Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

‘বয়স কোনও বাধা নয়’, অভিজ্ঞ বিরাট ও রোহিতকে বিশ্বকাপে দেখতে চান ধোনি

পরের বছর ওডিআই বিশ্বকাপে খেলা উচিত বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার। এমনই মনে করছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। এক অনুষ্ঠানে মাহি সাফ বলেছেন, ‘কেন ওরা খেলবে না?

‘বয়স কোনও বাধা নয়’, অভিজ্ঞ বিরাট ও রোহিতকে বিশ্বকাপে দেখতে চান ধোনি
  • ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০২
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: পরের বছর ওডিআই বিশ্বকাপে খেলা উচিত বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার। এমনই মনে করছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। এক অনুষ্ঠানে মাহি সাফ বলেছেন, ‘কেন ওরা খেলবে না? কেন বিশ্বকাপ দলেই বা থাকবে না? আমার কাছে বয়সটা কোনও বাধা নয়। পারফরম্যান্স আর ফিটনেসই আসল। শুধু ওদের ক্ষেত্রেই নয়, কোনও ক্রিকেটারকে বয়স নিয়ে কিছু বলার প্রয়োজন নেই। বরং নিশ্চিত করা হোক যে, প্রত্যেককে সমান দৃষ্টিতে দেখা হবে। আমি যখন ২৪ বছর বয়সে অভিষেক করেছিলাম তখন কেউ কিচ্ছু বলেনি। দেশের হয়ে ১০ বছর খেলার সময়ও কাউকে কিছু বলার দরকার পড়েনি। এখনও আমার বয়স নিয়ে কারও কিছু বলার প্রয়োজন পড়ে না।’ উল্লেখ্য, রোহিতের বয়স ৩৮, বিরাটের ৩৭। ফলে ২০২৭ ওয়ান ডে বিশ্বকাপে তাঁদের খেলার সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা অব্যাহত।

Advertisement

৪৪ বছর বয়সি ধোনি গত বছরও খেলেছেন আইপিএলে। এবারও দেখা যেতে পারে চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সিতে। দলে অভিজ্ঞতার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন এমএসডি। তাঁর কথায়, ‘রোহিত-বিরাট কিংবা আগামী পাঁচ বছরে যাদের নাম পরবর্তী ওডিআই বিশ্বকাপে খেলার জন্য উঠবে, তাদের বিচার করার ক্ষমতা আমাদের নেই। সিদ্ধান্তটা ওদেরই নিতে হবে। ভালো ফর্মে থাকলে নিশ্চিতভাবে ওরা দেশের হয়ে নামতে চাইবে। আর অভিজ্ঞতা? ওটা দোকানে কিনতে পাওয়া যায় না। ২০ বছর বয়সে দারুণ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কাউকে খুঁজে পাওয়া অসম্ভব। ব্যতিক্রম শচীন তেন্ডুলকর। ১৬-১৭ বছর বয়সে খেলতে শুরু করেছিল বলেই সেটা তাঁর মধ্যে এসেছিল।’

কেরিয়ারে দীর্ঘদিন ধরে চাপের মুখে নিজেকে প্রমাণ করতে পারলে তবেই তাকে অভিজ্ঞ বলা যায় বলে জানিয়েছেন ধোনি। তাঁর মতে, ‘২০-২৫টা ম্যাচ খেললে সেটা অভিজ্ঞতা নয়। ৮০-৮৫টা ম্যাচ খেলার পর তবে নার্ভকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা আসে। চাপের মুখে কীভাবে শান্ত থাকব, আবেগকে বশে রাখব— তা শেখা যায়। সফল হওয়ার জন্য দলে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সংমিশ্রণ দরকার।’ শনিবার শুরু হচ্ছে টি-২০ বিশ্বকাপ। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ভারতীয় দলের উপর বাজি ধরছেন। তাঁর কথায়, ‘প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বিপজ্জনক দলের মধ্যে পড়ে ভারত। একটা ভালো দলে যা যা বৈশিষ্ট্য থাকা দরকার, তার সবই রয়েছে টিম ইন্ডিয়ায়। বিশাল অভিজ্ঞতা তো আছেই, চাপের মুখে সেরাটা মেলে ধরতেও পারে। আমার একটাই ভয়— শিশির। ম্যাচের চেহারা বদলে যায় শিশির পড়লে। চাইব, ভারতীয় দলের কেউ যেন চোট না পায়। আর প্রত্যেকে যেন নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে।’

সম্পর্কিত সংবাদ