Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’কে নিয়ে তীব্র কটাক্ষ অভিষেকের

বিভিন্ন জেলা থেকে বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ বেরিয়েছে। কোথাও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, কোথাও আবার ভিন রাজ্যের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী সহ গেরুয়া শিবিরের তাবড় নেতারা উপস্থিত থাকছেন।

বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’কে নিয়ে তীব্র কটাক্ষ অভিষেকের
  • ৯ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সৌম্যজিৎ সাহা মথুরাপুর:  বিভিন্ন জেলা থেকে বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ বেরিয়েছে। কোথাও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, কোথাও আবার ভিন রাজ্যের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী সহ গেরুয়া শিবিরের তাবড় নেতারা উপস্থিত থাকছেন। রাজ্যে আসন্ন ভোটযুদ্ধে জোরদার লড়াইয়ের বার্তা দিচ্ছেন দলের কর্মীদের। বিজেপির এই কর্মসূচিকে এবার তীব্র কটাক্ষে বিঁধলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার মথুরাপুরের সভা থেকে বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ নিয়ে তিনি বলেন, ‘গ্রামে জেসিবি দিয়ে মাটি কাটা দেখতে বা চায়ের দোকানের আড্ডায়ও এর থেকে বেশি ভিড় হয়। বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার গাড়িতে চালক এবং চারটে লোক ছাড়া আর কেউ নেই।’ গত ২ মার্চ এই মাঠেই সভা করে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার পাঁচ দিন পর সেখানেই সভার আয়োজন করেছে তৃণমূলের সুন্দরবন সাংগঠনিক জেলা। এদিনের জমায়েত দেখে উচ্ছ্বসিত অভিষেক বলেন, ‘আজ শুধু ট্রেলার দেখালাম। পুরো সিনেমা দেখাব ভোটের ফলাফল ঘোষণার দিন।’ 

Advertisement

বিজেপির সেই সভা থেকে রাজ্য সরকার ও শাসক দলের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় তুলেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার জবাব দিতেই এদিন আসরে নামেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। পরিসংখ্যান ও তথ্য সহ যাবতীয় সমালোচনার কড়া জবাব দেন তিনি। আমিত শাহ বলেছিলেন, ‘রাজ্যের ঋণের বোঝা ৮ লক্ষ কোটি টাকা। একজন শিশু জন্মালে তার মাথায় ৭৭ হাজার টাকার ঋণের বোঝা চেপে থাকে।’ পালটা পরিসংখ্যান দিয়ে অভিষেক দাবি করেন, ‘২০১৪ সালের আগে দেশের ঋণের পরিমাণ ছিল ৫৬ লক্ষ কোটি টাকা। ১২ বছর পর সেটা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৯৭ লক্ষ কোটি টাকায়। অর্থাৎ, একটি শিশু ১ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে জন্মাবে। এর জন্য নরেন্দ্র মোদি দায়ী।’ আইনশৃঙ্খলা, নারী সুরক্ষা নিয়ে কেন্দ্রীয় তথ্য তুলে ধরে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার পরিচালিত রাজ্যগুলিকে আক্রমণ করেন অভিষেক। শাহকে ডায়মন্ডহারবারের সাংসদের পালটা চ্যালেঞ্জ, ‘এই তথ্য মিথ্যা প্রমাণ করুন। না হলে এখানে এসে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে যান।’  অভিষেক কটাক্ষের সুরে আরও বলেন, ‘না জেনেই অনেক কিছু বলেছেন শাহ। যেমন, ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কাঠামো চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন উনি। ওঁরা মনে হয় বাংলার বাজেট পড়েননি। যে লিখে দিয়েছে, এই ব্যাপারে জানে না। যদি ভবিষ্যতে স্পিচ লেখার লোক বিজেপি না পায়, তৃণমূল ধার দিতে পারবে।’ সেদিন অমিত শাহ বলেছিলেন, ‘তৃণমূলকে জেতানো মানে ভাইপোর শাসন চলবে রাজ্যে।’ তার জবাবে অভিষেক জানান, নিজের লোকসভা কেন্দ্রের বাইরে সরকারি অনুষ্ঠানে যান না তিনি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