নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য আইনজীবীকে হেনস্তার ঘটনায় প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের দ্বারস্থ বার অ্যাসোসিয়েশন। কর্মশিক্ষা এবং শারীরিক শিক্ষায় সুপার নিউমেরারি পোস্ট সংক্রান্ত মামলায় দ্রুত রায় দেওয়া হচ্ছে না কেন, এই প্রশ্ন তুলে আইনজীবীদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বিচারপতিদের বিরুদ্ধেও ওঠে স্লোগান। মামলা দায়েরের আর্জি গ্রহণ করেছেন প্রধান বিচারপতি।
আইনজীবীদের অভিযোগ, ‘মামলাকারীরাই হাইকোর্ট চত্বরে আইনজীবীদের উপর হামলা করেছে। এই ধরনের ঘটনায় বারের সদস্যরা আতঙ্কিত।’ বার অ্যাসোসিয়েশনের আইনজীবীদের আরও সওয়াল, ‘পুলিস দর্শকের মতো দেখছিল। পুলিস কমিশনারের রিপোর্ট তলব করা হোক। বিচার ব্যবস্থাকে বার বার টার্গেট করা হচ্ছে। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুকেও ছাড়া হয়নি।’ প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ‘যদি তাঁদের রায় পছন্দ না হয়, তাহলে আবেদন করা উচিত। এভাবে বিক্ষোভ দেখানো যায় না! এটা প্রাথমিকভাবে ভুল। তাঁদের চিহ্নিত করতে হবে। আমরা বিষয়টি গ্রহণ করছি।’ আপাতত কলকাতা হাইকোর্টের তিনটি বার এবং মামলায় যুক্ত সমস্ত কক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার হাইকোর্ট চত্বরেই বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, ফিরদৌস শামিম, সুদীপ্ত দাশগুপ্ত ও বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায়রা। তাঁদের এবং বিচারপতিদের বিরুদ্ধেও ওঠে স্লোগান। আইনজীবীদের লক্ষ্য করে বোতল ছোড়ার চেষ্টা চলে, উন্মত্ত আচরণের পাশাপাশি গালিগালাজও করা হয়। জুতো তুলে হেনস্তার চেষ্টা করা হয়।