Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিছক ভোটব্যাঙ্ক নয়
তন্ময় মল্লিক

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কি শুধুই ভোটব্যাঙ্ক? লোকসভা ভোটে বাংলায় জোর ধাক্কা খাওয়ার পর বিজেপির অনেক নেতা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে ‘ঢাল’ করে ব্যর্থতা ঢাকতে চাইছেন। তাঁরা এমন ভাব করছেন যেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্যই বিজেপির বাংলায় ভরাডুবি হয়েছে। একথা ঠিক, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার তৃণমূল কংগ্রেসকে ব্যাপক ডিভিডেন্ট দিয়েছে। কিন্তু তাতে কি মোদি সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে গ্রাম বাংলার ক্ষোভ লঘু হয়ে যায়? মোটেই না। তাই এই রায় যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের পরিষেবার স্বীকৃতি, তেমনই মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বাংলার অনাস্থাও।
৪ জুনের পর বিজেপি, সিপিএম সহ সমস্ত বিরোধী দল লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে লেটার মার্কস দিচ্ছে। কিন্তু তাতে কি বিন্দুমাত্র কমে ‘কৃষকবন্ধু’ প্রকল্পের গুরুত্ব? মমতার এই প্রকল্প বাংলার চাষিদের জুগিয়েছে ভরসা। প্রান্তিক কৃষকদের বাঁচিয়েছে মহাজনী ঋণের খপ্পর থেকে। যাঁরা এই সুযোগ পান তাঁরা প্রত্যেকে না হোক, একটা বড় অংশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘কৃষকদরদি’ বলেই মনে করে। তাই চাষিদের মধ্যে মমতার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অবশ্যই একটা বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করেছে। কিন্তু তারজন্য বাংলার প্রতি মোদি সরকারের বঞ্চনাকে খাটো করে দেখা ঠিক হবে না। ১০০ দিনের কাজ বন্ধ করে বিজেপি সরকার গরিবের পেটে লাথি মেরেছে। দফায় দফায় অনুরোধ সত্ত্বেও চিড়ে ভেজেনি। আবাস যোজনার টাকা আটকে কেড়ে নিয়েছে গরিবের মাথার উপর ছাদ। বাংলা যত বেশি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিহিংসার রাজনীতির শিকার হয়েছে বঙ্গ বিজেপির উল্লাস চড়েছে ততই। এবারের নির্বাচনে সেই অবিচারের জবাব দিয়েছে বাংলা। একেবারে কড়ায়গন্ডায় হিসেব চুকিয়ে দিয়েছে। এরপরেও যদি মোদির সরকার বাংলার প্রাপ্য না মেটায়, তাহলে ছাব্বিশে বঙ্গ বিজেপির জন্য অপেক্ষা করছে আরও বড় থাপ্পড়।
নির্বাচনের আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সৌজন্যে তৃণমূল এবার প্রচুর মহিলা ভোট পেতে চলেছে। বহু বামপন্থী এবং বিজেপি সমর্থকও জানিয়ে ছিলেন, তাঁরা কট্টর মমতা বিরোধী। এতদিন গোটা পরিবার এক সুরে কথা বলেছে। কিন্তু এবার স্ত্রী ও মায়ের ভোট যাবে তৃণমূলে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকায় সংসারের জরুরি প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি পূরণ করতে পারছে ছোটখাটো শখ। 
ফলে এবার পরিবারের সব ভোট আর এক জায়গায় যাবে না। উত্তরবঙ্গের এক বিজেপি নেতা একান্ত আলাপচারিতায় বলেছিলেন, ‘এটা দেশের ভোট। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে নরেন্দ্র মোদির ধারেকাছে কেউ নেই। বাংলার ৪২টি আসন জিতলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। ফলে পরিস্থিতি খুবই অনুকূল। তা সত্ত্বেও আমরা জিতবই, এমন জোর দিতে পারছি না। কারণ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার।’ 
