Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

১৪ আবাসনে ভোটকেন্দ্র, ১ হাজার ১২৬ মহিলা বুথ উত্তর ২৪ পরগনায়

৩০০ জনের বেশি ভোটার রয়েছে এমন আবাসনে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এই নতুন ব্যবস্থার লক্ষ্য, শহুরে ভোটারদের সুবিধা দেওয়া এবং ভোটের দিন ভিড় ও বিশৃঙ্খলা কমানো। উত্তর ২৪ পরগনায় আবাসনের ভিতরে তৈরি বুথের সংখ্যা হচ্ছে ১৪।

১৪ আবাসনে ভোটকেন্দ্র, ১ হাজার ১২৬ মহিলা বুথ উত্তর ২৪ পরগনায়
  • ২৮ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ৩০০ জনের বেশি ভোটার রয়েছে এমন আবাসনে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এই নতুন ব্যবস্থার লক্ষ্য, শহুরে ভোটারদের সুবিধা দেওয়া এবং ভোটের দিন ভিড় ও বিশৃঙ্খলা কমানো। উত্তর ২৪ পরগনায় আবাসনের ভিতরে তৈরি বুথের সংখ্যা হচ্ছে ১৪। 

Advertisement

প্রশাসনিক আধিকারিকদের দাবি, এই ব্যবস্থায় ভোটাররা সহজে বুথে পৌঁছতে পারবেন। ফলে ভোটদানের হার বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে। এই জেলার ৩৩ বিধানসভা কেন্দ্রে থাকবে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা। প্রতি বিধানসভায় দু’টি করে মডেল বুথ তৈরি হবে। যেখানে থাকবে উন্নতমানের সুযোগ-সুবিধা। পাশাপাশি মহিলা ভোটারদের সুবিধায় তৈরি হয়েছে ১ হাজার ১২৬ মহিলা বুথ। তার দায়িত্ব থাকবে মহিলাদের উপর। শুক্রবার জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক শিল্পা গৌরিসারিয়া জানান, নির্বাচনের কাজে কোনোরকম বাধা তৈরি বরদাস্ত হবে না। রাজ্য সরকারের কর্মী, পাবলিক সেক্টর আন্ডারটেকিং, স্বশাসিত সংস্থা বা স্থানীয় প্রশাসনে যুক্ত কোনো কর্মী ভোট প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করলে বা বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ হবে। প্রয়োজনে এফআইআর দায়ের হবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে। নির্বাচন হিংসামুক্ত রাখাই কমিশনের লক্ষ্য। বুথ দখল বা  বুথ জ্যাম, ছাপ্পা ভোট দেওয়া কিংবা ভোটারদের ভয় দেখিয়ে ভোটদানে বাধা তৈরির মতো বেআইনি কাজ কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোট দিতে যাতে পারেন তার জন্য কমিশনের গাইডলাইন মেনে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে সমন্বয় রেখে কাজ এগচ্ছে। 
এই জেলায় বুথের সংখ্যা ৮ হাজার ৭২৬। এখনও পর্যন্ত জেলা প্রশাসন স্পর্শকাতর এবং অতি স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা জানায়নি। জানা গিয়েছে, প্রতি বুথে চারজন করে ভোটকর্মী থাকবেন। এছাড়াও জরুরি পরিস্থিতির জন্য রাখা হচ্ছে রিজার্ভ ভোটকর্মীর ব্যবস্থা। ভোটকর্মী সংখ্যায় কিছু কম আছে। তা সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

সম্পর্কিত সংবাদ