নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আর জি করে খুন ও ধর্ষণের ঘটনার তদন্তে শিয়ালদহ আদালতে তৃতীয় স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১২ জন নতুন সাক্ষীর বয়ান নথিভুক্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে পিটিশন, অভিযোগ মিলিয়ে ১০০টি কপি তাদের কাছে জমা পড়েছে। সেগুলির সারবত্তা খতিয়ে দেখছে এজেন্সি। একইসঙ্গে ঘটনার পর তাদের কাছে আসা ক্যামেরার ২০০টি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার আগের সিসি, ক্যামেরার ফুটেজও তারা বিশ্লেষণ করেছে। সোমবার নির্যাতিতার পরিবারের তরফে খামবন্ধ একটি কপি আদালতের কাছে দেওয়া হয়। অভয়ার আইনজীবী বলেন, কপিতে ঘটনার আগে কী হয়েছিল, কারা ছিল, ঘটনা কীভাবে হল এবং ঘটনার পর কী হয়েছিল, তার উল্লেখ রয়েছে। একইসঙ্গে একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের কপিও আদালতে তুলে ধরা হয়। নির্যাতিতার পরিবার দাবি করেছে, মেয়ের মৃত্যুর পর বিভিন্ন গ্রুপ থেকে তাঁকে লেফট করা হয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন অভয়ার মৃত্যুর পর কীভাবে গ্রুপ থেকে বেরিয়ে গেলেন। সওয়াল শেষে আগামী ১০ জুন সিবিআইকে পরবর্তী স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই ইস্যুতে হাইকোর্টেও শুনানি হয়েছে। তাতে নির্যাতিতার আইনজীবী বলেন, সিবিআইয়ের তদন্তে ফাঁক রয়েছে। একাধিক মিসিং লিঙ্ক অভয়ার পরিবারের তরফে তুলে দেওয়া হয়। প্রয়োজনে সিট গড়ে আদালতের নজরদারিতে তদন্তের আবেদন জানায় পরিবার। সিবিআইয়ের তরফে বলা হয়, ডাক্তার সহ সকলের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। প্রথমে ৫০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। পরে আরও ৬৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়। আজ মঙ্গলবার হবে ফের শুনানি।



