


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উচ্চ মাধ্যমিকের কোনও একটি বিষয়ে পাশমার্ক ওঠেনি। কিন্তু ঐচ্ছিক বিষয়টিতে উত্তীর্ণ হয়েছেন পড়ুয়া। সেক্ষেত্রে পাশ করা ঐচ্ছিক বিষয়টিই অনুত্তীর্ণ আবশ্যিক সাবজেক্টের জায়গা নেবে। তখন ওই পরীক্ষার্থীকে সফল বলে ধরা হবে। উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষাবিধির ৯(২) ধারায় এই সুবিধা দেওয়া হয় পরীক্ষার্থীদের। তবে, এর কিছু অসুবিধাও রয়েছে। তাই এই সুবিধা না নিতে চাইলে পরীক্ষার্থীকে মার্কশিট জমা দিয়ে পরের বছর পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হয়। সেই মার্কশিট জমা দেওয়ার চূড়ান্ত সময়সীমা বাড়াল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। আগে ৭ জুন পর্যন্ত মার্কশিট জমা দেওয়ার সুযোগ ছিল। মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তা ২৮ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
অনেক ক্ষেত্রেই, বিজ্ঞানের বিষয়গুলিতে এই সুবিধা নিতে গেলে উচ্চশিক্ষায় সমস্যায় পড়েন ছাত্রছাত্রীরা। কারণ, গণিত, পদার্থবিদ্যা বা রসায়নের মতো বিষয়ে ফেল করলে জয়েন্ট দিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি হয়। আবার বায়োলজির মতো বিষয়ে ফেল করলে বন্ধ হয় মেডিক্যালের দরজা। সেই কারণে তাৎক্ষণিক সুবিধা থাকলেও এভাবে পাশ করতে চান না অনেকে। মার্কশিট জমা দিয়ে অনুত্তীর্ণ বিষয়ের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে পরের বছর ফের পরীক্ষা দেন। তবে সূত্রের খবর, ৯(২) ধারার সুযোগ নিতে না চেয়ে মার্কশিট জমা দেওয়ার হার বেশ কম। আঞ্চলিক অফিসগুলিতে খুবই কম সংখ্যক মার্কশিট জমা পড়েছে। তাই এই সুবিধা বাড়াতে হল।
সূত্রের খবর, সংসদ প্রথম সেমেস্টারের মতো দ্বিতীয় সেমেস্টারেও অনুত্তীর্ণদের জন্য সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার পরিকল্পনা করছে। সংসদ সেমেস্টারের পরীক্ষাবিধি ঘোষণা করার পর থেকেই এই দাবি ছিল। কারণ, দ্বিতীয় সেমেস্টারে বড় প্রশ্নের উত্তর লিখতে হয় পরীক্ষার্থীদের। তাতে ফেল করার সম্ভাবনা বেশি থাকে। পরিস্থিতি দেখে তাই পরে সাপ্লিমেন্টারি চালু করতে চাইছে সংসদ।