Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

নানা রঙের দোল

সৌম্য নিয়োগী: বারসানায় এখন পা-টুকু নিশ্চিন্তে রাখার জো নেই! দেহাতি, দক্ষিণ ভারতীয়, বাঙালি, বিদেশি কে নেই সেই বিখ্যাত ভিড়ে। প্রায় সবার মাথায় রংবেরঙের পাগড়ি। কারও হাতে আবির, তো কারও ক্যামেরা। একসপ্তাহ ধরে চলছে রঙখেলা। হোলি... লাঠমার।
বৃন্দাবনের ছোট্ট জনপদ বারসানা। শ্রীরাধিকার বাসভূমি। দিল্লি থেকে প্রায় ১৭০ কিলোমিটার দূর। উত্তরপ্রদেশের গ্রামটি দেশের হোলি মানচিত্রের সবথেকে বিখ্যাত জায়গা। যদিও হোলির সাতদিন আগে থেকে এখানে ভিড় জমতে শুরু করে দেয়। কেন? এ যে শাশ্বত প্রেমের উৎসব! কোনও এক বসন্তে  কৃষ্ণপক্ষের পঞ্চম দিনে এখানেই রাধা ও শ্রীকৃষ্ণের স্বর্গীয় ভালোবাসা রচিত হয়েছিল। তারই স্মৃতি হিসেবে ফিরে ফিরে আসে রং পঞ্চমী।
বাঙালিরা অবশ্য এসব থেকে শতহস্ত দূরে, এমনটা নয়! বাঁদুরে রং খেলতে তারা ভালোই বাসে। তবু সংস্কৃতিবান বাঙালির মনে রং মানেই দোলপূর্ণিমা আর বসন্তোৎসব। শীত অস্তাচলে যেতেই যখন আগুন লেগে যায় শিমুল-পলাশের গায়ে, হাল্কা সবুজ কচি পাতা, ফুলে ভার হয়ে আসে শুকনো গাছেরা; ঠিক সেই মুহূর্তে বাঙালি মননে জেগে ওঠেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ‘আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে’ আর ‘খোল দ্বার খোল’ গাইতে গাইতে গোটা শহর ভিড় করে শান্তিনিকেতন, সোনাঝুরিতে। তারপর লাল ফুলেদের ছায়ায় ছোট্ট ধূলিধূসরিত পথে শুরু হয় নাচ-গান, আবির-রঙের মহোৎসব।
বাঙালির দোল আর অবাঙালির হোলি—এক মনে হলেও সংস্কৃতির দিক থেকে পার্থক্য কম নয়। পুরাণ অনুসারে, যৌবনে নিজের শ্যাম বর্ণ নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন কৃষ্ণ। ভয় পেতেন, রাধা ও গোপিনীরা একারণে তাঁকে পছন্দ করবে না, কাছে ঘেঁষবে না। এই অবস্থা থেকে তাঁকে উদ্ধার করেন মা যশোদা। গায়ে আবির ছুঁইয়ে। বললেন, এবার এই আবির রাধার মুখে-গায়ে ছোঁয়াও। তাহলে তো কৃষ্ণ আর রাধাতে কোনও তফাত থাকবে না। মায়ের আজ্ঞা পালন করেন যশোদা-নন্দন। আর তারই উদযাপন আমরা দেখি হোলিতে। সেটুকুর সঙ্গে কবেই মিশে গিয়েছে বিষ্ণু, হিরণ্যকশিপু, ভক্ত প্রহ্লাদের পৌরাণিক গাথা। যদিও আরও একটি কাহিনি আছে। একদিন বৃন্দাবনে রাখা ও তাঁর সখীদের সঙ্গে খেলা করছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। এমন সময় এক বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন শ্রীরাধিকা। সখীদের সামনে তাঁর লজ্জা নিবারণে নন্দলাল শুরু করেন আবির খেলা। বৈষ্ণবদের কাছে এটাই দোল উৎসবের আসল কারণ।
ফাল্গুনের এই পূর্ণিমা তিথিতে চৈতন্যদেবেরও জন্ম।
‘ফাল্গুনপূর্ণিমা তিথি নক্ষত্র ফাল্গুনী।
জনম লভিল গোরা গৌর গুণমণি।।’
তাই দোল ‘গৌর পূর্ণিমা’ও। তাই রাধা-কৃষ্ণের বিগ্রহ আবিরে রাঙিয়ে দোলায় চড়িয়ে নগরকীর্তনে বেরিয়ে পড়েন বৈষ্ণবরা। পণ্ডিতদের মতে, বিগ্রহের দোলায় গমন করা থেকেই ‘দোল’ কথাটির উৎপত্তি। দেশের অন্যান্য প্রান্তে আরও নাম, আরও অনুষঙ্গ আছে এই রঙের উৎসবের। স্থানভেদে বদলেছে রং খেলার রীতিনীতিও।

