রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘মণিহারা’, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘তারানাথ তান্ত্রিক’ এবং মনোজ সেনের ‘শিকার’— এই তিন গল্পকে একসূত্রে বেঁধেছেন পরিচালক কাকলি ঘোষ এবং অভিনব মুখোপাধ্যায়। তাঁদের আসন্ন ছবির নাম ‘ভূতপূর্ব’। চিত্রনাট্য লিখেছেন সুজয় সরকার। রূপাঞ্জনা মিত্র, সপ্তর্ষি মৌলিক, সুহোত্র মুখোপাধ্যায়, সত্যম ভট্টাচার্য, অমৃতা চট্টোপাধ্যায় এবং সন্দীপ্তা সেনের অভিনয়ে সমৃদ্ধ এই ছবি। শুক্রবার মুক্তি পেল ফার্স্ট লুক।
ছবিতে এই তিনটি কাহিনি যেভাবে এক সূত্রে গাঁথা, সেটা গল্পের অন্তিম পর্যায়ে প্রকাশ পাবে। প্রথম গল্প ‘মণিহারা’। সেই গল্পে বনেদি ব্যবসায়ী পরিবারের শেষ বংশধর ফণীভূষণ সাহা ছিল প্রেমিক এবং স্ত্রৈণ। তার স্ত্রী মণিমালিকা ভীষণ স্বার্থপর, গয়নার প্রতি ছিল তার অসীম লোভ। গয়নার প্রতি এই অদম্য আকর্ষণই মণিমালিকার আত্মাকে মৃত্যুর পরেও অতৃপ্ত রেখেছিল।
দ্বিতীয় গল্পে এক সাধুর ভবিষ্যৎবাণী অনুযায়ী স্বপ্নে ইশারা পাওয়ার পর গৃহত্যাগ করে তারানাথ পৌঁছেছিল বীরভূমের এক গ্রামে। সেখানে দেখা হয় মাতু পাগলীর সঙ্গে। সেই পাগলির কাছ থেকে দীক্ষা নেওয়ার বাসনায় এক অনন্য অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যায় তারানাথ। পাগলী তাকে কিছু শক্তি প্রদান করে।
তৃতীয় গল্পে ইন্দো-চীন যুদ্ধের পর শহরে চোরাচালানকারীদের রমরমা শুরু হয়। এই ব্যবসার অন্যতম ব্যবসায়ী নটবর দত্ত। তার অধীনে কাজ করত পূর্ণেন্দু ভট্টাচার্য। পূর্ণেন্দু ছিল সুদর্শন ও উচ্চশিক্ষিত। তবে যে কোনও অপরাধমূলক কাজে ছিল সিদ্ধহস্ত। নটবর বহুমূল্যের রত্ন চুরির কাজ দেয় পূর্ণেন্দুকে। সমস্ত রকম প্রস্তুতি নিয়ে পূর্ণেন্দু সেই কাজ শুরু করে। ক্রমে সফল হতে থাকে। তারপর? জানতে গেলে চোখ রাখতে হবে বড়পর্দায়।