Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পরমাত্মা এখন পরজীবী, প্রণত শরিক পদে
সন্দীপন বিশ্বাস

হে পরমাত্মা, হে নন বায়োলজিক্যাল প্রাণ, ধ্যানের খেলা যখন ভাঙল, তখন আপনি উঠে দেখলেন আপনার একচ্ছত্র সাম্রাজ্য চুরমার, আপনার শৌর্যের ঢক্কানিনাদ মাটিতে লুটোপুটি খাচ্ছে। দীর্ঘ ভোটপর্বের সমাপ্তি হয়েছে। আপনিও শপথ নিয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। কিন্তু সেই ক্ষমতার ভাগের মধ্যে কতটা অসম্মান জড়িয়ে রয়েছে, একবার ভেবে দেখেছেন কি? মিঃ পরমাত্মা, একবার আপনার অবস্থা দেখে নীল শৃগালের গল্পের উল্লেখ করেছিলাম, এই নির্বাচন সেই নীল রং ধুয়ে দিয়েছে। বেরিয়ে পড়েছে পরমাত্মার আসল রূপ। এটাই গণতন্ত্র! গা জোয়ারি এখানে সাজে না। অহঙ্কার আর একনায়কতন্ত্রের জোব্বাটা খসে পড়ল কি না, তা অচিরেই বোঝা যাবে। মনে রাখবেন, আপনিও অন্যদের মতো গণতন্ত্রের পদপ্রান্তে নত একজন দাসমাত্র। সেই গণতন্ত্র  আপনার কল্পনার ঐশী শক্তিকে, পরমাত্মার ধাপ্পাবাজিকে টেনে নামিয়ে এনেছে বাস্তবে জনতার সরণিতে। এই শিক্ষাটুকু আপনার দরকার ছিল! 
যদিও এনডিএ নামে একটি জোট আপনি চালান, কিন্তু এতদিন সেখানে আপনিই ছিলেন সংখ্যাধিক্য। তার জোরে দাদাগিরি চালাতেন। শরিক নেতাদের দাস বলে মনে করতেন। এখন আর সেসব চলবে না। শরিক নির্ভরতার জন্য আপনাকে তাঁদের তোয়াজ করতে হবে। আপনি এখন সম্পূর্ণ শরিকদের কৃপাপ্রার্থী। আর মনে রাখা দরকার, দশ শরিকের প্রধানমন্ত্রীর ছাতির মাপ কখনওই বত্রিশ ইঞ্চির বেশি হতে পারে না। এই শিক্ষাটুকুও যা হোক হয়ে গেল। হে পরমাত্মা, এই ট্রিপল ইঞ্জিন সরকারে আপনি এখন একজন নিতান্তই পরজীবী প্রধানমন্ত্রী। কতদিন থাকবেন, তা ভবিষ্যৎই বলবে। তবে আপনাকে এখন অন্যের কৃপাপ্রার্থী হয়ে ক্ষমতার লাড্ডু খেতে হবে। আপনিই বলতে পারবেন, এই স্বাদটুকু সত্যিই মিষ্টি, না অত্যন্ত তেতো। 
আপনি ক্ষমতায় আসীন হলেও আসলে এই মুহূর্ত থেকে সূচিত হল আপনার পতনের কাউন্টডাউন। আগামী দু’বছর ভারতীয় রাজনীতিতে অনেক বড় বড় নাটকের অভিনয় হবে। দেখা যাবে অনেক উত্থান, অনেক পতন, বিশ্বাসঘাতকতার অনেক চমকপ্রদ নাটক।  আপনাকে সিংহাসন বাঁচাতে গেলে একেবারে অনুগত হয়ে থাকতে হবে। পরমাত্মার অংশ হয়েও আপনি তার একচুল বদলাতে পারবেন না। কেননা আপনার চলন বলনের রিমোট এখন নী-না’র হাতে, মানে নীতীশ ও নাইডু। এঁরা দু’জনেই পোড় খাওয়া নেতা। জানি না, এঁরা আপনাকে সংসদে মুজরো করিয়ে ছাড়বেন কি না! তবে একটা বিষয় পরিষ্কার, ধর্মকেন্দ্রিক রাজনীতির এক্সপায়ারি ডেট চলে গিয়েছে। আশা করি, এখনই আপনি বিদ্বেষ ছড়ানোর পথে হাঁটবেন না। মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর ফল যে ভালো হয়নি, তা তো ভোটের ধাক্কাতেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। কিছু হিন্দু ছাড়া অন্যরা আপনার পাশ থেকে সরে গিয়েছেন। রামের জন্মভূমি অযোধ্যায় আপনি রামমন্দির নির্মাণ করে ভেবেছিলেন বিরাট এক উইনিং স্ট্রোক মারলেন, কিন্তু সেখানকার ভোটাররাই আপনাকে হুক করে মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিলেন। ‘রাম