বাংলার বাস্তব পরিস্থিতি বুঝেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের প্রচারকরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কিছুই নয়, এমন একটা প্রচারের কৌশল নিয়েছিলেন। তাঁরা বুঝিয়ে ছিলেন, হাজার টাকায় সংসার চলে না। চাই কাজ। তাঁদের সেই শেখানো বুলি শোনা গিয়েছিল বিজেপির ছোট, বড় সব নেতার মুখে। কিন্তু বিজেপি নেতৃত্ব ভুলে গিয়েছিল, বিন্দু বিন্দুতেই হয় সিন্ধু। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকাই হয়ে উঠেছে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যাদের পুঁজি। তাতেই ফিরছে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির আর্থিক স্বাস্থ্য।
একথা ঠিক, চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার তৃণমূল কংগ্রেসকে বিপুল সাফল্য এনে দিয়েছে। তবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে শুধুই ভোটব্যাঙ্ক ভাবাটা হবে মস্ত বড় ভুল। বরং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার হল দেশের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর নারী সশক্তিকরণের বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। যুগান্তকারীও বলা চলে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের জন্য অনেক প্রকল্প এনেছেন। তবে, বাংলার মা, বোনেদের জন্য চালু করা প্রতিটি প্রকল্পই বিপুল সাড়া ফেলেছে। তাঁর কন্যাশ্রী পেয়েছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এই প্রকল্পের জন্য স্কুলছুট তো কমেছেই, বাড়ছে মেয়েদের উচ্চশিক্ষার হার। এখন আর প্রাথমিকের পর থেমে যায় না মেয়েদের পড়াশোনা। 
রূপশ্রী প্রকল্পের জন্য কন্যাসন্তান আর দুঃস্থ পরিবারের ‘বোঝা’ নয়, বরং ‘সম্পদ’। মেয়ে জন্মালেই ৫০ হাজার টাকার সরকারি সাহায্য নিশ্চিত। কন্যাশ্রী দিয়ে শুরু হয়েছিল মমতার নারী সশক্তিকরণের পথ চলা। সেই বৃত্তকে সম্পূর্ণ করেছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। সেটা বাংলার মা, বোনেরা উপলব্ধি করেছেন। তারজন্যই রাজনীতির চালিকা শক্তি হিসেবে উঠে আসছেন মহিলারাও। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের হাত ধরে বাংলার রাজনীতিতে সূচনা হয়েছে এক নতুন অধ্যায়ের। 
যুগ যুগ ধরে মহিলারা ছিলেন শুধুই ‘ভোটার’। তাঁরা স্বামীর ‘নির্দেশ’ মেনে অথবা পারিবারের রাজনৈতিক ঐতিহ্য মতো নির্দিষ্ট একটি দলের প্রার্থীকেই ভোট দিতেন। ফলে পরিবারের সব ভোট যেত একদিকে। একটা সময় ছিল যখন পরিবার গুনে বলে দেওয়া যেত, কোন বুথে কার কত লিড হতে পারে। কিন্তু এখন আর সেই অঙ্ক মেলে না। কারণ ভেঙেছে ‘পারিবারিক ভোট’ প্রথা। এখন মহিলারা দেখেন, কাকে ভোট দিলে তাঁদের লাভ। সেই অঙ্ক কষেই তাঁরা ভোট দিচ্ছেন। চেতনার জন্ম হয় এভাবেই। 
