


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, রবিবার ভবানীপুরে তৃণমূলের সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মীদের বলেন কলকাতার মধ্যে প্রথম হতে হবে ভবানীপুরকে। সূত্রে মারফত এমনটাই জানা গিয়েছে। পাশাপাশি জানা যাচ্ছে কর্মীদের তিনি বলেছেন, রিপোর্ট কার্ড নিয়ে সাধারণ মানুষদের বাড়ি বাড়ি যান। যাঁদের এতদিন খুঁজে পাওয়া যায়নি তাঁরাই আজ ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছে বলেও বিজেপিকে কটাক্ষ করেছেন তিনি। এই সকল বিষয়গুলিই এলাকাবাসীদের বোঝাতে হবে। রাজ্য সরকারের প্রকল্পগুলির পাশাপাশি মোদি সরকারের প্রকল্পগুলির পার্থক্য কোথাও সেটিও আমজনতার সামনে তুলে ধরতে হবে। আমাদের সরকার সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দিয়েছে, আর কেন্দ্রীয় সরকার মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়েছে।
বিজেপি একটা রাজ্যেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো প্রকল্প দিয়েছে? দেখাতে পারবে তাঁরা? আয়ুষ্মান ভারত নিয়ে গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা বড় বড় কথা বলছেন কিন্তু এটা জেনে রাখতে হবে সাধারণ মানুষের স্মার্টফোন থাকলেও কেউ সেই সুবিধা পাবেন না। অথচ রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যসাথীর ক্ষেত্রে এমন কোনও নিয়ম নেই। আমাদেরকে সাধারণ মানুষের কাছে একবার নয় প্রয়োজনে তিনবার করে যেতে হবে। কেউ আত্মতুষ্টিতে ভুগবেন না। আমাদের সরকার যতদিন থাকবে ততদিন বাংলার মহিলারা সকলেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাবেন। ২৩১টি বুথে যে লিড ছিল ভবানীপুরে তা ছাপিয়ে যেতে হবে। এটা আমাদের লড়াই। নিজেদের জায়গায় অন্তত ৫টি করে ভোট বাড়াতে হবে। ৬০ হাজারের বেশি মার্জিনে জিততেই হবে।
অন্যদিকে সূত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে, এদিন কর্মীসভায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি একটা মন্দির করেছে সেখানেও দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মুকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ওরা সাধারণ মানুষকে রান্নার গ্যাস দিতে পারে না কিন্তু নির্বাচনের সময় ক্যাশ দেয়। আজ দলীয় নেতা-কর্মীদের মমতা বলেন, সকলে মাথা ঠাণ্ডা করে চলবেন। ওরা অশান্তি পাকাতে কিছু বহিরাগত এনেছে। কিন্তু আমরা শান্তিপূর্ণ ভোট চাই। জয় বাংলা বলার জন্য ইতিমধ্যেই আমাদের দু’জন কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আগামীকাল এসআইআরের সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশিত হবে। যে সকল মানুষ তাতে সমস্যায় পড়বে তাঁদেরকে সাহায্য করতে হবে। আপনাদের সকলকে সতর্ক করছি। গত দিন দিনে আমাদের ৫০ জন অফিসারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে কে দায়ী নেবেন? নরেন্দ্র মোদি, ভ্যানিশ কুমারদেরই এর দায় নিতে হবে। এখন থেকে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত সবাই সতর্ক থাকুন। ওরা লোডশেডিং করে দিতে পারে। স্ট্রংরুমে বিশেষ নজর রাখতে হবে। বাংলায় জিতে আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ হবে দিল্লিতে যাওয়া।