Bartaman Logo
২৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

শীঘ্রই ইরান-যুদ্ধ গোটাবে আমেরিকা! ইঙ্গিত ট্রাম্পের, ন্যাটো থেকে বেরিয়ে আসার হুঁশিয়ারি

খুব তাড়াতাড়িই কি ইরান-যুদ্ধে ইতি পড়তে চলেছে? আরও একবার এমনই ইঙ্গিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। বুধবার তিনি বলেছেন, ইরান যুদ্ধ থেকে খুব শীঘ্রই বেরিয়ে আসবে আমেরিকা।

শীঘ্রই ইরান-যুদ্ধ গোটাবে আমেরিকা! ইঙ্গিত ট্রাম্পের, ন্যাটো থেকে বেরিয়ে আসার হুঁশিয়ারি
  • ২ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ওয়াশিংটন ও লন্ডন: খুব তাড়াতাড়িই কি ইরান-যুদ্ধে ইতি পড়তে চলেছে? আরও একবার এমনই ইঙ্গিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। বুধবার তিনি বলেছেন, ইরান যুদ্ধ থেকে খুব শীঘ্রই বেরিয়ে আসবে আমেরিকা। তবে প্রয়োজন পড়লে ‘জায়গা বুঝে আঘাত’ হানা হবে। এরইসঙ্গে সামরিক জোট ন্যাটো থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়টিও বিবেচনা করে দেখার কথা ফের জানিয়েছেন ট্রাম্প।  ইরানে অভিযান কবে বন্ধ হবে সেব্যাপারে অবশ্য ধোঁয়াশাই রেখে দিয়েছেন। এই প্রশ্নে তাঁর জবাব, ‘কোনও সময়সীমা বলতে পারছি না...তবে খুব তাড়াতাড়ি হবে।’ 

Advertisement

ট্রাম্পের দাবি, ইরানে সামরিক অভিযানের লক্ষ্য অর্জন করা গিয়েছে। এখন আর ওদের পরমাণু অস্ত্র তৈরির ক্ষমতা নেই। এজন্যই যুদ্ধ গুটিয়ে নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে অবশ্য সবার সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এরপরও প্রয়োজন হলে জায়গা বুঝে আঘাত করতে ফিরে আসবে আমেরিকা। 
এর আগে ট্রুথ সোশ্যালে বার্তায় ট্রাম্পর ইরানের নতুন নেতৃত্বের প্রশংসাও করেন। তাঁর দাবি, ‘ইরানের নয়া সরকারের প্রেসিডেন্ট পূর্বসূরীদের মতো ততটা কট্টর নন। বুদ্ধিমানও বটে। তিনি যুদ্ধবিরতির আবেদন করেছেন। তবে হরমুজ না খুললে আবেদনে সাড়া দেওয়া হবে না।’ এব্যাপারে অবশ্য ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছেন, ইরানের তরফে যুদ্ধবিরতির কোনো আবেদন করা হয়নি।  ট্রাম্পের দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
এরইমধ্যে ন্যাটোর সদস্য ইউরোপীয় দেশগুলির উপর ফের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই যুদ্ধে ওই দেশগুলি আমেরিকার পাশে দাঁড়ায়নি। মার্কিন জেটগুলিকে নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারেরও অনুমতি দেয়নি ইতালি ও স্পেন। সাহায্যে নারাজ ব্রিটেনও। এই আবহে ন্যাটো থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন ক্ষিপ্ত ট্রাম্প। অতলান্তিকের পাড়ের দেশগুলির এই সামরিক জোটকে ট্রাম্প ‘কাগুজে বাঘ’ বলেও কটাক্ষ করেছেন। তোপ দেগেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের বিরুদ্ধেও। যদিও স্টারমার ফের জানিয়েছেন, ‘চাপ যতই আসুক, আমার সব সিদ্ধান্ত হবে ব্রিটেনের জাতীয় স্বার্থরক্ষার লক্ষ্যে।’
এরইমধ্যে রাতে আমেরিকাবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি লিখেছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, মার্কিন নাগরিকদের সঙ্গে তাঁদের কোনও বিরোধ নেই। তবে, আমেরিকা যেভাবে ইজরায়েলের ‘প্রক্সি’ হিসেবে কাজ করছে, তাতে ক্ষতি হচ্ছে মার্কিন জনতার। কারণ, ইজরায়েল এই ‘যুদ্ধের ‘বোঝা’ আমেরিকার ঘাড়ে চাপিয়েছে। যা বইতে হবে সেদেশের করদাতাদেরই।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