এতদিন সকালে ভোটের লাইনে ভিড় হতো মূলত পুরুষদেরই। মা, বোনেরা রান্না করে, সংসারের কাজ সেরে দুপুরের পর ভোট দিতেন। কিন্তু, এবার উল্টো ছবি। মা, বোনেরাই সাতসকালে দাঁড়িয়েছিলেন ভোটের লাইনে। তাই মহিলাদের লাইন ছিল পুরুষদের চেয়েও লম্বা। কোনও কোনও জেলায় পুরুষদের চেয়েও মহিলাদের ভোট পড়েছে বেশি। ঝাড়গ্রামে ৯২ শতাংশ মহিলা ভোট দিয়েছেন। এতদিন তাঁরা শুধুই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতেন। এবার তার পাশাপাশি পালন করেছেন ‘কর্তব্য’ও। ভোট দিতে আসা মহিলাদের অনেককেই বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘দিদি আমাদের জন্য অনেক করছেন। তাই দিদির পাশে দাঁড়ানোটা আমাদের কর্তব্য। সেই কর্তব্যটা পালন করে গেলাম।’
এবার আরও একটা বৈশিষ্ট্য অনেকের নজর কেড়েছে। এতদিন বুথের বাইরে রাজনৈতিক দলের ক্যাম্পে থাকতেন মূলত পুরুষরাই। এবার সেখানে ছিল বহু মহিলা পরিচালিত ক্যাম্প। তাঁরা ভোট দিয়ে বাড়ি না গিয়ে ভোটাদের বুথ স্লিপ দিয়েছেন। বয়স্কদের বুথে যেতে সাহায্য করেছেন। এটা গ্রাম বাংলার নতুন ছবি।
সব রাজনৈতিক দলেরই মহিলা সংগঠন আছে। সিপিএমের মহিলা সমিতি। বাম আমলে মহিলা সমিতির সদস্যরা নারী নির্যাতনের কোনও ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটলে তবেই রাস্তায় নামতেন। আর ভোটে মহিলা সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী দেওয়ার জন্য তাঁদের খোঁজ পড়ত। সংরক্ষণের জোরে মহিলারা প্রধান, উপ প্রধানের চেয়ারে বসতেন। কিন্তু অধিকাংশই ছিলেন ‘রাবার স্ট্যাম্প’।
রাজ্যে ক্ষমতা পরিবর্তনের পর অনুব্রত মণ্ডল বীরভূম জেলায় প্রতিটি ব্লক ধরে মহিলা সম্মেলন করতেন। তাঁর প্রতিটি সভায় প্রচুর মহিলা ভিড় করতেন। কিন্তু রাজনীতিতে মহিলাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ হাতে গোনা দু’একটি জেলাতেই সীমাবদ্ধ ছিল। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালুর পর ছবিটা দ্রুত বদলাতে থাকে। রাজ্যে তৃণমূলের মহিলা সংগঠনে জোয়ার এসেছে। লোকসভা ভোটের আগে মিটিংয়ে, মিছিলে মহিলাদের উপস্থিতি অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। তৃণমূলের প্রমীলা বাহিনী এখন এতটাই শক্তিশালী যে তারা এককভাবে মিটিং, মিছিল করার ক্ষমতা রাখে। আরামবাগে মহিলা তৃণমূলের পদযাত্রায় জনস্রোত বয়ে গিয়েছিল। তৃণমূলের জন্য রাজ্যের কঠিনতম আসন ছিল আরামবাগ। সেখানে তৃণমূল জিতেছে। মিতালি বাগের এই জয়ের পিছনে মহিলাদের অবদান অনস্বীকার্য। 
মহিলারা এবারের ভোটে ডিসাইডিং ফ্যাক্টর হতে চলেছে, সেটা টের পেয়ে ছিলেন নরেন্দ্র মোদিও। তাই সন্দেশখালির রেখা পাত্রকে দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা বলে অভিহিত করে মহিলাদের পাশে টানার কৌশল নিয়েছিলেন।  নির্বাচনের মুখে পাশ করিয়েছিলেন মহিলা সংরক্ষণ বিল। বিজেপি ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের কথা বলছে। কিন্তু 
এবার তারা ৪২৯জনের মধ্যে মাত্র ৬৯ জন মহিলা প্রার্থী দিয়েছিল। শতাংশের হিসেবে মাত্র ১৬। এককথায় মোদিজির সংরক্ষণ আইন পাশ করা ছিল মহিলা ভোট টানার ‘গাজর’। তবে, শতাংশের নিরিখে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মহিলা প্রার্থী দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ৪২ প্রার্থীর মধ্যে ১২জনই মহিলা। প্রায় ৩০ শতাংশ। এতেই বাংলার মা, বোনেরা বুঝে গিয়েছেন, বিজেপির কাছে মহিলারা ‘কাব্যে উপেক্ষিতা’ হলেও মমতার রাজত্বে নায়িকা তাঁরাই।
15th  June, 2024
নির্মলার বাজেট এবারও কি হতাশ করবে?
পি চিদম্বরম

