Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

 ভোট, শেয়ার বাজার এবং কিছু শিক্ষা
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

অধৈর্যদের টাকা ধৈর্যশীলদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর সবচেয়ে ভালো মাধ্যম কী? উত্তরটা দিয়ে গিয়েছেন ওয়ারেন 
বাফে—স্টক মার্কেট। তাঁর কথাটা বাজার দুনিয়ায় প্রায় মিথ হয়ে গিয়েছে। তা সে মার্কিন মুলুক হোক, বা ভারত। নিউটনের তৃতীয় সূত্রের মতো জীবনের নানা ওঠাপড়ার সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে বাফের বিশ্লেষণ। আর ৪ জুন তারিখটার পর তো বটেই। ওয়ারেন বাফে আজকের ভারতের অর্থনীতিতে মোক্ষমভাবে লাগসই। একদিনে শেয়ার বাজারের ক্ষতির পরিমাণ ৩০ লক্ষ কোটি টাকা। এখানে ধৈর্যশীল ব্যক্তি কে? কারা এতে ‘ইন্ধন’ দিল? কারা এই বাজারে লগ্নি না করেও স্রেফ মধ্যসত্ত্বভোগী হিসেবে প্রচুর কামিয়ে নিল? প্রশ্ন অনেকগুলো। উত্তর কিছু জানা, কিছু অজানা। কিন্তু যদি প্রশ্ন করা হয়, এই গোটা প্রক্রিয়ায় অধৈর্য কারা? উত্তর নিয়ে সংশয় নেই—মধ্যবিত্ত। 
এই একটি শ্রেণি, চিরকাল যারা সমাজে নন্দ ঘোষ হয়েই থেকে গেল। তারা সবচেয়ে বেশি আয়কর দেবে, ভোগ্যপণ্য কিনে বাজার অর্থনীতি সচল রাখবে, চাকরির আশায় দরজায় দরজায় ঘুরবে, কোভিডে কমে যাওয়া মাইনে আগের জায়গায় না আসায় হা-পিত্যেশ করবে, আর তারপরও সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকবে। এদেশে মধ্যবিত্ত হয়ে জন্মালে, দেশের সব মন্দের দায় নেওয়ার মতো কাঁধটাও তৈরি করতে হবে তাদের। শুধু মন্দ কেন? কারণ, ভালোর যে দায় হয় না! শুধুই কৃতিত্ব। আর সেটা বরাদ্দ থাকে ক্ষমতার আনাচে কানাচে ঘোরাফেরা করা বাবুদের জন্য। এই যে লোকসভা নির্বাচন শেষ হল... আড়াই মাসের এই মহাযজ্ঞে খরচ কত হয়েছে? ১.৩৫ লক্ষ কোটি টাকা। ২০১৯ সালে অঙ্কটা ছিল ৬০ হাজার কোটি। অর্থাৎ, তৃতীয় এনডিএ সরকারের জন্য গতবারের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি খরচ করেছে ভারত। কারা দিয়েছে সেই টাকা? আপনি, আমি, মধ্যবিত্ত, আম আদমি। যে নামে খুশি ডাকা যায়। তারপরও চাকরিজীবীদের জন্য আলাদা করে কিছু ভাবা হবে না, আয়করে ছাড় মিলবে না, নিত্যপণ্যের উপর চড়া হারে জিএসটি চাপবে, সাতদিনের চিকিৎসার খরচ ছাপিয়ে যাবে এক একজন মধ্যবিত্তের ছ’মাসের আয়কে। তারপরও তাদেরই বাধ্য করা হবে শেয়ার বাজারের অনিশ্চয়তায় নিজেদের সর্বস্ব বিনিয়োগের জন্য। সর্বস্ব কেন? ধরে নেওয়া যাক একটা বড় কোম্পানির শেয়ারের দাম ৬৩ টাকা ৫০ পয়সা। এক বছরের মধ্যে খুব ভালো পরিস্থিতিতে এর দাম কতটা বাড়তে পারে? ৪০ পয়সা! ৫০ পয়সা! এক টাকা! ওই শেয়ার থেকে যদি ৫ হাজার টাকা লাভ করতে হয়, তাহলে একজন মধ্যবিত্তকে কত টাকা লগ্নি করতে হবে? ৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা। এই টাকাটা যদি এখনও তিনি ফিক্সড ডিপোজিট করেন, তাহলে এক বছরে নয় নয় করে ২১ হাজার টাকা সুদ মিলবে। কিন্তু সেই মধ্যবিত্তকে  বোঝানো হয়েছে, এক বছরে এর থেকেই ৫ লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে। দর