Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কাশী বোসে অনির্বাণ, কেন্দুয়ায় সুশান্ত বিজয়াতেই শুরু আগামী পুজোর প্রস্তুতি

বিসর্জনের আগেই প্রস্তুতি বোধনের। চলতি বছর দুর্গাপুজোর বিসর্জন শেষ হওয়ার আগেই আগামী বছরের পুজো ঘিরে ভাবনা-চিন্তা-পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে শহরের প্রথম সারির পুজোগুলি।

কাশী বোসে অনির্বাণ, কেন্দুয়ায় সুশান্ত বিজয়াতেই শুরু আগামী পুজোর প্রস্তুতি
  • ৪ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিসর্জনের আগেই প্রস্তুতি বোধনের। চলতি বছর দুর্গাপুজোর বিসর্জন শেষ হওয়ার আগেই আগামী বছরের পুজো ঘিরে ভাবনা-চিন্তা-পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে শহরের প্রথম সারির পুজোগুলি। এখনই শিল্পীর সঙ্গে চুক্তি সেরে ফেলেছেন একাধিক উদ্যোক্তা। কমিটিগুলি নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে পরের বছরের পুজোর বিজ্ঞাপন দিতেও শুরু করে দিয়েছে। কে কোন শিল্পীকে ‘বুক’ করল তা নিয়ে চলছে জোর-চর্চা। ঠান্ডা লড়াইও জারি রয়েছে। এই তালিকায় সবার আগে নাম কাশী বোস লেনের। তারা ছাব্বিশের পুজোর জন্য শিল্পীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। ষষ্টীতেই তারা পুজো কমিটির ফেসবুক পেজে জানিয়েছে, ’২৬ শে অনির্বাণ’। অন্যদিকে টানা ক’বছর টালা প্রত্যয়ে পুজোর থিম বানিয়ে তাক লাগিয়েছিলেন শিল্পী সুশান্ত শিবানী পাল। কিন্তু চলতি বছর তিনি টালার পুজোর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। এবার সুশান্ত পালের তৈরি কেন্দুয়া শান্তি সংঘের ‘নিগূঢ়’ বিপুল মানুষকে আকর্ষণ করেছে। পুজোর উদ্যোক্তা বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, আগামী বছরও সুশান্ততেই ভরসা রাখছেন তিনি। কেন্দুয়ার সঙ্গে হ্যাটট্রিক করতে চলেছেন সুশান্ত। পাশাপাশি নলিন সরকার স্ট্রিটও জানিয়েছে, আগামী বছরও সৃজনের দায়িত্ব থাকবে সনাতন দিন্দার উপরেই। তবে পুজো প্রস্তুতি নিয়ে শোরগোল চললেও কমিটিগুলি এখনই থিম প্রকাশ করছে না। কিন্তু শিল্পীদের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে ফেলছেন বলে খবর। আলিপুর সর্বজনীনের পুজো উদ্যোক্তা দেবলীনা বিশ্বাসও জানিয়েছেন, পরের বছর তাঁদের পুজোতেও হ্যাটট্রিক করবেন অনির্বাণ প্যান্ডেলওয়ালা (দাস)। অনির্বাণের কথায়, ‘কাশী বোস লেনের সঙ্গে অনেক আগেই কথা পাকা হয়ে গিয়েছে। মহালয়া থেকেই বিভিন্ন ক্লাব কর্তারা আসতে থাকেন। সারা বছর ধরে পুজো নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলে বলে অন্যরকম কিছু করার তাগিদ অনুভব করি। অনেক পুজো কমিটির সঙ্গেই কথা হয়েছে। তবে কোনও কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে না জানানো পর্যন্ত আমার পক্ষে নাম বলা উচিত নয়।’ কাশী বোস লেনের কর্মকর্তা সোমেন দত্ত বলেন, ‘বাংলার দুর্গাপুজো অন্য মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে। এক বছর আগে থাকতেই প্রস্তুতি সেরে ফেলতে হয়। আগামী বছরের জন্য শিল্পীর সঙ্গে পাকা কথা হয়ে যায়।’  অন্যদিকে বালিগঞ্জের হিন্দুস্থান পার্ক সোস্যাল মিডিয়াতে বিজ্ঞাপন দিয়েছে, ’২৬-এর মলয় সমীরণে আগমনী হোক শুভময়’। এ বছর শিল্পী দেবাশিস বারুইয়ের হাত ধরে তাক লাগিয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ। আগামী বছরেও পুজোর ভার দেবাশিসের কাঁধেই রেখেছেন পুজো উদ্যোক্তা সুশান্ত ঘোষ। সমাজমাধ্যমে পোস্ট হয়েছে, ‘২০২৬, সঙ্গে আবার দেবাশিস’। এর পাশাপাশি বাগুইআটি দক্ষিণপাড়া দুর্গোাৎসব কমিটির সভাপতি রাজীব চৌধুরী জানান, পরের বছর তাঁদের পুজোর শিল্পী দেবাশিস বারুই।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