Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী মোদির অনুপস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়া নিয়ে সর্বদল বৈঠক, সংসদে আলোচনার দাবি বিরোধীদের

করোনা পরিস্থিতির মতো প্রস্তুত থাকতে হবে। ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের আবহে ইতিমধ্যেই সংসদে এই ‘পরামর্শ’ দিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বক্তব্য রেখেছেন দুই কক্ষেই।

প্রধানমন্ত্রী মোদির অনুপস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়া নিয়ে সর্বদল বৈঠক, সংসদে আলোচনার দাবি বিরোধীদের
  • ২৬ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: করোনা পরিস্থিতির মতো প্রস্তুত থাকতে হবে। ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের আবহে ইতিমধ্যেই সংসদে এই ‘পরামর্শ’ দিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বক্তব্য রেখেছেন দুই কক্ষেই। পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতির প্রভাব ভারতের উপর কতদূর পড়তে পারে, তা নিয়ে অবগত করতে বুধবার সন্ধ্যায় সর্বদলীয় বৈঠকও করল কেন্দ্র। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নন, সেই বৈঠকের নেতৃত্ব দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সরকারের পক্ষে প্রায় সব শীর্ষ মন্ত্রী উপস্থিত থাকলেও এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী কেন থাকলেন না, বৈঠকের আগেই সেই প্রশ্ন তোলে কংগ্রেস। মোদি সরকারের বিদেশনীতিতে ব্যর্থতার অভিযোগে সরব হয় হাত শিবির। আর তৃণমূল কংগ্রেস আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, এই বৈঠকে তারা থাকছে না। দলের রাজ্যসভার সদস্য সাগরিকা ঘোষ তোপ দেগে বলেন, অধিবেশন চালু রয়েছে। এই অবস্থায় সংসদকে এড়িয়ে কনফারেন্স রুমে আলোচনায় সায় নেই আমাদের। আবার বিজেপির তরফে পালটা সুর চড়িয়ে বলা হয়েছে, এরকম একটি সংবেদনশীল ইস্যু নিয়েও রাজনীতি করছে বিরোধীরা। এদিন সরকারের তরফে বৈঠকে জানানো হয়, পশ্চিম এশিয়ায় থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তা ও দেশে জ্বালানির চাহিদা পূরণেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। অশোধিত তেল ও গ্যাস পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত আছে। আসছে আরও জ্বালানি। ফলে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই। হরমুজ পেরিয়ে আসছে আরও ভারতীয় জাহাজ। এটি আমাদের কূটনৈতিক সাফল্য। যদিও বৈঠক শেষে বাইরে বেরিয়ে সরকারের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেন কংগ্রেস নেতা তারিক আনোয়ার। তিনি বলেন, আলোচনা সন্তোষজনক নয়। বিরোধীরা পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে লোকসভা ও রাজ্যসভার কক্ষে আলোচনা চায়। পাকিস্তান মধ্যস্থতার (ইরান ও আমেরিকার মধ্যে) ভূমিকা পালন করছে। আর আমাদের সরকার নীরব দর্শকের ভূমিকায়। প্রধানমন্ত্রী মোদি অনুপস্থিত থাকলেও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে এদিনের বৈঠকে ছিলেন সরকারের বাকি প্রায় সব তাবড় মন্ত্রীই।  প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সব পক্ষকে অবগত করেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি। প্রধানমন্ত্রী মোদির অনুস্থিতি নিয়ে কংগ্রেস প্রশ্ন তুললেও পূর্ব নির্ধারিত রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণ দেখিয়ে বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও। বিজেডি, জেডিইউ, সিপিএম, ডিএমকে সহ বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