বাড়লে শুধু মনে করে শেয়ার বিক্রি করে দিতে হবে। সেই আশায় তিনি ৫ হাজার শেয়ার কিনে বসেছিলেন। কিন্তু ভোটের ফল বেরনোর দিন তিনি দেখলেন, তাঁর সাধের শেয়ারের দাম ৫০ টাকায় নেমে গিয়েছে। অর্থাৎ, সেই মুহূর্তে বাধ্য হয়ে যদি তাঁকে বাজার থেকে টাকা তুলতে হয়, তিনি আড়াই লাখের বেশি পাবেন না। মানে, সোজা কথায় মাথায় হাত। আর তাঁকে এই ঝুঁকি নিতে বাধ্য কে করল? মোদি সরকার। ২০১৪ সালেও স্বল্প সঞ্চয়ের সুদের হার যা ছিল, তাতে একটা বুড়োবুড়ির সংসার চলে যেতে অসুবিধা হতো না। আর এখন? এমআইএস করলে সুদের টাকায় কষ্টেসৃষ্টে ডালটুকু কেনা যাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সেটা জলে ফুটিয়ে নেওয়ার জন্য গ্যাস কিনতে নাভিশ্বাস উঠছে। ফল? শেয়ার বাজার, মিউচুয়াল ফান্ড। সরকার বলছে, উৎসাহ দিচ্ছে, মোটিভেট করছে মধ্যবিত্তকে... শেয়ার বাজারে ইনভেস্ট করুন। এখানেই শেষ নয়, ভোট প্রচারে দাঁড়িয়ে দেশের সব চ্যানেলের সামনে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহ আম জনতার কাছে আবেদন জানাচ্ছেন, এখনই লগ্নি করে রাখুন। ৪ তারিখ বিপুল লাভ হবে! স্টক মার্কেটের ব্রোকাররা পর্যন্ত এভাবে দিনক্ষণ ধরে ভবিষ্যদ্বাণী করেন না। প্রধানমন্ত্রী কি সেই ক্ষমতারও অধিকারী? তিনি না হয় ঈশ্বরের বরপুত্র। জৈবিকভাবে তাঁর জন্ম হয়নি। ঈশ্বর তাঁকে সরাসরি ভূমিষ্ঠ করিয়েছেন। তারপরও এমন ভবিষ্যদ্বাণী করার মতো অবস্থায় বোধহয় তিনি পৌঁছননি। তাহলে কীসের ভিত্তিতে এই ঢিল ছুড়েছিলেন তিনি? কে নিশ্চিত করেছিল? এই প্রশ্নগুলির উত্তরই খোঁজার সময় এসেছে। আর সেইসঙ্গে এক্সিট পোল। কীভাবে প্রায় সব মিডিয়া একই ফর্মুলায় কপি-পেস্ট মার্কা ফল দেখাল? কোন কোন এলাকার ভোটারদের প্রশ্ন করা হল? সবাই কীভাবে বিজেপিকেই প্রায় ৪০০ পার করিয়ে দিল? সত্যিই কি এই সমীক্ষা ভোটের পর করা হয়েছে? নাকি বিরোধীদের অভিযোগ মতো ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে? তখন সদ্য নির্মিত রামমন্দির হাওয়া ছিল, নরেন্দ্র মোদির ৪০০ পারের স্লোগান ছিল, আর সমীক্ষকদের আশপাশে ঘুরে বেড়ানো অনেক ঠান্ডা চাউনি ও ‘সম্ভাবনা’ ছিল। মধ্যবিত্ত ঘরের খেটে খাওয়া মানুষ দেখলেন, প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং বলছেন শেয়ার বাজারে লগ্নি করুন, ফলপ্রকাশের দিন অনেক লাভ হবে। তারপরই তাঁরা দেখলেন, এক্সিট পোল দেখিয়ে দিল, মোদি সরকার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকারে ফিরছে। ব্যস! সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগ। প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বাস করব না? সব এক্সিট পোলকে বিশ্বাস করব না? সত্যিই তো সরকার এবং মিডিয়াকে বিশ্বাস না করতে পারলে আর কাকে করব? আর কবে অধৈর্য হব? আর কবে বিনিয়োগ করব? কোনও বাবা হয়তো ভেবেছিলেন, এখান থেকে টাকা তুলে মেয়ের বিয়েটা হয়ে যাবে। কোনও সন্তান হয়তো ভেবেছিলেন মায়ের দুরারোগ্য অসুখটার চিকিৎসা এবার হবে। কোনও ঘরহারা আশায় ছিলেন মাথার উপর ছাদের। তাঁদের ঠাঁই এখন কোথায়? এর উত্তর সরকার দেবে তো?
