Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রাজ্যের ১০ লক্ষ ৪১ হাজার বৈধ রেশন গ্রাহকের কাছে আধার নেই, ৫ বছরের কম বয়সি

পাঁচ বছরের কম বয়সি হওয়ায় রাজ্যের ১০ লক্ষ ৪১ হাজার বৈধ রেশন গ্রাহকের আধার কার্ড এখনও করা যায়নি। আবার আধার কার্ড আছে অথচ আঙুলের ছাপ না মেলায় তা যাচাই করা যাচ্ছে না, এমন ২২ হাজার ২৮৬ জন গ্রাহককে চিহ্নিত করেছে রাজ্য খাদ্য দপ্তর।

রাজ্যের ১০ লক্ষ ৪১ হাজার বৈধ রেশন গ্রাহকের কাছে আধার নেই, ৫ বছরের কম বয়সি
  • ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পাঁচ বছরের কম বয়সি হওয়ায় রাজ্যের ১০ লক্ষ ৪১ হাজার বৈধ রেশন গ্রাহকের আধার কার্ড এখনও করা যায়নি। আবার আধার কার্ড আছে অথচ আঙুলের ছাপ না মেলায় তা যাচাই করা যাচ্ছে না, এমন ২২ হাজার ২৮৬ জন গ্রাহককে চিহ্নিত করেছে রাজ্য খাদ্য দপ্তর। এরই পাশাপাশি বিভিন্ন কারণে আধার কার্ড নেই, এমন আরও বেশ কিছু গ্রাহকও চিহ্নিত হয়েছে এই পর্বে।  সবমিলিয়ে আধার নেই বা থাকলেও যাচাই করা সম্ভব নয়, এমন মোট ১০ লক্ষ ৭৫ হাজার রেশন গ্রাহককে চিহ্নিত করেছে খাদ্য দপ্তর। যার ৯৬ শতাংশ পাঁচ বছরের কম বয়সি গ্রাহক।   

Advertisement

রেশনের খাদ্য সামগ্রী বণ্টনে স্বচ্ছতা আনতে গ্রাহকদের  আধার কার্ড নম্বরটি যুক্ত করা ও সেটির বায়োমেট্রিক যাচাই করা বাধ্যতামূলক করেছে রাজ্য খাদ্য দপ্তর। কেন্দ্রীয় সরকারও সেটা চাইছে। কিন্তু একই সঙ্গে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার এটাও বলছে, আধার না থাকা বা সেটি যাচাই করতে না পারার কারণে রেশনের খাদ্য সামগ্রী পাওয়া থেকে যাতে বৈধ গ্রাহকরা বঞ্চিত না হন, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। আধার সংক্রান্ত কারণে কিছু  রেশন গ্রাহকের খাদ্য সামগ্রী দেওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছে, এরকম কয়েকটি ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর রাজ্য সরকার এব্যাপারে সক্রিয় হয়ে ওঠে। সব জেলাশাসককে চিঠি পাঠিয়ে যে সব বৈধ রেশন গ্রাহকের আধার সংক্রান্ত সমস্যার জন্য জটিলতার তৈরি হয়েছে, তাঁদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দিয়েছে খাদ্য দপ্তর। গ্রাহকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রকৃত পরিস্থিতি যাচাই করতে বলা হয়েছে খাদ্য দপ্তরের স্থানীয় অফিসের আধিকারিকদের। এই যাচাইয়ের পরিপ্রেক্ষিতে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তা সম্প্রতি খাদ্য দপ্তরের পর্যালোচনা বৈঠকে পেশ করা হয়েছে। এখানে জানানো হয়েছে, মোট রেশন গ্রাহকদের ৯৮.৭৬ শতাংশের আধার নম্বর যুক্ত করা  হয়েছে। আধার নম্বরের বায়োমট্রিক যাচাই করা হয়েছে ৯৮.২৮ শতানশ গ্রাহকের। সব থেকে কম আধার যাচাই হয়েছে  ঝাড়গ্রামের বিনপুর ২ নম্বর ব্লকে (৯৬.৩৩ শতাংশ)। কোচবিহারের হলদিবাড়ি ও আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রাম ব্লকেও গড়ের থেকে কম আধার যাচাই করা সম্ভব হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