লাঠমার হোলি
শুরুতেই যে কথা লিখেছি, বারসনা (নাকি বর্ষণা) এখন পৃথিবী বিখ্যাত। সেটা এই হোলির কারণেই। রং খেলা চলে এখানে সপ্তাহভর। তাও আবার রীতিমতো লাঠিসোঁটা নিয়ে। সেই থেকেই এমন ‘লাঠমার’ নামকরণ। তবে এর পিছনেও আছে রাধা-কৃষ্ণের প্রণয়আখ্যান। বৃন্দাবন শহর থেকে একটা অটোতেই পৌঁছে ধরলেই যাওয়া যায় সেই গ্রামে। তারপর সরু গলির মতো রাস্তা ধরে সোজা পৌঁছে যেতে হয় আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু রাধারানি মন্দিরে। পুরাণমতে, এই ফাল্গুন পূর্ণিমার দিনে নন্দগাঁও থেকে শ্রীরাধিকার পিছু নিয়ে এই গ্রামে এসে পৌঁছেছিলেন স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ। প্রবল উত্ত্যক্ত করেছিলেন রাধা ও তাঁর সখীদের। ফলে সখীরা রেগে গিয়ে নন্দলালকে লাঠি দিয়ে মারতে উদ্যত হন। সেই প্রথা আজও চলে আসছে বারসানায়। নন্দগাঁও থেকে ধুতি-পাঞ্জাবি পরে কৃষ্ণের বেশে পুরুষেরা দলে বেধে আসেন রাধিকার গ্রামে। আর শক্ত লম্বা লাঠি হাতে তাদের স্বাগত জানায় ঘাগরা-চোলি পরিহিত নারীরা। সেই লাঠির ঘা পড়ে পুরুষদের গায়ে, মাথায়—সে এক মজাদার দৃশ্য।
চামড়ার গোল ঢাল দিয়ে সেই আঘাত থেকে নিজেদের রক্ষা করেন কৃষ্ণবেশীরা। কিন্তু দৈবাৎ সেকাজে ব্যর্থ হলে, পেতে হয় কঠিন শাস্তি। শরীরে লাঠির ঘা লাগামাত্র সেই ব্যক্তিকে ধরে শাড়ি পরিয়ে দেন মহিলারা। তারপর জনসমক্ষে সেই পুরুষকে নেচে দেখাতে হয়। উৎসবের দিনগুলিতে এ গ্রামের প্রতিটি পুরুষই কৃষ্ণ এবং নারীরা সকলেই রাধা। হোলি খেলা শেষ হলে বসে ‘সমাজ’। পড়ন্ত বিকেলের সেই আসরে সুর মিলিয়ে চলে গান... কৃষ্ণ-রাধার প্রেমের। নন্দগাঁও-ও কম যায় না। লাঠমার হোলির পরদিন বারসানার পুরুষরা কৃষ্ণ সেজে যান সেখানে। লাঠির মারের প্রতিশোধ নিতে নন্দগাঁওয়ের পুরুষেরা রংভর্তি বালতি নিয়ে স্বাগত জানায় তাদের। 

ফুলের হোলি ও বিধবাদের দোল
বৃন্দাবনের প্রতিটি মন্দিরেই হোলিতে চলে আবির খেলা। তবে সেসবের মধ্যে আলাদা আকর্ষণ বাঁকেবিহারী মন্দিরের উদযাপন। হোলির আগে একাদশীর দিন সেখানে ভেঙে পড়ে দেশি-বিদেশি জনতার ভিড়। হবে না-ই বা কেন, একমাত্র এখানেই দেখা যায় এক বিশেষ অনুষ্ঠান—ফুলের হোলি। শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বেই এটি ভীষণ জনপ্রিয়। কোনও আবির বা রং, এমনকী রংগোলা জলও থাকে না এই হোলিতে। থাকে শুধু ফুল আর পাপড়ি। তা দিয়েই চলে আবির খেলা হয় বৃন্দাবনের এই মন্দির প্রাঙ্গণে।
বৃন্দাবনের চারশো বছর পুরনো গোপীনাথজির মন্দির আবার হোলিতে সাক্ষী থাকে আর এক বিরল দৃশ্যের। সাদা থান পরিহিত বিধবাদের রং খেলার। শতাব্দীপ্রাচীন কুসংস্কার ভেঙে গত কয়েক বছর ধরে তারা এই উত্সবে শামিল। বছরভর পরে থাকা বিবর্ণ সাদা থানে এই একদিনের জন্য লাগে আনন্দের রং। হাসি ফোটে পরিবার হারানো বৃদ্ধাদের মুখে।