কয়েকমাস আগে হলেও সংশয় ছিল না—উত্তরটা ‘না’ই হতো। কিন্তু এখন আচমকা পরিস্থিতি বদলেছে। সংসদে এখন বিরোধীরা শক্তিশালী। আর একটু হলে সরকার গঠনের চ্যালেঞ্জটাও দিয়ে দিতে পারত মহাজোট ‘ইন্ডিয়া’। প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার সমীকরণে অন্য সব রাজ্যই প্রায় বিরোধী জোটের পাশে দাঁড়িয়েছিল। ব্যতিক্রম শুধু চার—বিহার, ঝাড়খণ্ড, দিল্লি এবং ওড়িশা। এই চারটি রাজ্যে বিজেপি অপ্রত্যাশিত ফল করেছে। বিহারে একমাত্র আরজেডি কড়া চ্যালেঞ্জ দেওয়া সত্ত্বেও শুধু ভাগ্যের ফেরে ভোটকে আসনে রূপান্তরিত করতে পারেনি। 
প্রচুর ভোট পেয়েছিলেন তেজস্বী যাদব। কিন্তু বহু ক্ষেত্রে জেডিইউ এবং বিজেপি গায়ে গায়ে বেরিয়ে গিয়েছে। দিনের শেষে শুধু সংখ্যা বিচার্য। তাই বিহারে বিজেপির বিজয়রথ ছুটছে। ওড়িশা এবং দিল্লিও আশ্চর্যজনকভাবে ‘এক দলে’ আচমকা বিশ্বাসী হয়ে পড়েছিল। তারই ফল বিজেপির ২০০ পেরনো। কিন্তু এটা বিষয় মানতেই হবে, তৃতীয় মোদি সরকার, থুড়ি এনডিএ সরকার গঠনের পরও স্বস্তিতে নেই নরেন্দ্র মোদি। একে তো শরিকদের বিস্তর চাপ। আর দ্বিতীয়ত, আস্তিন গুটিয়ে প্রস্তুত হওয়া বিরোধীরা। তদন্ত বা বিবৃতির দাবি এখন আর মোদি সরকার চাইলেই ‘চল ফোট’ বলে ভাগিয়ে দিতে পারবে না। তাদের শুনতে হবে। সাড়াশব্দ করতে হবে। বিবৃতি দিতে হবে। আর চাইলে তদন্তও। 
তাহলে লোকসভা নির্বাচন, ২০২৪ আমাদের কী শেখাল? ১) ঈশ্বর অনেক পরে, আগে মানুষ হতে হবে। ২) ধর্ম নয়, মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্বের ইস্যুতেই প্রতিষ্ঠান বিরোধী ভোট হয়েছে। ৩) একনায়কতন্ত্রের আগে গণতন্ত্রই। শতবর্ষ আগে ছিল, আজ আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। ৪) মহাজোট ইন্ডিয়াকে ভোটের আগে থেকে আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে লড়তে হতো। তাহলে আরও বেশ কয়েকটি আসনে তাদের জয় নিশ্চিত ছিল। কয়েকটি রাজ্যে শরিক দলগুলিই নিজেদের মধ্যে লড়াই করে ভোট কেটেছে। সেটা কাম্য ছিল না। ৫) টাকা নিজের, তাই গদি-তোষক কারও অন্ধ ভরসায় বিনিয়োগ করা যায় না। 
গণতন্ত্র শিখিয়েছে, শাসকের সঙ্গে বিরোধীরাও যদি শক্তিশালী হয়, তাতে উপকার মানুষের। সংস্কার হবে, কিন্তু তা মানুষের স্বার্থে। শাসকের প্রয়োজনে বা খামখেয়ালে নয়। এই ভোট একনায়কতন্ত্রকে ছুটি দিয়েছে, আর এক্সিট পোলকেও। এরপর কোনও ভোটে এক্সিট পোলের উপর দেশবাসী ভরসা রাখতে পারবে তো? তারা যদি ভবিষ্যতে বলে, সবটাই টাকার খেলা, সবটাই ‘ফ্রেম’ করা, টিআরপি তাহলে কোথায় নামবে?
ও হ্যাঁ, ছুটি দিতে হবে আরও একজনকে—প্রশান্ত কিশোর। প্রথম থেকেই তিনি কিন্তু নরেন্দ্র মোদির নিরঙ্কুশ সিদ্ধিলাভের পক্ষেই সায় দিয়ে এসেছিলেন। ভোটের ফল দেখাল, সবটাই ছিল তাঁর ছেড়ে আসা সংস্থার পেনিট্রেশনের ফল। এখন তাঁর যোগাযোগ আর ভবিষ্যদ্বাণী করার মতো অবস্থায় নেই। তাই আপাতত তিনি ছুটিতে গেলেই ভালো। বাণীবর্ষণের দিন শেষ। এখন কাজের সময়। শাসক, বিরোধী দু’পক্ষেরই।
11th  June, 2024
ট্রাম্প টার্গেট: কিশোর মন বোঝা জরুরি
সমৃদ্ধ দত্ত

