বাগদাদ, ১০ নভেম্বর: দেশের বিবাহ আইন সংশোধনের পথে ইরাক। এ বিষয়ে শীঘ্রই সে দেশের সরকার একটি বিল আনতে চলেছে। প্রস্তাবিত নয়া বিল অনুযায়ী, ন’বছরের নাবালিকাদের বিবাহ করতে পারবে সে দেশের প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষেরা। এমনকী ওই বিলে মহিলাদের বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার, সন্তানের হেফাজত, এবং উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই বিলটি পাশ হলে কোনও নাগরিক তাঁর পারিবারিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বিচার বিভাগ অথবা ধর্মীয় কর্তৃপক্ষকে বেছে নিতে পারবেন।
Advertisement
ইরাকের জোট সরকার জানিয়েছে, প্রস্তাবিত এই বিলটি ইসলামিক শরিয়া আইনের ব্যাখ্যার সঙ্গে যথেষ্ট সাযুজ্যপূর্ণ। সমাজে কম বয়সী নারীদের ‘সুরক্ষা’ প্রদানের স্বার্থেই এই বিলটি আনা হবে। এই বিলটি প্রস্তাবের পর থেকে স্বাভাবিকভাবেই ইরাকে দেখা গিয়েছে প্রতিবাদের ঝড়। মহিলা সহ ইরাকের একাধিক নারী অধিকার সংগঠন বিলটির কড়া সমালোচনা করেছে। তাদের স্পষ্ট বক্তব্য, এই বিলটি বাল্যবিবাহ এবং শিশুধর্ষণের মতো অপরাধগুলিকে আইনি স্বীকৃতি দেবে। ইরাকের মানবাধিকার কর্মীরা জানিয়েছেন, এই বিলটি নারীর অধিকারকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেবে এবং দেশে ধর্মকেই প্রাধান্য দেবে।
ইউনিসেফের মতে, গোটা ইরাকে এমনিতেই বাল্যবিবাহের হার যথেষ্ট বেশি। সে দেশের প্রায় ২৮ শতাংশ মহিলারা ১৮ বছর বয়সের মধ্যেই বিয়ে করেন। নয়া এই বিলটি পাশ হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
ইউনিসেফের মতে, গোটা ইরাকে এমনিতেই বাল্যবিবাহের হার যথেষ্ট বেশি। সে দেশের প্রায় ২৮ শতাংশ মহিলারা ১৮ বছর বয়সের মধ্যেই বিয়ে করেন। নয়া এই বিলটি পাশ হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।