হোল্লা মহল্লা
হোলি থেকে দূরে থাকেন না শিখরা। হবে না কেন, স্বয়ং দশম শিখগুরু, গুরু গোবিন্দ সিং যে বলে গিয়েছেন। সূচনা করে গিয়েছেন হোল্লা মহল্লা পরবের। তিন দিন ধরে চলে সেই অনুষ্ঠান। হোলির দিন থেকে সেই উদযাপন শুরু করেন পাঞ্জাবের নিহঙ্গ শিখরা। এই অনুষ্ঠানের আসল উদ্দেশ্য অবশ্য রং নয়, শরীরচর্চার দক্ষতা বাড়ানো। তাই হোল্লা মহল্লাকে ডাকা হয় যোদ্ধাদের হোলি নামেও। এই দিন কুস্তি, মার্শাল আর্ট, তরোয়াল খেলা সহ শক্তি প্রদর্শনের নানা খেলায় অংশ নেন নিহঙ্গ শিখরা। তাদের কৌশলগুলি তাক লাগিয়ে দেয়।
তবে রং খেলা যে একেবারে হয় না, তা নয়। গত উনিশ শতক থেকে ঐতিহ্য হিসেবে বসন্তের এই উৎসব পালন করে আসছে শিখেরা। এই আনন্দপুর সাহিবে প্রথম একটি নকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে ঘোড়দৌড়, শরীরচর্চা, তীর চালানো ও সামরিক-চর্চায় মেতে উঠেছিল তারা। তারপর থেকে এই প্রথা সর্বত্র প্রচলিত হয়।
মহারাজা রঞ্জিত সিংয়ের সময় শিখ সাম্রাজ্যে হোলি খেলার প্রমাণ মেলে। শিখ দরবারের একটি নথিতে নাকি লেখা রয়েছে, ১৮৩৭ সালে লাহোরে রঞ্জিত সিং ও তার কর্মচারীরা ৩০০ পাউন্ড রং ব্যবহার করেছিলেন। বিলাবল বাগানে সেই হোলির উৎসবে অংশ নিয়েছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর সেনাপতি স্যার হেনরি ফেন। রঞ্জিত সিংয়ের উদ্যোগে লাহোর দুর্গে শ্রীকৃষ্ণ ও গোপীদের সঙ্গে হোলি খেলার একটি দেয়াল চিত্র তৈরি হয়েছিল। মহারাজার মৃত্যুর পর, তাঁর উত্তরসূরিরাও হোলি আড়ম্বর চালিয়ে গিয়েছেন।

রং পঞ্চমী
মহারাষ্ট্রের হোলিকে বলা হয় ‘রং পঞ্চমী’। রং খেলা ছাড়াও সেদিন গোটা রাজ্যে পালিত হয় আর এক অনুষ্ঠান, হোলিকা দাহ। শুক্লা পঞ্চমীর শেষ দিন সূর্যাস্তের পর খড় দিয়ে হোলিকার পুতুল গড়ে তাতে আগুন ধরান মহারাষ্ট্রের মানুষ। অনেকটা আমাদের ন্যাড়াপোড়া বা বুড়ির ঘর পোড়ানোর মতো। হোলিকা দাহর অর্থ, অশুভ শক্তিকে পরাস্ত করে শুভ শক্তির জয়লাভ। হোলিকা দাহের পরদিন পালিত হয় রং পঞ্চমী। একে অপরের গায়ে রং, আবির মাখিয়ে আনন্দ মেতে ওঠে মারাঠা-ভূমি। ঘরে ঘরে তৈরি হয় মিষ্টি রুটি ‘পুরান পোলি’, যার স্বাদ একবার খেলে ভোলা যাবে না।