আমেরিকার ২০ বছরের এক তরুণের মনের হদিশ এতদিন ধরে কিন্তু কেউ পায়নি। তার স্কুলের প্রাক্তন সহপাঠী, প্রতিবেশী, অভিভাবক সকলেই প্রবল বিস্মিত। এরকম কাজ এই ছেলেটি কীভাবে করতে পারে? আজ পেনসিলভেনিয়ার এক কান্ট্রিসাইডে ঘটে যাওয়া ওই রোমহর্ষক ঘটনা নিয়ে উত্তেজনাপূর্ণ আলোচনা অনেক দূরে আমাদের ঘরে ঘরেও হয়তো হচ্ছে।
বিশদ

হতাশার ভোটে রক্তাক্ত ট্রাম্প!
মৃণালকান্তি দাস

সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা ঘিরে রেখে তাঁকে মঞ্চ থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন, তাঁর মুখের উপর রক্ত গড়িয়ে পড়ছে, এর মধ্যে মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে স্লোগান তোলা অদম্য ট্রাম্পের ছবি শুধু ঐতিহাসিক নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের গতিপথও উল্টে দিতে পারে।  বিশদ

18th  July, 2024
সংবিধান প্রীতির সংসদীয় প্রতিযোগিতা
হারাধন চৌধুরী

বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, হিউম্যারিস্ট স্টিফেন লিকক বলেছিলেন, প্রবাদগুলো নতুন করে লেখা উচিত। কারণ এগুলো প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে। এমনকী, কিছু প্রবাদ সাম্প্রতিক বাস্তবের বিপরীত ব্যাখ্যাই বহন করছে বিশদ

17th  July, 2024
উপ নির্বাচন ও কিছু মিলে যাওয়া অঙ্ক
শান্তনু দত্তগুপ্ত

দ্রবণকে ব্যাখ্যা করতে গেলে তিনটি ধরন পাওয়া যায়—অসমপৃক্ত, সম্পৃক্ত, আর অতিপৃক্ত। নিছক স্কুলজীবনের বৈজ্ঞানিক শিক্ষা। কিন্তু অবলীলায় একে দৈনন্দিন জীবন, সমাজ এবং রাজনীতিতে চালিয়ে দেওয়া যায়। অতিপৃক্ত শব্দটিকে জীবনের সঙ্গে খাপ খাওয়ালে বলা যেতেই পারে, জল গলার উপর উঠে গিয়েছে।
  বিশদ

16th  July, 2024
নয়া তিন আইন নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দেবেন কে?
পি চিদম্বরম

