নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: জীবিত দম্পতিকে ‘মৃত’ সাজিয়ে জমি হাতানোর অভিযোগে নাম জড়িয়েছিল তৃণমূল প্রধানের। এ নিয়ে জলঘোলা হতেই রবিবার অশোকনগরের শ্রীকৃষ্ণপুর পঞ্চায়েতের প্রধানকে শো-কজ করল তৃণমূল। আগামী তিনদিনের মধ্যে উত্তর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে চিঠিতে। জানা গিয়েছে, হাবড়া ২ নম্বর ব্লকের অশোকনগরের শ্রীকৃষ্ণপুর পঞ্চায়েতের নিঃসন্তান বৃদ্ধ দম্পতি ফতেজান বান্দা ও রাবেয়া বান্দা এখন বয়সের ভারে আর কাজ করতে পারেন না। অথচ চিকিৎসার জন্য টাকা লাগবে। এই অবস্থায় ১২ কাটা জমি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। কিন্তু জমির কাগজ তৈরি করতে গিয়েই চুক্ষ চড়কগাছ হয় তাঁদের। জানতে পারেন, পঞ্চায়েত থেকে তাঁদের ওয়ারিশন সার্টিফিকেট বের করে প্রধানের এক ঘনিষ্ঠ জমি হাতিয়ে নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁদের মৃত দেখিয়ে ডেথ সার্টিফিকেট পর্যন্ত বের করা হয়েছে। তাতে সই রয়েছে পঞ্চায়েত প্রধান রফিকুল হাসান মণ্ডলের। এই পরিস্থিতিতে জমি বিক্রি করতে গিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন দম্পতি। ফতেজান বান্দা অশোকনগর থানা, পঞ্চায়েত ও জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এনিয়ে খবর প্রকাশিত হয় ‘বর্তমান’-এ। ঘটনা জানাজানি হতেই বিড়ম্বনায় পড়ে জোড়াফুল শিবির। দলের প্রধানের নাম জড়ানোয় বিষয়টিকে ভালোভাবে নেয়নি শীর্ষ নেতৃত্ব। সার্বিক দিক খতিয়ে দেখে তৃণমূলের সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কমিটি রবিবার তাঁকে শো-কজের চিঠি পাঠিয়েছে। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে পঞ্চায়েত প্রধান রফিকুলকে।