শিগমো়
গোয়ার হোলি আবার আরও অন্যরকম। এর পোশাকি নামটাও বাকিদের থেকে আলাদা... শিগমো। এটাই গোয়াবাসীদের বসন্ত উৎসব। বসন্ত ঋতু উদযাপনে রাস্তার মধ্যেই ঐতিহ্যবাহী লোকনৃত্যের আয়োজন করা হয় একদা পর্তুগিজ অধিকৃত এই রাজ্যে। শিগমোর সময় আঞ্চলিক সাজে নিজেদের নৌকা সাজিয়ে তোলেন গোয়ার মৎস্যজীবীরা। শিগমোর আবার দু’টি ভাগ, ধাকতো শিগমো এবং ভাদলো শিগমো। এই দু’টি শব্দের অর্থ ছোট এবং বড়। গ্রামের মানুষ, বিশেষ করে শ্রমিক এবং কৃষকরা পালন করেন ধাকতো শিগমো। আর ভাদলো শিগমো উদযাপিত হয় উচ্চ-মধ্য-নিম্নবিত্ত শ্রেণি নির্বিশেষে।

মঞ্জুল কুলি
উত্তর ভারতে যতটা উদ্দীপনার সঙ্গে হোলি উদযাপিত হয়, দক্ষিণে ততটা আবেগ দেখা যায় না। তবে এখন তো সবাই এক ‘বিশ্বগ্রাম’-এর বাসিন্দা। তাই রং খেলায় সেখানেও উৎসাহ বর্তমানে নেহাত মন্দ নয়। তবে কেরল সেই উৎসাহ যথেষ্ট বেশি। তাদের হোলি ‘মঞ্জুল কুলি’ নামে পরিচিত। গোসরিপুরম থিরুমার কোঙ্কনি মন্দিরে দু’দিন ধরে তা পালিত হয়। প্রথম দিনে ভক্তরা মন্দির পরিদর্শন করেন।আর দ্বিতীয় দিনে একে অপরের গায়ে ছিটিয়ে দেন হলুদগোলা জল। ঐতিহ্যবাহী লোকগীতি এবং নাচে মেতে ওঠে ছেলে-বুড়ো সক্কলে।

ইয়োসাং
এখন বিধ্বস্ত মণিপুরে কতটা হোলি পালন হবে জানা নেই। তবে এখানকার রঙের উৎসব বেশ বিখ্যাত। হবে না কেন এখানে যে বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের বহু মানুষের বসবাস। চিত্রাঙ্গদার দেশে হোলিকে বলা হয় ইয়োসাং বা ইয়াওল শাং। দেবতা ‘পাখংবা’কে শ্রদ্ধা জানাতে পাঁচ দিন ধরে পালিত হয় এই রঙিন উৎসব। ইয়োসাঙের প্রথম দিন সূর্যাস্তের পর পালন করা হয় পাতার কুঁড়ে ঘর পোড়ানোর অনুষ্ঠান। এর নাম, ‘ইয়াওসাং মে থাবা’। এরপর পালিত হয় ‘নাকাথেং’। সেই উপলক্ষ্যে বাড়ি বাড়ি চাঁদা তুলতে যায় ছোটরা। দ্বিতীয় দিনে মূলত মন্দিরে সঙ্গীত আসর বসে। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দিনে দান সংগ্রহে বের হন মহিলারা। শেষ দুই দিন লোকেরা একে অপরের গায়ে জল ও রং ছিটিয়ে এই ঐতিহ্যবাহী রীতি উদযাপন করেন।

খাড়ি হোলি
উত্তরাখণ্ডের কুমায়ুন এলাকায় হোলিতে রং খেলা গৌণ। মুখ্য হল গান। গোটা অনুষ্ঠানটি খাড়ি হোলি নামেই খ্যাত। তবে সেটাও মূলত খাড়ি গানের কারণেই। হোলি খেলার পাশাপাশিই বসে গানের আসর। স্থানীয় পোশাকে সকলে জড়ো হন সেই উৎসব উদযাপনে। পথেঘাটে ঘুরে ঘুরে চলে খাড়ি গান। আর সুরে সুরেই উদযাপন হয় খাড়ি হোলির। 
ফাগুয়া
ঝাড়খণ্ডে আদিবাসীদের প্রবল জনপ্রিয় নাচের নাম ফাগুয়া। সেই নাচের তালে তালেই সেখানে উদযাপন হয় হোলির। ভোজপুরি ভাষায় ফাগুয়া শব্দের অর্থ হোলি। ঝাড়খণ্ড এবং তার সংকট সংলগ্ন বিহার এলাকায় এই নামেই চলে রং খেলা। তার আগে হোলিকা দহনের রীতি প্রচলিত রয়েছে সেখানেও।

