Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাংলার বাড়ি: প্রথম কিস্তি পেলেও সিংহভাগ ক্ষেত্রেই কাজ শুরু হয়নি

রাজ্য সরকারের ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে প্রথম কিস্তির টাকা পেলেও উত্তর ২৪ পরগনায় সিংহভাগ উপভোক্তা কাজ শুরুই করেননি। মেরেকেটে এক হাজার উপভোক্তা বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেছেন বলে সূত্রের দাবি।

বাংলার বাড়ি: প্রথম কিস্তি পেলেও সিংহভাগ ক্ষেত্রেই কাজ শুরু হয়নি
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: রাজ্য সরকারের ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে প্রথম কিস্তির টাকা পেলেও উত্তর ২৪ পরগনায় সিংহভাগ উপভোক্তা কাজ শুরুই করেননি। মেরেকেটে এক হাজার উপভোক্তা বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেছেন বলে সূত্রের দাবি। তবে কাজের হাল-হকিকতের সঠিক তথ্য জেলা প্রশাসনের কাছে নেই। কারণ, ব্লক থেকে পঞ্চায়েত স্তরের কর্মীরা ব্যস্ত রয়েছেন এসআইআরের কাজে। ফলে, কাজের গতি অনেকটাই কমে গিয়েছে বলে মত প্রশাসনিক কর্তাদের।

Advertisement

সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। জোরকদমে চলছে এসআইআরের কাজ। কিন্তু এই পর্বে যাতে উন্নয়নের কাজ থমকে না থাকে, তার জন্য বারে বারে বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধারাবাহিকভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ জারি করেছে নবান্ন। সেই জায়গায় কার্যত উলটো চিত্র দেখা যাচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। মাসখানেক আগে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে দ্বিতীয় পর্যায়ে এই জেলায় ৬৫ হাজার ৫৬৯ জন উপভোক্তা পেয়েছেন প্রথম দফার ৬০ হাজার টাকা। কিন্তু, জেলার অধিকাংশ এলাকায় এখনও পর্যন্ত বাড়ি তৈরির কাজ শুরু হয়নি বলে অভিযোগ। সবচেয়ে বড়ো প্রশ্ন, কতজন বাস্তবে নির্মাণকাজ শুরু করেছেন— তার তথ্য জেলা প্রশাসনের কাছে নেই। আধিকারিকরা ব্যস্ত এসআইআর নিয়ে। ফলে উপভোক্তাদের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট এখনও সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় বঞ্চনা সত্ত্বেও গরিব মানুষকে পাকা ছাদ দিতে এই প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু জেলায় এই কাজে সেই অর্থে গতি নেই বলেই অভিযোগ। জেলা প্রশাসনের এক কর্তার বক্তব্য, সরকারি এই প্রকল্পে নিয়মিত পরিদর্শন, জিও-ট্যাগিং এবং অগ্রগতির রিপোর্ট বাধ্যতামূলক। কিন্তু লোকবল কম থাকায় প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এনিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শশাঙ্ক শেট্টিকে ফোন ও মেসেজ করা হলেও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