অর্থনীতির অন্য শুভাকাঙ্ক্ষীদের মতো, আমিও বার্ষিক কেন্দ্রীয় বাজেটের প্রাক্কালে সবসময় পড়াশোনার পাশাপাশি মতামত দিই এবং লেখালিখিও করি। তবে, বেশিরভাগ বাজেটের দিনেই সংসদ ভবন ছেড়ে আসতে হয় একরাশ হতাশা নিয়েই। বিশদ

আবেগের নাম ২১ জুলাই
হিমাংশু সিংহ

একুশে জুলাইয়ের বয়স তৃণমূলের চেয়ে পাঁচ বছর বেশি। কিন্তু বয়সে কী আসে যায়। দেখতে দেখতে স্বাধীনতা-উত্তর বাংলায় রাজনীতির প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত আজকের শহিদ দিবসটি। ২১ জুলাই শুনলেই সুন্দরবন থেকে পাহাড়, কাকদ্বীপ থেকে কোচবিহারের মানুষ আছড়ে পড়ে কলকাতার রাজপথে। বিশদ

21st  July, 2024
২১ জুলাই এবার অনেক নেতারও ‘শহিদ দিবস’
তন্ময় মল্লিক

‘লোকসভা নির্বাচনে কম আসন পেলেও রাজ্যে ৬৯টি পুরসভায় আমরা এগিয়ে।’ কথাগুলি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের। নির্বাচনে ভরাডুবির পর হতোদ্যম দলীয় কর্মী-সমর্থকদের চাঙ্গা করতে গেলে হতাশার গাদা থেকে খুঁজে বের করতে হয় সাফল্যের ছুঁচ। বিশদ

20th  July, 2024
ট্রাম্প টার্গেট: কিশোর মন বোঝা জরুরি
সমৃদ্ধ দত্ত

আমেরিকার ২০ বছরের এক তরুণের মনের হদিশ এতদিন ধরে কিন্তু কেউ পায়নি। তার স্কুলের প্রাক্তন সহপাঠী, প্রতিবেশী, অভিভাবক সকলেই প্রবল বিস্মিত। এরকম কাজ এই ছেলেটি কীভাবে করতে পারে? আজ পেনসিলভেনিয়ার এক কান্ট্রিসাইডে ঘটে যাওয়া ওই রোমহর্ষক ঘটনা নিয়ে উত্তেজনাপূর্ণ আলোচনা অনেক দূরে আমাদের ঘরে ঘরেও হয়তো হচ্ছে।
বিশদ

19th  July, 2024
হতাশার ভোটে রক্তাক্ত ট্রাম্প!
মৃণালকান্তি দাস

সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা ঘিরে রেখে তাঁকে মঞ্চ থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন, তাঁর মুখের উপর রক্ত গড়িয়ে পড়ছে, এর মধ্যে মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে স্লোগান তোলা অদম্য ট্রাম্পের ছবি শুধু ঐতিহাসিক নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের গতিপথও উল্টে দিতে পারে।  বিশদ

18th  July, 2024
সংবিধান প্রীতির সংসদীয় প্রতিযোগিতা
হারাধন চৌধুরী

বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, হিউম্যারিস্ট স্টিফেন লিকক বলেছিলেন, প্রবাদগুলো নতুন করে লেখা উচিত। কারণ এগুলো প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে। এমনকী, কিছু প্রবাদ সাম্প্রতিক বাস্তবের বিপরীত ব্যাখ্যাই বহন করছে বিশদ

17th  July, 2024
উপ নির্বাচন ও কিছু মিলে যাওয়া অঙ্ক
শান্তনু দত্তগুপ্ত

দ্রবণকে ব্যাখ্যা করতে গেলে তিনটি ধরন পাওয়া যায়—অসমপৃক্ত, সম্পৃক্ত, আর অতিপৃক্ত। নিছক স্কুলজীবনের বৈজ্ঞানিক শিক্ষা। কিন্তু অবলীলায় একে দৈনন্দিন জীবন, সমাজ এবং রাজনীতিতে চালিয়ে দেওয়া যায়। অতিপৃক্ত শব্দটিকে জীবনের সঙ্গে খাপ খাওয়ালে বলা যেতেই পারে, জল গলার উপর উঠে গিয়েছে।
  বিশদ

16th  July, 2024
নয়া তিন আইন নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দেবেন কে?
পি চিদম্বরম

একটি বিতর্কের পরে যেখানে বিরোধীরা সংসদের উভয় কক্ষ (সঙ্গত কারণে) বয়কট করল, সেখানেই ভারতীয় দণ্ডবিধি, ১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৯৭৩ এবং ভারতীয় সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ প্রতিস্থাপন (এবং পুনঃপ্রণয়ন) করার জন্য তিনটি বিল পাস করা হল।
বিশদ

15th  July, 2024
বাজেটের আগে মোদি মস্কোয় কেন?
হিমাংশু সিংহ

কথায় কথায় বলেন, নেহরু যুগের সব খারাপ। সেই কারণে দেরি না করে দ্রুত কংগ্রেস জমানার যাবতীয় নিশান মুছে ফেলাই যে তাঁর অগ্রাধিকার, তা বারে বারে বুঝিয়ে দিয়েছেন। অথচ তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার একমাসের মধ্যে নেহরু-ইন্দিরা যুগের বিদেশ নীতির পদাঙ্ক অনুসরণ করেই হইচই ফেলে দিলেন তিনি, নরেন্দ্র মোদি।
বিশদ

