নয়াদিল্লি: ছত্তিশগড়-তেলেঙ্গানা সীমানায় কুরাগুট্টা হিলসে ২১দিন ধরে টানা ‘অপারেশন সংকল্প’ চালিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। তাতে ৩১ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার এমনটাই জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদীদের শক্ত ঘাঁটি ছিল এই এলাকা। এদিন এক্স হ্যান্ডলে শাহ লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াই চলছে। দেশবাসীকে ফের জানাতে চাই, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে ভারত মাওবাদী মুক্ত হবে।’ এদিন সিআরপিএফের ডিরেক্টর জেনারেল জি পি সিং জানিয়েছেন, ২০১৪ সাল থেকে মাওবাদী বিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। ২০১৯ সালের পর থেকে তার গতি বেড়েছে। রাজ্য পুলিসের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ছে কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনী। এদিকে, মাওবাদীরা যাতে ফের ঘাঁটি গাড়তে না পারে, তা নিশ্চিত করতে তৎপর নিরাপত্তা বাহিনী। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে ৩২০টি নতুন ক্যাম্প ও রাতে অবতরণের উপযুক্ত ৬৮টি হেলিপ্যাড তৈরি করা হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে মাওবাদী বিরোধী অভিযানের জয়গান গাওয়া হলেও মঙ্গলবার অন্য সুর শোনা গিয়েছিল ছত্তিশগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের গলায়। তিনি বলেছিলেন, ‘এতো মাওবাদীকে হত্যা করা হচ্ছে, তা আদৌ কতটা ঠিক! সত্য ঘটনা সামনে আনা হোক।’ বাঘেলের এই মন্তব্যের পরই ৩ মহিলা মাওবাদী মৃত্যুর পর যে টুইট করেছিলেন, তা ডিলিট করে দেন মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণুদেও সাই। ছত্তিশগড়ের সাধারণ মানুষ অবশ্য বলছেন, মাওবাদী যেমন ছিল, তেমনই আছে। মাঝখানে শুধু গাছ কেটে জায়গা দখল করা হচ্ছে।’