ফাকুয়াহ
নামে মিল হলেও জায়গাটা একেবারে আলাদা। কোথায় ঝাড়খণ্ড বিহারের সীমান্তবর্তী অঞ্চল, কোথায় অসম। হ্যাঁ, অসমে হোলির উৎসবের নাম ফাকুয়াহ। নামে আলাদা হলেও বাংলার দোলযাত্রার সঙ্গে অনেকটাই মিল রয়েছে এই আবির উৎসবের। পশ্চিমবঙ্গের মতোই দু’দিন ধরে দোল উদযাপন করা হয় অসমে। প্রথম দিন হোলিকা দহন বা ন্যাড়া পোড়া। পরদিন তুমুল রং খেলা।

ধুলন্দি
মরুরাজ্য রাজস্থানে আবার হোলির নাম একেবারেই আলাদা... ধুলন্দি। মূলত জয়পুর ও তার আশপাশের এলাকায় হোলির দিনে অনুষ্ঠিত হয় এই উৎসব। এক্ষেেত্র খুব বেশি পার্থক্যও নেই অন্যান্যদের সঙ্গে। এখানে হোলিকা দহনের পরদিন হোলি উৎসব হয়। তবে ধুলন্দির আসল খেলা দ্বিতীয় দিনেই। হোলি খেলা হয়ে গেলে কাঠ জ্বালিয়ে চারপাশে গোল হয়ে বসে সন্ধ্যা কাটে রাজস্থানবাসীর। এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন স্থানীয়দের মুখে মুখে ছোটি হোলি বা হোলিকা দীপক নামেই পরিচিত।

রয়্যাল হোলি
নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে এই হোলি রাজ পরিবারের। আর এমন রাজ পরিবার তো দেশের মধ্যে একটি রাজ্যেই সর্বাধিক, রাজস্থান। উদয়পুরে হোলির উৎসবই বিখ্যাত। অন্যান্য জায়গার মতো এখানেও রং খেলার আগরে দিন কাঠে আগুন জ্বালিয়ে হোলিকা দহন পালন করা হয়। পরদিন চিরাচরিত উৎসব। তবে রাজপরিবারের হোলি বলে কথা, বিশাল বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয় উদয়পুরে। আয়োজনের দায়িত্বে থাকে মেবারের রাজপুতানা পরিবার। তাদের এই আয়োজন ঘিরে প্রতি বছরই সমান উন্মাদনা থাকে গোটা রাজস্থানেই।

বসন্তোৎসব
অন্য সব রাজ্যের কথা লিখলে বাংলাই বা বাদ থাকে কেন! সেই জোব চার্নকের আমল থেকেই বাংলায় দোল খেলার প্রমাণ পাওয়া যায়। এখনকার শান্তিনিকেতনী আবির খেলা নয়, কিংবা শহুরে নাচগান নয়, দোলে কলকাতা শুনেছে গওহরজানের সুরেলা কণ্ঠ। সেই অনুষ্ঠানকেই বসন্তোৎসবের রূপ দেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। গোটা বাংলার থেকে যা একেবারে আলাদা। কারণ, রং নয়, শুধু আবির দিয়েই হয় এই উৎসবের উদযাপন। বড় ভূমিকা থাকে প্রকৃতিরও। রবীন্দ্রনাথের হাত ধরে বসন্তোৎসবের সূচনা হয় বীরভূমের শান্তিনিকেতনে। গোটা পরিকল্পনার মূলেও ছিলেন কবিগুরু। আজও সেই ঐতিহ্য অমলিন। তবে করোনাকাল থেকে বসন্তোৎসব চলে গিয়েছে লোকচক্ষুর অন্তরালে।
এ তো গেল আনন্দের রং খেলার কাহিনি। এর পাশাপাশি গা শিরশির করার মতো হোলি খেলাও দেখা যায় আমাদের দেশেই। দোল পূর্ণিমার আগের একাদশী তিথিতে বারাণসীর মণিকর্ণিকা ঘাটে শ্মশানের চিতার ছাই দিয়ে হোলি খেলেন অঘোরী তান্ত্রিকরা... মশান হোলি। শোনা যায় সেই হোলির সাক্ষী থাকতে গিয়ে বুক কেঁপে যায় অতি সাহসীদেরও।
গ্রাফিক্স : সোমনাথ পাল
সহযোগিতায় : বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী
24th  March, 2024
এসো কালবৈশাখী

