নয়াদিল্লি: বিপত্তি কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না এয়ার ইন্ডিয়ার। আমেদাবাদের বিমান দুর্ঘটনায় দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর স্মৃতি এখনও দগদগে। ওই ঘটনার প্রায় দেড়দিনের মধ্যে আরও একটা বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি এমনই খবর সামনে এসেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, আমেদাবাদে দুর্ঘটনার মাত্র ৩৮ ঘণ্টার মাথায় গত ১৪ জুন ওই ঘটনা ঘটে। ভিয়েনাগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ৭৭৭ বিমান দিল্লি থেকে ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আচমকা হুড়মুড়িয়ে ৯০০ ফুট নীচে নেমে আসে। যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে অবশ্য বিভ্রাট কাটিয়ে নিরাপদে ভিয়েনা পৌঁছায় বিমানটি। তবে ঠিক কী কারণে ওই ঘটনা, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তের ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত বিমানটির দুই চালককেই বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার এয়ার ইন্ডিয়ার এক মুখপাত্র একথা জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, এআই-১৮৭ বিমানটি রাত দু’টো ৫৬ মিনিটে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে রওনা দেয়। কিন্তু উড়ান শুরুর কিছুক্ষণের দ্রুত নীচে নেমে আসতে শুরু করে। জারি হয় অ্যালার্টও। তবে বিরূপ আবহাওয়া সত্ত্বেও চালকরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ৯ ঘণ্টা ৮ মিনিট পর নিরাপদে ভিয়েনায় অবতরণ করে সেই বিমান। এয়ার ইন্ডিয়ার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ওই ঘটনা নিয়ে পাইলটের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই নিয়মে মেনে তা ডিজিসিএকে জানানো হয়। বিমানের রেকর্ডার থেকে তথ্য হাতে আসার পর পরবর্তী তদন্তের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পাইলটদের বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে ডিজিসিএ। এয়ার ইন্ডিয়ার হেড অব সেফটিকে তলব করে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। বিরূপ আবহাওয়া, যান্ত্রিক ত্রুটি না পাইলটদের ভুল, কী কারণে ওই বিপত্তি, তা তদন্তের পরই জানা যাবে। এরই মধ্যে জানা যাচ্ছে, আমেদাবাদের বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে এয়ারক্র্যাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর (এএআইবি) প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট শীঘ্রই প্রকাশিত হতে চলেছে। চলতি সপ্তাহের শেষে বা আগামী সপ্তাহে প্রকাশ হবে রিপোর্ট।



