকব। কোনো অপপ্রচার আমাকে বিপথে চালিত করতে পারবে না। এদিন সিঙ্গুর ও হরিপালের প্রার্থীর নামও ঘোষণা করা হয়েছে। সিঙ্গুরে অরূপকুমার দাস ও হরিপালে মধুমিতা ঘোষকে প্রার্থী করা হয়েছে। দলের অন্দরমহল সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিনের ঘোষিত প্রার্থীদের নাম নিয়ে দলের নিচুতলায় অসন্তোষ জমতে শুরু করেছে।