একটি বিতর্কের পরে যেখানে বিরোধীরা সংসদের উভয় কক্ষ (সঙ্গত কারণে) বয়কট করল, সেখানেই ভারতীয় দণ্ডবিধি, ১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৯৭৩ এবং ভারতীয় সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ প্রতিস্থাপন (এবং পুনঃপ্রণয়ন) করার জন্য তিনটি বিল পাস করা হল।
বিশদ

15th  July, 2024
বাজেটের আগে মোদি মস্কোয় কেন?
হিমাংশু সিংহ

কথায় কথায় বলেন, নেহরু যুগের সব খারাপ। সেই কারণে দেরি না করে দ্রুত কংগ্রেস জমানার যাবতীয় নিশান মুছে ফেলাই যে তাঁর অগ্রাধিকার, তা বারে বারে বুঝিয়ে দিয়েছেন। অথচ তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার একমাসের মধ্যে নেহরু-ইন্দিরা যুগের বিদেশ নীতির পদাঙ্ক অনুসরণ করেই হইচই ফেলে দিলেন তিনি, নরেন্দ্র মোদি।
বিশদ

14th  July, 2024
মতুয়া ভোটের লোভেই কি শান্তনুর সাত খুন মাফ!
তন্ময় মল্লিক

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের বিরুদ্ধে বিজেপি নেতৃত্ব বা নরেন্দ্র মোদির সরকার কি কোনও ব্যবস্থা নেবে? দ্বিতীয়বার মন্ত্রী হওয়ার এক মাসের মধ্যেই কেন এই প্রশ্ন? কারণ তাঁর বিরুদ্ধে উঠেছে গোমাংস পাচারে মদতের গুরুতর অভিযোগ। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্তাকে তাঁর লেখা সুপারিশপত্র নিয়ে বিজেপির অন্দরে ব্যাপক জলঘোলা হচ্ছে।
বিশদ

13th  July, 2024
ট্যাক্স সন্ত্রাস: জনতার কষ্টার্জিত অর্থ যায় কোথায়?
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা বেতন, ব্যবসা অথবা স্বাভাবিক পেশার বাইরে কোনও অতিরিক্ত কাজ করে কিছু বেশি রোজগার করলাম। সেই টাকার একাংশ সরকার ট্যাক্স নেবে। ট্যাক্স কেটে নেওয়ার পর যে টাকা বেঁচে থাকবে, সেটা পুরোটাই তো আমাদের জীবনযাপনের জন্য থাকার কথা। বিশদ

12th  July, 2024
মমতার জলযুদ্ধ!
মৃণালকান্তি দাস

সাহিত্যিক সমরেশ মজুমদারের ‘সাতকাহন’ উপন্যাসের নায়িকা ছিলেন দীপাবলি। যাঁকে উত্তরবঙ্গের চা-বাগান থেকে বহুবার সকরিকলি মনিহারি ঘাট হয়ে স্টিমারে গঙ্গা পেরিয়ে কলকাতা আসতে হতো। কলকাতা এবং উত্তরবঙ্গের যোগসূত্র তখন অর্ধেক পথ ট্রেনে, তারপরে স্টিমারে গঙ্গা পেরিয়ে আবার অন্যপাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেন। বিশদ

11th  July, 2024
বেসামাল মোদি, সিঁদুরে মেঘ দেখছে বিজেপি
সন্দীপন বিশ্বাস

এই প্রথম রাহুল গান্ধী নিজেকে একজন বলিষ্ঠ বিরোধী নেতা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হলেন। জুমলা থ্রি সরকারের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিন থেকেই লড়াই জমে গিয়েছে। বিরোধী শক্তির ধার ও ভার দেখে চিন্তিত পুরো বিজেপি বেঞ্চ। নরেন্দ্র মোদির কপালেও চিন্তার ভাঁজ। বিশদ

10th  July, 2024
বাজেট: মধ্য ও নিম্নবিত্তের একবুক আশা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হরিপদ কেরানির জীবনের লক্ষ্য কী ছিল? একটাই—উপার্জনের প্রতিটা আনা-পাই বাঁচানো। খাই খরচ বাঁচাতে তিনি পড়াতে যান দত্তদের বাড়ি। ছেলে পড়িয়ে যা পাওয়া যায়, সেটাই দিয়েই পেটের অন্তরাত্মাকে বুঝিয়ে-সুজিয়ে নেন। কেরোসিনের খরচ কমাতে সন্ধেটা কাটান শিয়ালদহ স্টেশনে।
বিশদ

