নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণে দেশের মধ্যে প্রথম সারিতেই রয়েছে বাংলা। শুধু তাই নয়, পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থা ‘বোর্ড অব প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং’ বা বিওপিটি’র তথ্যই একথা বলছে। গত অর্থবর্ষে ৭৫ হাজারের বেশি ফ্রেশার গ্র্যাজুয়েট বা ডিপ্লোমাধারী মোট ১৭০০ সংস্থায় শিক্ষানবিশি বা অ্যাপ্রেনটিসশিপ করেছেন। সব মিলিয়ে তাঁরা স্টাইপেন্ড পেয়েছেন ১৩০ কোটি টাকারও বেশি। সেখানে সিকিম সহ উত্তর-পূর্বের সাত রাজ্য, বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশা মিলিয়ে এই স্টাইপেন্ডের পরিমাণ ১৩৪ কোটি টাকা। এই রাজ্যগুলিতে মোট ১৩০০ সংস্থা ৫৮ হাজার ছাত্রছাত্রীকে প্রশিক্ষণ দিতে পেরেছে।
শনিবার বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে এক সাংবাদিক বৈঠকে বিওপিটি পূর্বাঞ্চলের অধিকর্তা এস এম ইজাজ আহমেদ জানান, এ বছর পূর্বাঞ্চল থেকে দু’লক্ষেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এবারই প্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই বিষয়টিকেও প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে। এর জন্য কোনও বাড়তি অর্থব্যয় হবে না। উল্টে স্টাইপেন্ড বা বৃত্তি নিয়ে ভালো চাকরি পাওয়ার দিকে অগ্রসর হতে পারবেন এই শিক্ষানবিশরা। প্রসঙ্গত, এই অ্যাপ্রেনটিসদের ন্যূনতম ৯ হাজার টাকা মাসিক ভাতা দিতে হয়। এই খরচের অর্ধেক বহন করে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে সংস্থা এবং প্রশিক্ষণ প্রাপকের আগ্রহ এবং মেধা অনুসারে এই ভাতা আরও অনেকটা বৃদ্ধি পেতে পারে। অধিকর্তা জানান, প্রশিক্ষণ দিতে ইচ্ছুক সংস্থার অভাব নেই। শুধু সাধারণ ফ্রেশারদের মধ্যে এনিয়ে সচেতনতার অভাবে অনেক ক্ষেত্রেই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছনো সম্ভব হচ্ছে না। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে বিহারের শিক্ষাদপ্তরের উপদেষ্টা তথা অবসরপ্রাপ্ত আইএএস বৈদ্যনাথ যাদব সহ বিওপিটি’র অন্যান্য কর্তা এবং শিক্ষাবিদ উপস্থিত ছিলেন।