14th  July, 2024
মতুয়া ভোটের লোভেই কি শান্তনুর সাত খুন মাফ!
তন্ময় মল্লিক

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের বিরুদ্ধে বিজেপি নেতৃত্ব বা নরেন্দ্র মোদির সরকার কি কোনও ব্যবস্থা নেবে? দ্বিতীয়বার মন্ত্রী হওয়ার এক মাসের মধ্যেই কেন এই প্রশ্ন? কারণ তাঁর বিরুদ্ধে উঠেছে গোমাংস পাচারে মদতের গুরুতর অভিযোগ। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্তাকে তাঁর লেখা সুপারিশপত্র নিয়ে বিজেপির অন্দরে ব্যাপক জলঘোলা হচ্ছে।
বিশদ

13th  July, 2024
ট্যাক্স সন্ত্রাস: জনতার কষ্টার্জিত অর্থ যায় কোথায়?
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা বেতন, ব্যবসা অথবা স্বাভাবিক পেশার বাইরে কোনও অতিরিক্ত কাজ করে কিছু বেশি রোজগার করলাম। সেই টাকার একাংশ সরকার ট্যাক্স নেবে। ট্যাক্স কেটে নেওয়ার পর যে টাকা বেঁচে থাকবে, সেটা পুরোটাই তো আমাদের জীবনযাপনের জন্য থাকার কথা। বিশদ

12th  July, 2024
মমতার জলযুদ্ধ!
মৃণালকান্তি দাস

সাহিত্যিক সমরেশ মজুমদারের ‘সাতকাহন’ উপন্যাসের নায়িকা ছিলেন দীপাবলি। যাঁকে উত্তরবঙ্গের চা-বাগান থেকে বহুবার সকরিকলি মনিহারি ঘাট হয়ে স্টিমারে গঙ্গা পেরিয়ে কলকাতা আসতে হতো। কলকাতা এবং উত্তরবঙ্গের যোগসূত্র তখন অর্ধেক পথ ট্রেনে, তারপরে স্টিমারে গঙ্গা পেরিয়ে আবার অন্যপাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেন। বিশদ

11th  July, 2024
একনজরে
‘বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা হল ফ্রান্সের রাজধানী!’ এক বছর আগে সদর্পে এমনটাই ঘোষণা করেছিলেন প্যারিস ওলিম্পিকস আয়োজক কমিটির প্রধান টনি এস্তানগুয়েঁ। ...

রাজ্য সরকারি কর্মীদের স্বাস্থ্য প্রকল্প পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিক্যাল সেলে এই প্রথম একজন চিকিৎসককে আনা হচ্ছে। রাজ্য সরকারের চাকরি থেকে অবসর নেওয়া এক চিকিৎসককে একবছরের চুক্তিতে ...

জনসভা প্রায় শেষের পথে। পার্ক স্ট্রিট সহ সংলগ্ন রাস্তাগুলির ভিড় তখন বাড়িমুখী। ফিরতি বাসে ওঠার আগে খাওয়া-দাওয়ার পর্ব সেরে নিচ্ছেন কেউ কেউ। অনেকে বাসে উঠে ...