বৈশাখ শেষের তামাটে বিকেলেই ধেয়ে আসে সর্বনাশী মেঘ। সব লন্ডভন্ড করে দেওয়া সেই ঝড়ের স্মৃতি ও একটুকরো ইতিহাস লিখলেন কৌশিক মজুমদার বিশদ

19th  May, 2024
সেকালের কলকাতার ঝড়বৃষ্টি

‘মনে হচ্ছে দুনিয়া ভাসিয়ে দেবার জন্য স্বর্গের জানলাগুলো খুলে গেছে। ভয়ানক বাজ আর তীব্র বিদ্যুৎ। ইউরোপে এমন বাজের আওয়াজ কোনওদিন শুনিনি। সেখানে বৃষ্টি মানে নেহাত আনন্দ। ঝড় আর বাজের এমন রূপ কেউ চিন্তাও করতে পারে না!’ লিখেছিলেন ফ্যানি পার্কস। বিশদ

19th  May, 2024
রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দের সংগ্রাম
পূর্বা সেনগুপ্ত

বুদ্ধের সেবা আর খ্রিস্টান মিশনারীদের সেবা—দুই সঙ্ঘবদ্ধ সন্ন্যাসীদের অভিজ্ঞতা মিশিয়ে স্থাপিত হয় রামকৃষ্ণ মিশন। বিশদ

12th  May, 2024
বরানগর মঠ: প্রতিষ্ঠা কাহিনি

শ্রীরামকৃষ্ণের দেহাবসানের ১৫ দিনের মাথায় ছেড়ে আসতে হয়েছিল কাশীপুর উদ্যানবাটী। সারদা দেবী গৃহীভক্ত বলরাম বসুর পরিবারের সঙ্গে তীর্থে চললেন। গুরুভাইদের নিয়ে পথে নেমে এসেছিলেন নরেন্দ্রনাথ দত্ত। সব ছেড়ে নবীন সন্ন্যাসীদের মঠে যাওয়ার ডাক দিতেন। বিশদ

12th  May, 2024
রবীন্দ্রনাথ ও সত্যজিৎ

শান্তিনিকেতনের লাইব্রেরি তাঁকে সিনেমা সম্পর্কে কৌতূহলী করে তুলেছিল। প্রকৃতি ও জগৎকে দেখার চোখ খুলে দিয়েছিলেন বিনোদবিহারী মুখোপাধ্যায় ও নন্দলাল বসু। শান্তিনিকেতন তথা রবীন্দ্র-সাহচর্যেই সত্যজিৎ রায় হয়ে উঠেছিলেন বিশ্বজয়ী চলচ্চিত্র পরিচালক। লিখেছেন সুখেন বিশ্বাস বিশদ

05th  May, 2024
জনমত
সমৃদ্ধ দত্ত

গোরুর গায়ে ‘ভোট দিন’ লিখেছিল কংগ্রেস। বিমান থেকে টারম্যাকে লাফ দেন ইন্দিরা। বাজপেয়ির প্রচারে খরচ ৭০০ কোটি। কিন্তু কী ছিল ভোটের ইস্যু? নেহরু থেকে মোদি... আজ তারই একঝলক। বিশদ

28th  April, 2024
চারুলতার অন্দরমহল

‘আশ্বিনের ‘পরিচয়’ খুলে দেখলুম রুদ্রমশাই আবার আমার পিছনে লেগেছেন।... রুদ্রমশাই সাহিত্য বোঝেন কিনা জানি না; সিনেমা তিনি একেবারেই বোঝেন না। শুধু বোঝেন না নয়; বোঝালেও বোঝেন না।’ পরিচয় পত্রিকায় সত্যজিৎ রায়-অশোক রুদ্রের এই চাপানউতোরের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ‘চারুলতা’।
বিশদ

21st  April, 2024
বিদেশে এখনও আমি ‘চারুলতা’

কতদিন হয়ে গেল। এখনও বিদেশে গেলে প্রায় কেউই আমাকে মাধবী বলে ডাকেন না। কী বলে ডাকে, জানেন? ‘চারুলতা।’ শুধু বিদেশে নয়, দেশের অনেক জায়গাতেও। আজ থেকে ৬০ বছর আগেকার কথা। তখন সবে ‘মহানগর’ ছবির শ্যুটিং শেষ হচ্ছে।
বিশদ