রাম’ করে সারা দেশ কাঁপিয়েও সেখানে হেরে গেলেন। তারপর সীতাপুর, পুরাণ মতে এখানে জড়িয়ে রয়েছে রামসীতার বহু স্মৃতি। সেখানে হেরে গিয়েছে বিজেপি। নাসিকের কথাই ধরুন, এখানে নাকি লক্ষ্মণ শূর্পণখার নাক কেটে দিয়েছিলেন। এখানেও ভোটাররা বিজেপির নাক কেটে দিয়েছেন। রামেশ্বরম— রামচন্দ্রের আর এক স্মৃতি বিজড়িত স্থান। সেখানে মানুষ বিজেপির ভিত উপড়ে দিয়েছে। প্রয়াগরাজেও পোঁতা হয়েছে বিজেপির পরাজয়ের মাইলস্টোন। বস্তি, সুলতানপুর, রামটেক, কোপ্পল, এগুলি রামচন্দ্রের সঙ্গে নানাভাবে সম্পর্কযুক্ত স্থান। সব জায়গাতেই বিজেপি হেরেছে। আসলে এই হার বিজেপির নয়, আপনার। আপনার উগ্র রামচেতনাকে মানুষ প্রত্যাহার করে শিক্ষা দিতে চেয়েছেন। 
হে পরমাত্মা, এক্সিট পোলের ক্ষণে দেশের মানুষ আপনাকে নবরূপে আবিষ্কার করলেন। সেখানে আপনি ও আপনার ডেপুটিকে আমরা শেয়ার বাজারের দালালরূপে প্রত্যক্ষ করলাম। ইলেকশন বন্ডের টাকার জোরে এক্সিট পোলকে প্রভাবিত করে দেশের মানুষের কাছে ভুল বার্তা পাঠানো হল। নিজেরা বিপুলভাবে ক্ষমতায় আসছেন দেখিয়ে শেয়ার বাজারে ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ করতে বললেন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আপনার দোস্ত আদানিদের ঘরে দু’লক্ষ ষাট হাজার কোটি টাকা ঢুকে গেল। আদানিদের প্রতিটি শেয়ারের দর সাত-আট শতাংশ করে বেড়ে গেল। আর পরদিন কী হল? দেশের মানুষের বিনিয়োগ করা তিরিশ লক্ষ কোটি টাকা শেয়ার বাজার থেকে হাপিশ হয়ে গেল। এই গ্যাম্বলিংটা কি আপনি জেনে বুঝেই করেছিলেন? সুতরাং ক্ষমতায় আসার আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে আর এক জুমলা। তাই আপনার তৃতীয়বারের ক্ষমতায় আসাকে ‘জুমলা.৩’ হিসাবে চিহ্নিত করা যায়। 
কিন্তু আপনি যে মানসিকতার মানুষ, তাতে বেশিদিন আপনি প্রতিবন্ধী হয়ে সরকার চালাতে চাইবেন না। তাই জানি, পাশাপাশি আপনার ‘প্ল্যান বি’ রেডি রয়েছে। সেটা হল, এতদিন যে খেলা আপনি খেলেছেন, সেটাই। অন্যের ঘর ভেঙে নিজের ঘরকে শক্তিশালী করা। এমনও হতে পারে নীতীশ ও নাইডুর এমপিরাই একদিন দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে বেরিয়ে এসে আপনাকে সমর্থন জোগাল কিংবা কংগ্রেসের এমপি ভাঙিয়ে নিলেন। যে করেই হোক আপনি এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হাসিল করবেনই। এ খেলা আপনি ও আপনার ডেপুটি বিভিন্ন রাজ্যে কতবার খেলেছেন, তা দেখে দেখে আমরাও অভিজ্ঞ হয়ে গিয়েছি। তবে প্রথম দিন থেকেই যে আপনি ধাক্কা খেতে শুরু করেছেন, সেটাও দেখা যাচ্ছে। মহারাষ্ট্রের একনাথ সিন্ধে বেঁকে বসেছেন। তিনি তাঁর দলের থেকে একাধিক পূর্ণমন্ত্রী চান। বেঁকে বসেছেন অজিত পাওয়ার। তিনি পূর্ণমন্ত্রীই হবেন। ‘হাফপ্যান্ট’ মন্ত্রিত্বে তাঁকে রাজি করানো যায়নি। এসব তো ছোটখাটো ব্যাপার, আসল খেলা তো ১৮ জুন থেকে শুরু হবে। সেদিন সংসদ বসতে চলেছে। ২০ জুন নির্বাচিত হবেন লোকসভার স্পিকার। চন্দ্রবাবু নাইডু আগে থেকেই স্পিকারের পদ দাবি করে রেখেছেন। কিন্তু আপনি জানেন, স্পিকারের পদ অন্যের হাতে গেলে সংসদে মনোমতো খেলা যাবে না। দলবদলুর খেলায় স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিশাল ভূমিকা থাকে। আর যদি বিজেপি সত্যিই স্পিকার পদ না পায়, তবে প্রথম রাউন্ডেই বিজেপির হার বলে ধরে নেওয়া যায়। সেক্ষেত্রে অধিবেশনজুড়ে বিজেপিকে নাস্তানাবুদ হতে হবে, সেটা আপনিও জানেন পরমাত্মা। 
