Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

২০-৫০ শতাংশ ছাড়! কাল শুরু ‘শারদ বই পার্বণ’, রবীন্দ্রসদন, নন্দন, বাংলা আকাদেমি প্রাঙ্গণ

শুরু হয়ে গিয়েছে পুজোর কাউন্টডাউন। পাড়ায় পাড়ায় চলছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের প্রস্তুতি। জামাকাপড় কেনাকাটার সঙ্গে ‘বই শপিংয়ে’রও সুযোগ এবার। শনিবার, ৩০ আগস্ট থেকে রবীন্দ্রসদন-নন্দন-বাংলা আকাদেমি প্রাঙ্গণে শুরু হতে চলেছে ‘শারদ বই পার্বণ’।

২০-৫০ শতাংশ ছাড়! কাল শুরু ‘শারদ বই পার্বণ’, রবীন্দ্রসদন, নন্দন, বাংলা আকাদেমি প্রাঙ্গণ
  • ২৯ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: শুরু হয়ে গিয়েছে পুজোর কাউন্টডাউন। পাড়ায় পাড়ায় চলছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের প্রস্তুতি। জামাকাপড় কেনাকাটার সঙ্গে ‘বই শপিংয়ে’রও সুযোগ এবার। শনিবার, ৩০ আগস্ট থেকে রবীন্দ্রসদন-নন্দন-বাংলা আকাদেমি প্রাঙ্গণে শুরু হতে চলেছে ‘শারদ বই পার্বণ’। 

Advertisement

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগিতায় এই পার্বণের আয়োজন করেছে পাবলিসার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড। চলছে শেষ মুহূর্তে স্টল তৈরির কাজ। গিল্ডের দাবি, কলকাতা বইমেলার মতো এই পার্বণে ছাড়ের কোনও ‘বিধি-নিষেধ’ নেই। প্রকাশকরা নিজেদের মতো ছাড় দিতে পারবেন। ২০-৫০ শতাংশ ছাড়ের সুযোগ মিলবে।রবীন্দ্রসদন, নন্দন এবং বাংলা আকাদেমির প্রাঙ্গণে এই পার্বণ শুরু হচ্ছে। এ জায়গা শহরের প্রাণকেন্দ্র। গত বছরও ৩০ আগস্ট থেকে শারদ পার্বণ শুরু হয়েছিল। শেষ হয়েছিল ৬ সেপ্টেম্বর। তবে এবার আরও একদিন বাড়ানো হয়েছে। এবার ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই মেলা চলবে। ফলে দু’টি শনি এবং রবি ছুটি মিলবে। শুরুর দিন শনিবার এবং শেষদিন রবিবার। তাতে বইপ্রেমীদের ভিড় বাড়বে বলে আশা আয়োজকদের। গিল্ডের এগজিকিউটিভ কমিটির সদস্য সুদীপ্ত দে বলেন, প্রস্তুতির কাজ প্রায় শেষ। উদ্বোধনের অপেক্ষা। পুজোর মুখে বই পার্বণ বাঙালির আবেগ।
আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় গড়ে ১০ শতাংশ ছাড় মেলে। তবে এই শারদ পার্বণে বইপ্রেমীদের একটাই প্রশ্ন, কত শতাংশ মিলবে ছাড়? পাবলিসার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় বলেন, এই পার্বণে প্রকাশনা সংস্থাগুলি পাঠকদের জন্য নিজের সামর্থ মতো ছাড় দিতে পারবেন। স্টল একশোর মধ্যে থাকলেও আড়াইশোর বেশি প্রকাশনা সংস্থা অংশ নিচ্ছে। গিল্ড সভাপতি সুধাংশুশেখর দে বলেন, পার্বণ মানে উৎসব। গড়ে প্রায় ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের সুযোগ থাকবে। নির্বাচিত বইয়ের ক্ষেত্রেই মূলত ছাড় বেশি হয়। পুজোয় নতুন পোশাকের সঙ্গে সকলে বইও কিনুন। বাড়ি হোক বা ভ্রমণ, বইয়ের কোনও বিকল্প নেই।

সম্পর্কিত সংবাদ