21st  April, 2024
অমলকে দেওয়া চারুর খাতাটা বাবা বাড়িতে বসেই ডিজাইন করেছিলেন

তখন আমার বয়স খুবই কম। ১৯৬৪ সালে ‘চারুলতা’ হয়েছিল। আমার বয়স তখন ১১ বছর। তাই স্মৃতি যে খুব একটা টাটকা, এমনটাও নয়। বাড়িতে ‘চারুলতা’ নিয়ে বাবাকে খুবই পরিশ্রম করতে দেখেছি।
বিশদ

21st  April, 2024
আমরি বাংলা ভাষা
অনুপ বন্দ্যোপাধ্যায়

রোজকার মতো প্রাতঃভ্রমণ সেরে চায়ের দোকানে এসে বসলেন চণ্ডীবাবু। কাগজের দিকে হাত বাড়াতে যাচ্ছিলেন। আর মধ্যেই আমাকে দেখে বলে উঠলেন—
গুড মর্নিং স্যর, হ্যাপি বেঙ্গলি নিউ ইয়ার। বিশদ

14th  April, 2024
রহস্যময় গম্ভীরা

পুরীর গম্ভীরায় জীবনের শেষ আঠারোটা বছর কাটিয়েছিলেন শ্রীচৈতন্যদেব। অন্তর্ধানের আগে মহাপ্রভু অন্তিমবারের মতো বের হয়েছিলেন সেখান থেকেই। সেই গম্ভীরা ঘুরে ইতিহাস-রহস্যের অনুসন্ধান করলেন অনিরুদ্ধ সরকার। বিশদ

07th  April, 2024
জিপিও ২৫০

বুধবারের দুপুরবেলা। দোল-হোলি পর্বের টানা ছুটি কাটিয়ে এবার ছন্দে ফেরার পালা। কিন্তু একটু বড় ছুটি পেলেই মানুষের মতো শহরটাকেও জড়িয়ে ধরে আলস্য। অফিস-কাছারি খুলতেই আড়মোড়া ভাঙছে শহর। রাস্তাঘাটে অবশ্য তেমন ভিড় নেই। বিশদ

31st  March, 2024
অন্ধকূপেই ডাকঘরের জন্ম

শহরের বুক থেকে ইংরেজদের পুরনো কেল্লার সীমানা মুছে গিয়েছে কবেই। ফিকে হয়ে এসেছে নবাব সিরাজদ্দৌলার কলকাতা আক্রমণ, প্রথম যুদ্ধজয় এবং অন্ধকূপ হত্যার স্মৃতি। এমনটাই যে হবে, আগেই অনুমান করতে পেরেছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও ইংরেজরা।
বিশদ

31st  March, 2024
 ‘যত মত তত পথ’
পূর্বা সেনগুপ্ত

দক্ষিণেশ্বরের দেবালয়। বিরাট বারান্দার এক কোণের ঘরে বসে ভক্তসঙ্গে ধর্মপ্রসঙ্গ করছেন শ্রীরামকৃষ্ণ। দেবালয়ের পাঁচ টাকা মাইনের পুরোহিত হলে কি হবে...মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা রাণী রাসমণি থেকে তাঁর জামাই মথুরবাবু, সকলেই তাঁকে সমীহ করে চলেন। বিশদ

17th  March, 2024
একনজরে
কলকাতা ও দুই ২৪ পরগনার ২১টি থানা, জিআরপি এবং হাসপাতালে অস্বাভাবিকভাবে মৃতদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য নতুন জায়গা নির্দিষ্ট করে দিল স্বাস্থ্যভবন। এর মধ্যে পাঁচটি হাসপাতাল, ১২টি জিআরপি থানা এবং কলকাতা পুলিস এলাকার চারটি থানা রয়েছে। ...

ব্যাঙ্কিং পরিষেবার বহর বাড়াতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে লেনদেনের সুযোগ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এই ডোরস্টেপ ব্যাঙ্কিং পরিষেবা দেওয়ার জন্য তারা ১২টি রাষ্ট্রায়ত্ত ...

আগামী ১২ জুন শুরু হচ্ছে ট্রান্সফার উইন্ডো। দলবদলের মরশুমে উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন অসংখ্য লাল-হলুদ সমর্থক। সোশাল সাইটে তারকা ফুটবলারদের নাম নিয়ে জোরদার চর্চা। কোন পথে এগচ্ছে মশালবাহিনী? খোলামেলা নানা প্রশ্নের উত্তর দিলেন শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। ...

