নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আয়ুর্বেদিক ডাক্তাররাই পারছিলেন না আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা করতে। ওষুধ দিতে। স্বাস্থ্যইঙ্গিত পোর্টালে অনলাইনে রোগী দেখতেও পারছিলেন না তাঁরা। চূড়ান্ত অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হচ্ছিল তাঁদের। ২০২৩ সালের ২৬ জুলাই জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের সর্বভারতীয় মিশন ডিরেক্টর নির্দেশনামা জারি করে জানিয়ে দিলেও মিলছিল না আয়ুর্বেদিক ওষুধ লেখার অনুমতি। রাজ্যের ৪০০টি সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিচালনার দায়িত্বে আছেন বিএএমএস পাশ আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকরা। সেখানে এই দমবন্ধ পরিস্থিতির শিকার হচ্ছিলেন তাঁরা। মে মাসের গোড়ায় সে খবর বর্তমান-এ প্রকাশিত হতে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন শাখার তরফে স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ স্বপন সোরেন এক নির্দেশনামা জারি করে এই অনুমতি প্রদান করেছেন। পাশাপাশি জানিয়েছেন, রোগীরা কী ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতিতে পরিষেবা গ্রহণ করবেন, সেটা অতি অবশ্যই তাঁদের বিবেচ্য বিষয়। এদিকে এই নির্দেশ পেয়ে প্রায় ‘যুদ্ধজয়’-এর আনন্দ আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক সিএইচও শিবিরে। তাঁরা জানিয়েছেন, মর্যাদা খর্ব হচ্ছিল। সম্মান ফিরে পেলাম এই নির্দেশে। মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তাঁরা।