চন্দ্রবাবু নাইডুকে এর আগেও বিজেপি বেশ কয়েকবার গাড্ডায় ফেলেছে। নাইডু তা ভুলে গিয়েছেন বলে মনে হয় না।  সুতরাং আর কিছুদিন অপেক্ষা করতেই হবে। মনে রাখবেন এনডিএর শরিকরা মোটেই আপনাকে বন্ধু বলে মনে করেন না।  ওড়িশার নবীন পট্টনায়েক কতদিন ধরে আপনার বন্ধু। আপাদমস্তক ভদ্র, শিক্ষিত মানুষটি আপনাকে বন্ধু ভেবে বিশ্বাস করেছিলেন, তাকে আপনি ফিনিশ করে দিলেন। এখন ঘরে বসে নবীন পট্টনায়েক শুধু বলছেন, ‘তুমিও ব্রুটাস!’ আপনার পরবর্তী লক্ষ্য নাইডু ও নীতীশদের ফিনিশ করা। সেটা বুঝেই স্পিকার পদ তাঁরা চেয়ে বসে আছেন, যাতে সাংবিধানিক কলকাঠি বিজেপি নাড়াতে না পারে।
এর মধ্যে নীতীশকুমারও গুগলি দিয়েছেন, তিনি বলেছেন, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র সহ যে ক’টি বিধানসভায় ভোট হতে চলেছে, তার সঙ্গে বিহারের ভোটও করিয়ে নিতে হবে। অর্থাৎ নীতীশকুমার বিধানসভার নির্বাচনের ফল দেখে সমর্থনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে চান। কেন্দ্রে সমর্থন পেতে গেলে বিজেপিকে নীতীশকুমারের দাবি মেনে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করতেই হবে। সুতরাং আপনার পদে পদে প্রচুর কাঁটা! এতদিন প্রত্যেকটা মন্ত্রক বকলমে চালাতেন আপনার পিএমও। পিএমও-র নির্দেশেই চলত সব মন্ত্রক। এখন জোট শরিকরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের মন্ত্রক নিয়ে পিএমওর কোনওরকম খবরদারি চলবে না। 
অবশ্য শুধু জোটেরই ধাক্কা নয়, দলের ভিতরেও আপনাকে ধাক্কা খেতে হবে। আরএসএস সুযোগ পেলেই আপনাকে প্রধানমন্ত্রীর আসন থেকে সরিয়ে দেবে, সেটা আপনি ভালো করেই বুঝতে পেরেছেন। তাই আদবানি লবিকে তুষ্ট করতে আপনি উঠেপড়ে লেগেছেন। জয়ের পরই দৌড়ে গিয়েছেন আদবানির বাড়ি, মুরলী মনোহর যোশির বাড়ি। প্রাধান্য দিচ্ছেন রাজনাথ সিং কিংবা নীতীন গাদকারিকে। এই ভোল আপনার থাকবে না। পাল্টে যাবে। শুধু একটু সময়ের অপেক্ষা। তবে নিশ্চিত করে বলা যায়, আপনার ট্রিপল ইঞ্জিন সরকারের মধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে নার্ভের লড়াই। 
হে পরমাত্মা, আপনি চারশো সিট চেয়েছিলেন। না পাওয়ায় দেশের মঙ্গলই হয়েছে। কেননা এই বিপুল ক্ষমতা নিয়ে আপনি প্রধানমন্ত্রী হলে দেশের আরও সর্বনাশ হয়ে যেত।  বিজেপি দেশের সংবিধান বদল করতে চায়, বিজেপি হিন্দুরাষ্ট্র চায়, সিএএ চায়। আপনি জানেন, এগুলির জন্য সংখ্যার জোর দরকার। সেই ক্ষমতার জন্য দলভাঙার খেলা আপনাকে খেলতেই হবে। গোপনে শুরু হয়েছে তার সলতে পাকানো। হে পরমাত্মা, আপনি জওহরলাল নেহরুকে স্পর্শ করেছেন, কিন্তু ইতিহাস কাজের নিরিখে কখনওই আপনাকে তাঁর উপরে স্থান দেবে না। এটাই নির্মম ইতিহাসের বিচার।
12th  June, 2024
ট্রাম্প টার্গেট: কিশোর মন বোঝা জরুরি
সমৃদ্ধ দত্ত

