Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রামপুরহাট-দুমকা, ভাগলপুর ডাবল লা‌ইনের অনুমোদন

একই দিনে তারাপীঠ ও বৈদ্যনাথ ধাম দর্শনের ইচ্ছে পর্যটকদের। কিন্তু রামপুরহাট থেকে দুমকা পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইনের ফলে পর্যাপ্ত ট্রেনের অভাবে ভুগছেন তাঁরা। তেমনই দীর্ঘ যাত্রাপথ।

রামপুরহাট-দুমকা, ভাগলপুর ডাবল লা‌ইনের অনুমোদন
  • ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: একই দিনে তারাপীঠ ও বৈদ্যনাথ ধাম দর্শনের ইচ্ছে পর্যটকদের। কিন্তু রামপুরহাট থেকে দুমকা পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইনের ফলে পর্যাপ্ত ট্রেনের অভাবে ভুগছেন তাঁরা। তেমনই দীর্ঘ যাত্রাপথ। এবার তারাপীঠ এবং দেওঘরের মধ্যে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হতে চলেছে। বুধবার রামপুরহাট-দুমকা ও ভাগলপুর রেল লাইন ডাবলিং করার প্রস্তাব অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। বুধবার পূর্ব রেলের তরফে তা জানানো হয়েছে। তাতে ১৭৭কিলোমিটার নতুন রেললাইন পাতা হবে। এই প্রকল্পের জন্য ৩১৬৯ কেটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এটি সম্পন্ন হলে রামপুরহাট ও দুমকার মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় কম লাগবে। 

Advertisement

এখন অধিকাংশ ট্রেনই ভাগলপুর থেকে মালদহ টাউন হয়ে রামপুরহাট এবং হাওড়ার দিকে যায়। নয়া ডাবল লাইন হলে অনেক ট্রেনই ভাগলপুর থেকে দুমকা হয়ে রামপুরহাটে যাতায়াত করতে পারবে। তেমনই এক্সপ্রেস, মেল ট্রেনের সংখ্যাও বাড়বে। ফলে তারাপীঠ এবং দেওঘরের মধ্যেও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে। পণ্য পরিবহণও সহজ হবে। 
উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালে রেল বাজেটে রামপুরহাট থেকে ঝাড়খণ্ডের দুমকা পর্যন্ত রেল প্রকল্পের ঘোষণা হয়। সেইমতো সিঙ্গেল লাইন পাতা হয়। ২০১২ সালে রামপুরহাট থেকে ঝাড়খণ্ডের পিনারগড়িয়া পর্যন্ত একটি ট্রেন চলাচল শুরু হয়। পরবর্তীকালে সেটা মন্দারহিল পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হয়। এরপর দুমকা পর্যন্ত লাইন হয়। ২০১৮ সালের এপ্রিল মাস থেকে জসিডি পর্যন্ত প্যাসেঞ্জার ট্রেন চালু হয়। পরে তা দুমকা পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়। তবে এই লাইনে একটিমাত্র লোকাল ট্রেন রামপুরহাট থেকে দুমকা যাওয়া আসা করে। এছাড়া ময়ূরাক্ষী ফাস্ট প্যাসেঞ্জার, হাওড়া-জামালপুর এক্সপ্রেস ও বন্দেভারত এক্সপ্রেস চলে। সিঙ্গল লাইন হওয়ায় দুমকা পর্যন্ত যাত্রাপথে অনেকটা সময় লাগত। লাইনটি ডাবলিং হলে প্রায় দেড় ঘণ্টা কম সময় লাগবে। 
পর্যাপ্ত ট্রেনের অভাবে বৈদ্যনাথ ধাম দর্শনের ইচ্ছে পূরণ হয় না অনেক পর্যটকের। এবার তারাপীঠে আসা পর্যটকরা দুমকা-দেওঘর শুধু নয়, নাগালের মধ্যে পেয়ে যাবেন জসিডি, গিরিডি, মধুপুর, শিমুলতলা সহ অসংখ্য পর্যটন ক্ষেত্র। এতে যেমন একদিকে শিব ও অন্যদিকে শক্তির দেবী তারা মাকে দর্শনের সুবিধা মিলবে পর্যটকদের। পাহাড় ও জঙ্গল কেটে গড়া এই রেলপথে ভ্রমণের রোমাঞ্চই অন্যরকম হবে। পূর্ব রেলের জনসংযোগ আধিকারিক দীপ্তিময় দত্ত বলেন, প্রকল্পের অনুমোদনের ঘোষণা রেলমন্ত্রী নিজে করেছেন। টাকাও দেওয়া হয়েছে। এরপর টেন্ডার সহ নানা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর কাজ শুরু হবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