রবিবার নেপালে আস্থাভোটে জয়ী হলেন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। পার্লামেন্টে তাঁর পক্ষে পড়ে ১৮৮টি ভোট। বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন ৭৪ জন সদস্য। ২৬৩ জন ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিকল্প উপার্জনের নতুন পথের সন্ধান লাভ। কর্মে উন্নতি ও আয় বৃদ্ধি। মনে অস্থিরতা। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৪: সাহিত্যিক প্যারীচাঁদ মিত্রের জন্ম
১৮৪৭: সাহিত্যিক ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯১২: ইংল্যান্ডে ইন্ডিয়া সোসাইটি কর্তৃক রবীন্দ্রনাথের সংবর্ধনা
১৯১৮: প্রথম ভারতীয় যুদ্ধবিমানের পাইলট ইন্দ্রলাল রায়ের মৃত্যু (প্রথম বিশ্বযুদ্ধে)
১৯২২: বিশিষ্ট লোকগীতি গায়ক নির্মলেন্দু চৌধুরীর জন্ম
১৯২৩: অভিনেত্রী সুমিত্রা দেবীর জন্ম, যিনি অভিনয় দিয়ে বাংলা আর হিন্দি উভয় চলচ্চিত্রকেই সমৃদ্ধ করেছেন
১৯২৩: সঙ্গীতশিল্পী মুকেশের জন্ম
১৯৪৬ : ব্রিটেনে পাওরুটির রেশন চালু
১৯৪৭: ভারতের গণ পরিষদে তেরঙা ভারতের জাতীয় পতাকা বা রাষ্ট্রীয় ধ্বজা হিসাবে গৃহীত হয়
১৯৪৮: চিত্রশিল্পী হেমেন্দ্র মজুমদারের মৃত্যু
১৯৭০: রাজনীতিবিদ দেবেন্দ্র ফড়নবিশের জন্ম
১৯৭৯: অভিনেত্রী মান্যতা দত্তর জন্ম
১৯৮৬: অভিনেত্রী মহুয়া রায়চৌধুরীর মৃত্যু
১৯৯৮: নাট্য সম্রাজ্ঞী সরযূবালা দেবীর মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮৩.২৩ টাকা ৮৪.৩২ টাকা
পাউন্ড ১০৬.৮৮ টাকা ১০৯.৫৬ টাকা
ইউরো ৯০.০২ টাকা ৯২.৪৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  July, 2024
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭৩,৯০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৪,২৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৭০,৬০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৮৯,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৮৯,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
21st  July, 2024

দিন পঞ্জিকা

৬ শ্রাবণ, ১৪৩১, সোমবার, ২২ জুলাই, ২০২৪। প্রতিপদ ২০/১০ দিবা ১/১২। শ্রবণা নক্ষত্র ৪৩/৩ রাত্রি ১০/২১। সূর্যোদয় ৫/৭/৩৮, সূর্যাস্ত ৬/১৮/২০। অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/৫৩ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১/২ মধ্যে। রাত্রি ৭/১ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ২/১৪ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৪০ গতে ৫/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৭ গতে ৮/২৫ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৩৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২২ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। 
৬ শ্রাবণ, ১৪৩১, সোমবার, ২২ জুলাই, ২০২৪। প্রতিপদ দিবা ২/৪১। শ্রবণা নক্ষত্র রাত্রি ১২/৫৭। সূর্যোদয় ৫/৬, সূর্যাস্ত ৬/২২। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে ও ১০/২৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৫ মধ্যে ও ১১/১৯ গতে ২/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৩৩ গতে ৫/১৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪৬ গতে ৮/২৫ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২৩ গতে ১১/৪৪ মধ্যে।
১৫ মহরম।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
হরিয়ানায় জমি বিবাদে খুন একই পরিবারের ৫ জন
জমিসংক্রান্ত বিবাদের জেরে খুন একই পরিবারের ৫ সদস্য। রবিবার ঘটনাটি ...বিশদ

03:49:26 PM

মহিষাদল রাজ কলেজের পরীক্ষাকেন্দ্রে নিরাপত্তা দাবি পরীক্ষার্থীদের
মহিষাদল রাজ কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্রে নিরাপত্তার দাবি তুলে বিক্ষোভ পরীক্ষার্থীদের। ...বিশদ

03:22:08 PM

স্বামীর সই জাল করে টাকা তুলে উধাও স্ত্রী
স্বামীকে না জানিয়ে বিভিন্ন মাইক্রো ফিন্যান্স কোম্পানি থেকে লোন তুলে ...বিশদ

03:03:31 PM

গুরুতর জখন প্রাক্তন ডিএসপি শ্রমিক
ডিএসপি মেইন হাসপাতালের কাঁচ ভেঙে গুরুতর জখন প্রাক্তন ডিএসপি শ্রমিক। ...বিশদ

02:54:47 PM

সাইকেলে চড়ে লোকসভায় এলেন টিডিপি সাংসদ আপ্পালা নাইডু কালিসেট্টি
সোমবার বাজেট অধিবেশন শুরুর আগে এক অত্যাশ্চার্য ঘটনার সাক্ষী থাকল ...বিশদ

02:20:47 PM

লোকসভায় বারুইপুরে মেট্রোর দাবি নিয়ে সোচ্চার সায়নী ঘোষ
সোমবার লোকসভায় বারুইপুর পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা সম্প্রসারণের দাবিতে সোচ্চার হলেন ...বিশদ

01:56:51 PM