


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী বছর, অর্থাৎ ২০২৬ সালে কালীপুজো ও ছটপুজো পড়েছে রবিবার। রাজ্য সরকার এই দুটি উৎসবের পরের দিনও ছুটি ঘোষণা করেছে। ব্যাংক কর্মী ও অফিসারদের দাবি, ওই দুটি দিন এনআই অ্যাক্টের আওতায় ছুটি ঘোষণা করা হোক। তাহলে তাঁরাও ছুটি পাবেন। তার কারণ, ব্যাংক কর্মীদের ছুটি কেন্দ্রীয় তালিকা মেনে হলেও রাজ্য সরকার এনআই অ্যাক্টে ছুটি দিলে ব্যাংকের ক্ষেত্রেও তা গণ্য হয়। পাশাপাশি তাঁদের দাবি, বিরসা মুন্ডার জন্মদিন ও শিবরাত্রিকেও আগামী বছরগুলিতে এনআই অ্যাক্টের আওতায় ছুটি হিসেবে মান্যতা দেওয়া হোক। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে লিখিত আর্জি জানিয়েছেন ব্যাংক অফিসাররা।
ব্যাংক কর্তাদের সর্বভারতীয় সংগঠন অল ইন্ডিয়া ব্যাংক অফিসার্স কনফেডারেশন মুখ্যমন্ত্রীকে একটি চিঠি দিয়েছে। ওই চিঠিতে তাদের বক্তব্য, গোটা দেশে যেমন দেওয়ালি উদযাপিত হয়, তেমন ছটপুজোর পরের দিনটিতেও থাকে উৎসবের আবহ। এবার কালীপুজো পড়েছে রবিবার। তার পরের দিনটি দেওয়ালি। সেই সোমবার রাজ্য সরকার ছুটি ঘোষণা করেছে। ছটপুজোও রবিবার পড়ায় তার পরের দিন রাজ্য সরকারের ছুটি। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক শুভজ্যোতি চট্টোপাধ্যায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমাদের আর্জি, ওই দুটি ছুটি এনআই অ্যাক্টের আওতায় আনা হোক। তার কারণ, ব্যাংকের বহু কর্মী ও অফিসার দেওয়ালি ও ছট উদযাপন করেন। সেই দিনগুলিতে উৎসবকে সরিয়ে তাঁদের কাজে যোগ দেওয়া একটু হলেও কঠিন। তাই মানবিক কারণেই আমরা এই দিন দুটিকে এনআই অ্যাক্টের আওতায় আনার আর্জি জানিয়েছি। শুভজ্যোতিবাবুর দাবি, এর আগেও তাঁদের আর্জিতে মুখ্যমন্ত্রী সাড়া দিয়েছেন। তিনি ১ জানুয়ারি, জন্মাষ্টমী, ভাইফোঁটা এবং ছটপুজোকে এনআই অ্যাক্টের আওতায় এনেছেন। তার সুবিধা পেয়েছেন ব্যাংক কর্মী ও অফিসাররা। পাশাপাশি সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বিরসা মুন্ডার জন্মদিন ও শিবরাত্রিকেও এনআই অ্যাক্টের আওতায় ছুটি হিসেবে আগামী দিনেও চিহ্নিত করা হোক। শুভজ্যোতিবাবু বলেন, ২০২৬ সালের ছুটির তালিকায় রাজ্য সরকার ওই দিন দুটিকে এনআই অ্যাক্টে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী বছর ওই দুটি দিন রবিবার পড়েছে। আমাদের আর্জি, তার পরের বছরগুলিতেও এনআই অ্যাক্টের আওতাতেই ওই দুটি ছুটি রাখা হোক। তাহলে সুফল পাবেন তাঁরাও।