পশ্চিমবঙ্গে কাজ রয়েছে। রয়েছে সুষ্ঠু পরিবেশ। এখানে খুঁজলেই কাজ পাওয়া যায়। ভিন রাজ্য থেকে আসা শ্রমিকদের বক্তব্য স্পষ্ট। যা এক কথায় নস্যাৎ করে দিচ্ছে বিরোধীদের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কাজকর্মে জটিলতা মুক্তি ও কর্মোন্নতি। অপচয়মূলক বা অপ্রত্যাশিত ব্যয় বাড়বে। পারিবারিক ক্ষেত্রে সুসম্পর্ক। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব কচ্ছপ দিবস
১৪৯৮ - পর্তুগীজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে ভারতের কালিকট বন্দরে এসেছিলেন
১৬০৯ - শেক্সপিয়ারের সনেট প্রথম প্রকাশিত হয় লন্ডনে
১৮১৮ - প্রথম বাংলা সংবাদপত্র সমাচার দর্পণ আজকের দিনে প্রথম প্রকাশিত হয়। সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান
১৮২৯- বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকার প্রতিষ্ঠাতা ও গণিতবিদ মাধবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৮৯৪ - ভারতে ফলিত গণিতের জনক বিজ্ঞানী নিখিলরঞ্জন সেনের জন্ম 
১৯০২ - কিউবা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং এই দিনে সকল মার্কিন সেনা কিউবা ত্যাগ করে
১৯০৫ - বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকার প্রতিষ্ঠাতা ও গণিতবিদ মাধবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯০৬- নাট্যকার হেনরিক ইবসেনের মৃত্যু
১৯১৮- ইংরেজ ক্রিকেটার ডেনিস কম্পটনের জন্ম
১৯১৯- জয়পুরের রাজমাতা গায়ত্রী দেবীর জন্ম
১৯২৮- বিশিষ্ট তবলিয়া রাধাকান্ত নন্দীর জন্ম
১৯৩০ - বাঙালী প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু 
১৯৩২ - ইয়ারহার্ট প্রথম মহিলা যিনি একক উড্ডয়নে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দেন
১৯৫১- বিশিষ্ট দাবাড়ু আনাতোলি কারাপোভের জন্ম
১৯৮৩ - এইচআইভি ভাইরাস সম্পর্কে প্রথম প্রকাশিত হয় সায়েন্স ম্যাগাজিনে



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৪৯ টাকা ৮৪.২৩ টাকা
পাউন্ড ১০৪.২৪ টাকা ১০৭.৭২ টাকা
ইউরো ৮৮.৯২ টাকা ৯২.০৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭৪,৬০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৪,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৭১,২৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৯৩,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৯৩,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ ‌জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০২৪।  পূর্ণিমা ৩৬/৫ রাত্রি ৭/২৩। বিশাখা নক্ষত্র ১০/৪৫ দিবা ৯/১৫। সূর্যোদয় ৪/৫৭/৩৭, সূর্যাস্ত ৬/৯/৫। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/১৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫১ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৩ গতে ১২/৫৪ মধ্যে। 
৯ ‌জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০২৪। পূর্ণিমা সন্ধ্যা ৬/৪৮। বিশাখা নক্ষত্র দিবা ৮/৫৮। সূর্যোদয় ৪/৫৭, সূর্যাস্ত ৬/১২। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪০ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৭ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৩ গতে ৬/১২ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৫ মধ্যে। 
১৪ জেল্কদ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভূপতিনগরে তৃণমূল নেতার উপর হামলা, কাঠগড়ায় বিজেপি
পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগর থানার এক্তারপুরে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি অম্বিকেশ মান্নার ...বিশদ

06:30:00 PM

ইডি-সিবিআইয়ের হাত থেকে বাঁচতে বিজেপিতে গিয়েছেন, নাম না করে তাপস রায় প্রসঙ্গে বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

06:21:55 PM

একবছর আগে থেকেই বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ ছিল, নাম না করে তাপস রায় প্রসঙ্গে বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

06:19:19 PM

মোদি জিতলে এটাই ভারতবর্ষে শেষ নির্বাচন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

06:11:43 PM

সবার সার্টিফিকেট বহাল থাকবে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

06:09:11 PM

সারাদেশে বিজেপিকে মদত দিচ্ছে বামেরা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

06:07:47 PM