সংবাদদাতা, কল্যাণী: রাখি ভট্টাচার্য, স্নেহা চক্রবর্তী, সুমিত্রা বিশ্বাস আর মিনু চক্রবর্তী। এই চার মহিলা পুজো করেন। মন্ত্র পড়ে বিয়ে দেন। পুরোহিত হিসেবেই তাঁদের নামডাক। দাবি, নদিয়া জেলায় প্রথম মহিলা পুরোহিত হিসেবে স্বীকৃত তাঁরাই। এবছর কল্যাণী এ-ফাইভ এলাকায় উদিতি কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের পুজো তাঁরাই করছেন।
এ আবাসনে নারীদের উদ্যোগে হচ্ছে উমার আগমন। দুর্গা যেমন পূজিতা মহিলা পুরোহিতদের দ্বারা তেমনই পুজোর সমগ্র দায়িত্বেও রয়েছেন মহিলারা। উদিতি আবাসনে ১০০ পরিবার বসবাস করে। তারাই পুজোয় সহায়তা করে। টানা ২৩ বছর ধরে পুজো হচ্ছে। এ বছর ২৪তম বর্ষ। পুরোহিত রাখি ভট্টাচার্য বলেন, ‘গত ছ’বছর ধরে কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলায় আমরা পুজো এবং বিবাহকার্য করছি।’
আবাসনের মহিলা আয়োজকরা গত কয়েকমাস ধরে প্যান্ডেলের ডিজাইন, প্রতিমা শিল্পী ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছিলেন। গত এক বছর ধরে আবাসন থেকে পুজোর অনুদান সংগ্রহ করার কাজ হচ্ছে। সাবেকি ধাঁচের মণ্ডপ তাঁদের। সঙ্গে মানানসই আলোকসজ্জা বিভিন্ন রাস্তায়। চলতি বছর দেবী প্রতিমা আসছে কল্যাণীর মাঝেরচর থেকে। প্রতিমার ডাকের সাজ। উদ্যোক্তারা জানান, উৎসবের আকার ছোট, কিন্তু আনন্দ ভরপুর। পুজোর ক’দিন ধরে চলে খাওয়া দাওয়া। হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ছোটদের নাটক, ম্যাজিক শো ইত্যাদি নানা আয়োজন থাকে। পুজোর সভাপতি মিতা মুখোপাধ্যায় এবং সম্পাদক দীপিকা নাথের নেতৃত্বে আয়োজিত হচ্ছে পুজো।