Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দ্বিতীয় দফা ভোটের নিরাপত্তায় ৯৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, হাওড়ায় উদ্ধার বিপুল নগদ ও অস্ত্র

দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে হাওড়া জেলায় প্রস্তুতি তুঙ্গে। অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও ভয়মুক্ত ভোট নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়া করা হয়েছে।

দ্বিতীয় দফা ভোটের নিরাপত্তায় ৯৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, হাওড়ায় উদ্ধার বিপুল নগদ ও অস্ত্র
  • ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে হাওড়া জেলায় প্রস্তুতি তুঙ্গে। অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও ভয়মুক্ত ভোট নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়া করা হয়েছে। সোমবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে জেলাশাসক পি দীপাপ্রিয়ার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন হাওড়া সিটি পুলিশ কমিশনার অখিলেশ কুমার চতুর্বেদী, হাওড়া গ্রামীণ পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট সুবিমল পাল এবং জেলার কেন্দ্রীয় বাহিনীর কো-অর্ডিনেটর। জেলা প্রশাসনের শীর্ষকর্তারা একযোগে আশ্বাস দিয়েছেন, হিংসামুক্ত ও প্রভাবমুক্ত ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

জেলাশাসক জানান, নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন মেনেই ‘হিংসামুক্ত, শাসানিমুক্ত ও বুথ জ্যামমুক্ত’ ভোটের লক্ষ্যে কাজ চলছে। বর্তমানে হাওড়া সদর এলাকায় ৪৭ কোম্পানি এবং গ্রামীণ এলাকায় ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। তারা নিয়মিত রুট মার্চ করছে এবং ভোটারদের মধ্যে আস্থা বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। পাশাপাশি আন্তঃজেলা সীমান্ত ও লঞ্চঘাট এলাকাগুলোতেও কড়া নাকা চেকিং চালানো হচ্ছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরো জোরদার করতে প্রতিটি বুথের ভিতরে ও বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। অতিস্পর্শকাতর বুথে অতিরিক্ত নজরদারির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। শুধু বুথেই নয়, আশপাশের অলিগলিতেও নজরদারি ক্যামেরা থাকবে, যার লাইভ ফিড পর্যবেক্ষণ করা হবে জেলা নির্বাচন দপ্তর ও নির্বাচন কমিশনের অফিস থেকে।
পুলিশ কমিশনার অখিলেশ চতুর্বেদী জানান, হাওড়া সদরের মোট ২০৮৭টি বুথের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশই অতিস্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৫২ সেক্টর কেন্দ্রীয় বাহিনী, ৪৮টি রেসপন্স টিম, ৭৫টি কুইক রেসপন্স টিম, ২২টি নাকা টিম, ১৬টি হেভি রেডিয়ো ফ্লাইং স্কোয়াড, ২২টি ফ্লাইং স্কোয়াড ও ২২টি এসএসটি টিম মোতায়েন থাকবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে সিআরপিএফ, বিএসএফ ও এসএসবির জওয়ানরা দায়িত্বে থাকবেন। যদিও প্রতিটি বুথে বাহিনী মোতায়েনের সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা এখনো হাতে আসেনি। এদিকে গ্রামীণ এলাকায় রাতভর টহলদারি ও নাকা চেকিং জোরদার করা হয়েছে বলে জানান সুবিমল পাল। ইতিমধ্যেই ২০ লক্ষ নগদ টাকা, ২১টি বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৯২ কেজি গাঁজা ও বিপুল পরিমাণ মদ উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি পরোয়ানা মাফিক গ্রেপ্তারিও চলছে জোরকদমে। ভোটের দিন কোনো সমস্যা হলে সাধারণ মানুষকে ১৯৫০ নম্বরে ফোন করার অনুরোধ জানিয়েছে প্রশাসন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