আমেরিকার ২০ বছরের এক তরুণের মনের হদিশ এতদিন ধরে কিন্তু কেউ পায়নি। তার স্কুলের প্রাক্তন সহপাঠী, প্রতিবেশী, অভিভাবক সকলেই প্রবল বিস্মিত। এরকম কাজ এই ছেলেটি কীভাবে করতে পারে? আজ পেনসিলভেনিয়ার এক কান্ট্রিসাইডে ঘটে যাওয়া ওই রোমহর্ষক ঘটনা নিয়ে উত্তেজনাপূর্ণ আলোচনা অনেক দূরে আমাদের ঘরে ঘরেও হয়তো হচ্ছে।
বিশদ

হতাশার ভোটে রক্তাক্ত ট্রাম্প!
মৃণালকান্তি দাস

সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা ঘিরে রেখে তাঁকে মঞ্চ থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন, তাঁর মুখের উপর রক্ত গড়িয়ে পড়ছে, এর মধ্যে মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে স্লোগান তোলা অদম্য ট্রাম্পের ছবি শুধু ঐতিহাসিক নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের গতিপথও উল্টে দিতে পারে।  বিশদ

18th  July, 2024
সংবিধান প্রীতির সংসদীয় প্রতিযোগিতা
হারাধন চৌধুরী

বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, হিউম্যারিস্ট স্টিফেন লিকক বলেছিলেন, প্রবাদগুলো নতুন করে লেখা উচিত। কারণ এগুলো প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে। এমনকী, কিছু প্রবাদ সাম্প্রতিক বাস্তবের বিপরীত ব্যাখ্যাই বহন করছে বিশদ

17th  July, 2024
উপ নির্বাচন ও কিছু মিলে যাওয়া অঙ্ক
শান্তনু দত্তগুপ্ত

দ্রবণকে ব্যাখ্যা করতে গেলে তিনটি ধরন পাওয়া যায়—অসমপৃক্ত, সম্পৃক্ত, আর অতিপৃক্ত। নিছক স্কুলজীবনের বৈজ্ঞানিক শিক্ষা। কিন্তু অবলীলায় একে দৈনন্দিন জীবন, সমাজ এবং রাজনীতিতে চালিয়ে দেওয়া যায়। অতিপৃক্ত শব্দটিকে জীবনের সঙ্গে খাপ খাওয়ালে বলা যেতেই পারে, জল গলার উপর উঠে গিয়েছে।
  বিশদ

16th  July, 2024
নয়া তিন আইন নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দেবেন কে?
পি চিদম্বরম

একটি বিতর্কের পরে যেখানে বিরোধীরা সংসদের উভয় কক্ষ (সঙ্গত কারণে) বয়কট করল, সেখানেই ভারতীয় দণ্ডবিধি, ১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৯৭৩ এবং ভারতীয় সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ প্রতিস্থাপন (এবং পুনঃপ্রণয়ন) করার জন্য তিনটি বিল পাস করা হল।
বিশদ

