Bartaman Logo
২৮ জুলাই, ২০২৬

আজ বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী দিল্লিতে, সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ

ভারতের সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাই মাস পূর্ববর্তী বন্ধুত্বের সম্পর্কে আবার ফিরতে মরিয়া বাংলাদেশের নতুন সরকার। আওয়ামি লিগ মানেই ভারতের বন্ধু এবং বিএনপির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক জটিল— এই মনোভাব যে সম্পূর্ণ ভুল, সেটি প্রমাণ করতে মরিয়া তারেক রহমানের সরকার।

আজ বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী দিল্লিতে, সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ
  • ৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৪
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ভারতের সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাই মাস পূর্ববর্তী বন্ধুত্বের সম্পর্কে আবার ফিরতে মরিয়া বাংলাদেশের নতুন সরকার। আওয়ামি লিগ মানেই ভারতের বন্ধু এবং বিএনপির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক জটিল— এই মনোভাব যে সম্পূর্ণ ভুল, সেটি প্রমাণ করতে মরিয়া তারেক রহমানের সরকার। তাই ক্ষমতায় আসীন হওয়ার দুমাসের মধ্যেই দ্বিপাক্ষিক সবরকম সম্পর্ক নতুন করে স্থাপন করতে চা‌ইছে ঢাকা। সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতেই প্রথম পদক্ষেপ বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমানের দিল্লি সফর। আজ মঙ্গলবার খলিলুর রহমান আসছেন দিল্লি। প্রথম বৈঠকই হতে চলেছে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে। দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা ও সুরক্ষাজনিত সমঝোতাপত্র ও চুক্তি বিগত বছরগুলিতে কঠোরভাবে রক্ষিত হয়েছে। হাসিনা সরকারের আমলে বাংলাদেশ থেকে জঙ্গি আসার পরিমাণ কমে গিয়েছে, এই তথ্য খলিলুরকে দেওয়া হবে। একইসঙ্গে আশা প্রকাশ করা হবে, যাতে ওই প্রতিশ্রুতি নতুন সরকারও পালন করে। দোভালের সঙ্গে দুই দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা আলোচনায় উঠে আসবে ২০২৪ সালের জুলাই মাসের পর থেকে হিন্দুদের উপর অত্যাচার বৃদ্ধি ও ভারত বিরোধিতার বিষয়টি। বুধবার খলিলুর রহমান ভারতের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ও পেট্রলিয়ামমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর সঙ্গেও বৈঠক করবেন। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের সঙ্গে খলিলুর রহমানের বৈঠক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একঝাঁক বকেয়া চুক্তির পুনর্নবীকরণ নিয়ে উভয় পক্ষই আশাবাদী। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বকেয়া চুক্তি হল ফরাক্কায় গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তি। যা ডিসেম্বর মাসে সমাপ্ত হচ্ছে। তাই কীভাবে সেই চুক্তি রিনিউ করা যায়, সেই রূপরেখা নিয়েই আলোচনা হবে। তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশ দাবি উত্থাপন করলেও,  এখনই পদক্ষেপ করছে না দিল্লি। সামগ্রিকভাবে ভারতের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কতাও নেওয়া হচ্ছে। কারণ, উপযাচক হয়ে অতিরিক্ত মৈত্রী স্থাপন করার পর যদি দেখা যায় বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হিংসা কমছে না, তখন সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে। তাই ধীরে ধীরে ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে হাঁটবে। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