নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দলের কমপক্ষে ১৫ জন প্রার্থী সহ বিভিন্ন স্তরের ৮০০ নেতা-কর্মীকে ‘ট্রাবল মেকার’ তকমা দিয়ে গ্রেপ্তারির ছক কষেছে নির্বাচন কমিশন। আশ্চর্যের বিষয় হল, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূলের পুরুষ প্রাথী, জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গেই তালিকায় নাম রয়েছে বেহালা পশ্চিম কেন্দ্রের মহিলা প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায়ের। দলের প্রার্থী ও প্রথমসারির প্রচারকদের গ্রেপ্তারির আশঙ্কাকে সামনে রেখে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস। কাদের গ্রেপ্তার করার ছক কষা হচ্ছে, জেলাওয়াড়ি সেই তালিকা জমা দিয়েছে তৃণমূল। হাইকোর্টে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেপ্তারের আশঙ্কা প্রকাশ করে বিষয়টিতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেন। তৃণমূলের সেই আরজির প্রেক্ষিতে মামলা করার অনুমতি দিয়েছে আদালত। কাল, বুধবার সেই মামলার শুনানির সম্ভাবনা। তপসিয়ার বাসিন্দা মহম্মদ দানিশ আনসারি নামে এক যুবক এই জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলায় পক্ষ করা হয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক, রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার সিপি সহ মোট ছ’জনকে। মামলাকারীর আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘গোটা গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ধ্বংস করতে নেমেছে নির্বাচন কমিশন। ট্রাবল মেকার তালিকা তৈরি করে নির্বাচনের দিন প্রার্থীদের গ্রেপ্তার করা হতে পারে এটাই আশঙ্কা। তাই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।’ এই আবর্তেই এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্যসভার তৃণমূল দলনেতা ডেরেক ও ব্রায়েন অভিযোগ করেছেন, আগামী ১৫০ ঘণ্টার মধ্যে সিরিয়াস অ্যাকশন প্ল্যান করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে সিবিআই, ইডি এবং এনআইএ প্রধানদের বৈঠক ডেকে ওই অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হয়েছে। যেখানে বিজেপির কোনো জনসমর্থন নেই, এমন সব এলাকা মরিয়া হয়ে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার চেষ্টা চলছে বলে ডেরেকের আরও অভিযোগ।