15th  July, 2024
বাজেটের আগে মোদি মস্কোয় কেন?
হিমাংশু সিংহ

কথায় কথায় বলেন, নেহরু যুগের সব খারাপ। সেই কারণে দেরি না করে দ্রুত কংগ্রেস জমানার যাবতীয় নিশান মুছে ফেলাই যে তাঁর অগ্রাধিকার, তা বারে বারে বুঝিয়ে দিয়েছেন। অথচ তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার একমাসের মধ্যে নেহরু-ইন্দিরা যুগের বিদেশ নীতির পদাঙ্ক অনুসরণ করেই হইচই ফেলে দিলেন তিনি, নরেন্দ্র মোদি।
বিশদ

14th  July, 2024
মতুয়া ভোটের লোভেই কি শান্তনুর সাত খুন মাফ!
তন্ময় মল্লিক

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের বিরুদ্ধে বিজেপি নেতৃত্ব বা নরেন্দ্র মোদির সরকার কি কোনও ব্যবস্থা নেবে? দ্বিতীয়বার মন্ত্রী হওয়ার এক মাসের মধ্যেই কেন এই প্রশ্ন? কারণ তাঁর বিরুদ্ধে উঠেছে গোমাংস পাচারে মদতের গুরুতর অভিযোগ। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্তাকে তাঁর লেখা সুপারিশপত্র নিয়ে বিজেপির অন্দরে ব্যাপক জলঘোলা হচ্ছে।
বিশদ

13th  July, 2024
ট্যাক্স সন্ত্রাস: জনতার কষ্টার্জিত অর্থ যায় কোথায়?
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা বেতন, ব্যবসা অথবা স্বাভাবিক পেশার বাইরে কোনও অতিরিক্ত কাজ করে কিছু বেশি রোজগার করলাম। সেই টাকার একাংশ সরকার ট্যাক্স নেবে। ট্যাক্স কেটে নেওয়ার পর যে টাকা বেঁচে থাকবে, সেটা পুরোটাই তো আমাদের জীবনযাপনের জন্য থাকার কথা। বিশদ

12th  July, 2024
মমতার জলযুদ্ধ!
মৃণালকান্তি দাস

সাহিত্যিক সমরেশ মজুমদারের ‘সাতকাহন’ উপন্যাসের নায়িকা ছিলেন দীপাবলি। যাঁকে উত্তরবঙ্গের চা-বাগান থেকে বহুবার সকরিকলি মনিহারি ঘাট হয়ে স্টিমারে গঙ্গা পেরিয়ে কলকাতা আসতে হতো। কলকাতা এবং উত্তরবঙ্গের যোগসূত্র তখন অর্ধেক পথ ট্রেনে, তারপরে স্টিমারে গঙ্গা পেরিয়ে আবার অন্যপাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেন। বিশদ

11th  July, 2024
বেসামাল মোদি, সিঁদুরে মেঘ দেখছে বিজেপি
সন্দীপন বিশ্বাস

এই প্রথম রাহুল গান্ধী নিজেকে একজন বলিষ্ঠ বিরোধী নেতা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হলেন। জুমলা থ্রি সরকারের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিন থেকেই লড়াই জমে গিয়েছে। বিরোধী শক্তির ধার ও ভার দেখে চিন্তিত পুরো বিজেপি বেঞ্চ। নরেন্দ্র মোদির কপালেও চিন্তার ভাঁজ। বিশদ

10th  July, 2024
বাজেট: মধ্য ও নিম্নবিত্তের একবুক আশা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হরিপদ কেরানির জীবনের লক্ষ্য কী ছিল? একটাই—উপার্জনের প্রতিটা আনা-পাই বাঁচানো। খাই খরচ বাঁচাতে তিনি পড়াতে যান দত্তদের বাড়ি। ছেলে পড়িয়ে যা পাওয়া যায়, সেটাই দিয়েই পেটের অন্তরাত্মাকে বুঝিয়ে-সুজিয়ে নেন। কেরোসিনের খরচ কমাতে সন্ধেটা কাটান শিয়ালদহ স্টেশনে।
বিশদ

09th  July, 2024
সেই অচলায়তন দেখার জন্যই তৈরি হোন
পি চিদম্বরম

সংসদে অধিবেশনের প্রথম সাধারণ দিনগুলিতেই পরিষ্কার হয়েছে যে আমার সন্দেহ অমূলক ছিল না। যতদূর দেখা গেল, নরেন্দ্র মোদির সরকারের দৃশ্যত কোনও পরিবর্তন হয়নি।  
বিশদ

08th  July, 2024
একনজরে
ডাম্পারের সঙ্গে সংঘর্ষে লরিচালকের মৃত্যুর জেরে উত্তেজিত জনতার হাতে নিগৃহীত হলেন দুই সাব ইন্সপেক্টর। দুর্ঘটনার পর বৃহস্পতিবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মালদহের চাঁচল থানার জিয়াগাছি এলাকা। ...

