Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

শিক্ষাক্ষেত্রে  ২,০০০ কোটির দুর্নীতি! বিপাকে কেজরি ঘনিষ্ঠ দিল্লির দুই প্রাক্তন মন্ত্রী, শুরু তদন্ত

আরও এক দুর্নীতিতে নাম জড়াল আম আদমি পার্টির দুই নেতা তথা দিল্লির দুই মন্ত্রী মণীশ সিশোদিয়া ও সত্যেন্দ্র জৈনের

শিক্ষাক্ষেত্রে  ২,০০০ কোটির দুর্নীতি! বিপাকে কেজরি ঘনিষ্ঠ দিল্লির দুই প্রাক্তন মন্ত্রী, শুরু তদন্ত
  • ৩০ এপ্রিল, ২০২৫ ১৭:০৪
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি, ৩০ এপ্রিল: আরও এক দুর্নীতিতে নাম জড়াল আম আদমি পার্টির দুই নেতা তথা দিল্লির দুই মন্ত্রী মণীশ সিশোদিয়া ও সত্যেন্দ্র জৈনের। দিল্লির স্কুলগুলিতে শ্রেণিকক্ষ নির্মাণে প্রায় দু’হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি দিল্লি পুলিসের দুর্নীতি দমন শাখার(এসিবি)। শুধুই দাবি নয়, রীতিমতো মামলা দায়ের করে তদন্তও শুরু করে দিয়েছেন তাঁরা। যার ফলে বিপাকে পড়লেন মণীশ ও সত্যেন্দ্র। আবগারি দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘদিন জেলবন্দি ছিলেন মণীশ। আর্থিক তছরুপের মামলাতেও জেল খেটেছেন দিল্লির প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র। এবার নতুন একটি দুর্নীতি মামলার সঙ্গে তাঁদের নাম জড়ানোয় বেজায় চাপে পড়ল আপ শিবির।

Advertisement

দিল্লি পুলিসের দুর্নীতি দমন শাখার দাবি, শিক্ষামন্ত্রী থাকাকালীন এই দুর্নীতি করেছেন মণীশ। সেই সময়ে পূর্ত দপ্তরের মন্ত্রী ছিলেন সত্যেন্দ্র জৈনও। তাঁর দপ্তরই দিল্লির বিভিন্ন স্কুলে নির্মাণ কাজ করে। তখনই এই দুর্নীতি হয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। আপ সরকার দিল্লিতে মোট ১২ হাজার শ্রেণি কক্ষ নির্মাণ করেছে। বেশ কিছু স্কুল বানিয়েছিল। তখনই দুর্নীতিটি হয়, এমনটাই অভিযোগ। এসিবির অভিযোগ, আপের দুই মন্ত্রী মিলে তাঁদের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের সমস্ত নির্মাণ কাজ দিতেন। সেরকম ৩৪ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। অভিযোগ, সেই ঠিকাদাররা কোনওদিনই সময়মতো কাজ শেষ করতেন না। যার ফলে প্রকল্পের খরচ বাড়ত।

এসিবি আরও জানিয়েছে, প্রক্রিয়াগতভাবে পরামর্শদাতা ও স্থপতি নিয়োগ করা হয়নি। যার ফলে খরচ আরও বেড়ে যায়। এই দুর্নীতির বিষয়টি সামনে আসে যখন দিল্লি বিজেপির কয়েকজন নেতা দাবি করে, আপের আমলে শ্রেণিকক্ষ নির্মাণে পাঁচগুণ খরচ করা হয়েছে। এমনকী ওই বিজেপি নেতারা এসিবির কাছেই লিখিত অভিযোগও দায়ের করে। তারপরেই তদন্ত শুরু করে দিল্লি পুলিসের দুর্নীতি দমন শাখা। যদিও এই নতুন দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলতে দেখা যায়নি আপ নেতৃত্বকে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