কোভিডকালে মাধ্যমিকের পরে স্কুলছুটের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছিল। তাঁদের স্কুলে ফেরাতে রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম শিথিল করল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। ...

ফাঁকা রাস্তায় দু’চাকা নিয়ে স্টান্টবাজি। গতি একশো পার। মহরমের রাতে বেপরোয়া গতির বলি হল পাঁচজন। ঘটনায় দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। রামপুরহাটে জাতীয় সড়কের উপর বুধবার রাতে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার ভয়াবহতায় শিউরে উঠছেন সকলে। ...

শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অনলাইনে বদলির আবেদন সংক্রান্ত উৎসশ্রী পোর্টাল বন্ধ থাকায় সম্প্রতি অফলাইনে বদলির আবেদনে মান্যতা দিয়েছিল হাইকোর্ট। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গৃহ পরিবেশে হঠাৎ আসা চাপ থেকে মানসিক অস্থিরতা। ব্যবসা ভালো চলবে। অনুকূল আয় ভাগ্য। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
২০১২: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আহমেদের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৭৬ টাকা ৮৪.৫০ টাকা
পাউন্ড ১০৭.০০ টাকা ১১০.৫২ টাকা
ইউরো ৮৯.৮৮ টাকা ৯৩.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭৪,৭৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৫,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৭১,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৯২,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৯২,১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ শ্রাবণ, ১৪৩১, শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০২৪। ত্রয়োদশী ৩৬/৩০ রাত্রি ৭/৪২। মূলা নক্ষত্র ৫৪/৩৩ রাত্রি ২/৫৫। সূর্যোদয় ৫/৬/২০, সূর্যাস্ত ৬/১৯/১৮। অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৫ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/২ গতে ২/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৪৫ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ২/৫৭ গতে ৩/৪০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৮ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
৩ শ্রাবণ, ১৪৩১, শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০২৪। ত্রয়োদশী সন্ধ্যা ৬/১২। মূলা নক্ষত্র রাত্রি ২/৩৯। সূর্যোদয় ৫/৫, সূর্যাস্ত ৬/২২। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৭/৪৯ গত ১০/২৪ মধ্যে ও ১২/৫৯ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৪/২৬ গতে ৬/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৮ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ৩/১ গতে ৩/৪৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৫ গতে ১১/২০ মধ্যে ও ৩/৪৫ গতে ৫/৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে। 
১২ মহরম।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আমেরিকায় ভারতের রাষ্ট্রদূত হলেন বিনয় কোয়াত্রা
আমেরিকায় ভারতের রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত হলেন বিনয় মোহন কোয়াত্রা। এর আগে ...বিশদ

03:00:00 PM

বাবাকে খুনের অভিযোগ, ধৃত ছেলে
বাবাকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছেলে। মৃতের নাম জগবন্ধু বর্মন (৫৯)। ...বিশদ

02:41:01 PM

পূজা খেদকরকে জিজ্ঞাসাবাদ পুলিসের
ট্রেনি আইএএস পূজা খেদকরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেস্ট হাউসে পৌঁছলেন পুলিস ...বিশদ

02:18:42 PM

মাইক্রোসফ্ট বিভ্রাটের জের, গোয়া বিমানবন্দরে যাত্রীদের লম্বা লাইন

02:12:00 PM

রাজ্যজুড়ে অনলাইনেই মিলবে পুলিস ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
এবার থেকে র‌াজ্যজুড়ে অনলাইনেই মিলবে পুলিস ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট বা পিসিসি। ...বিশদ

01:50:22 PM

পুলিসি নির্দেশকে থোড়াই কেয়ার, পণ্য বহন করে আটক টোটো
পুলিসি নির্দেশ অমান্য করে টোটোয় পণ্য পরিবহন। এর জেরে শুক্রবার ...বিশদ

01:45:00 PM