09th  July, 2024
সেই অচলায়তন দেখার জন্যই তৈরি হোন
পি চিদম্বরম

সংসদে অধিবেশনের প্রথম সাধারণ দিনগুলিতেই পরিষ্কার হয়েছে যে আমার সন্দেহ অমূলক ছিল না। যতদূর দেখা গেল, নরেন্দ্র মোদির সরকারের দৃশ্যত কোনও পরিবর্তন হয়নি।  
বিশদ

08th  July, 2024
একনজরে
যুদ্ধের স্মৃতি স্মরণ করার পাশাপাশি তা থেকে শিক্ষা নেওয়াও জরুরি। একই ভুলের পুনরাবৃত্তি উচিত নয়। কার্গিল যুদ্ধের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন দেশের চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ অনিল চৌহান। ...

 ফরাসিদের কাছে রাজধানী প্যারিস হচ্ছে ‘দ্য সিটি অব লাইট।’ যৌবন আর প্রেমের শহর। ...

কোভিডকালে মাধ্যমিকের পরে স্কুলছুটের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছিল। তাঁদের স্কুলে ফেরাতে রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম শিথিল করল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। ...

শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অনলাইনে বদলির আবেদন সংক্রান্ত উৎসশ্রী পোর্টাল বন্ধ থাকায় সম্প্রতি অফলাইনে বদলির আবেদনে মান্যতা দিয়েছিল হাইকোর্ট। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গৃহ পরিবেশে হঠাৎ আসা চাপ থেকে মানসিক অস্থিরতা। ব্যবসা ভালো চলবে। অনুকূল আয় ভাগ্য। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
২০১২: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আহমেদের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৭৬ টাকা ৮৪.৫০ টাকা
পাউন্ড ১০৭.০০ টাকা ১১০.৫২ টাকা
ইউরো ৮৯.৮৮ টাকা ৯৩.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭৪,৭৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৫,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৭১,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৯২,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৯২,১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ শ্রাবণ, ১৪৩১, শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০২৪। ত্রয়োদশী ৩৬/৩০ রাত্রি ৭/৪২। মূলা নক্ষত্র ৫৪/৩৩ রাত্রি ২/৫৫। সূর্যোদয় ৫/৬/২০, সূর্যাস্ত ৬/১৯/১৮। অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৫ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/২ গতে ২/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৪৫ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ২/৫৭ গতে ৩/৪০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৮ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
৩ শ্রাবণ, ১৪৩১, শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০২৪। ত্রয়োদশী সন্ধ্যা ৬/১২। মূলা নক্ষত্র রাত্রি ২/৩৯। সূর্যোদয় ৫/৫, সূর্যাস্ত ৬/২২। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৭/৪৯ গত ১০/২৪ মধ্যে ও ১২/৫৯ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৪/২৬ গতে ৬/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৮ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ৩/১ গতে ৩/৪৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৫ গতে ১১/২০ মধ্যে ও ৩/৪৫ গতে ৫/৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে। 
১২ মহরম।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
চুক্তিভিত্তিক পুলিস কর্মীদের উপর লাঠিচার্জ পুলিসের
স্থায়ী চাকরি সহ একগুচ্ছ দাবিদাওয়া নিয়ে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর রাঁচির বাসভবনের ...বিশদ

03:34:53 PM

আমেরিকায় ভারতের রাষ্ট্রদূত হলেন বিনয় কোয়াত্রা
আমেরিকায় ভারতের রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত হলেন বিনয় মোহন কোয়াত্রা। এর আগে ...বিশদ

03:33:39 PM

বাবাকে খুনের অভিযোগ, ধৃত ছেলে
বাবাকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছেলে। মৃতের নাম জগবন্ধু বর্মন (৫৯)। ...বিশদ

02:41:01 PM

পূজা খেদকরকে জিজ্ঞাসাবাদ পুলিসের
ট্রেনি আইএএস পূজা খেদকরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেস্ট হাউসে পৌঁছলেন পুলিস ...বিশদ

02:18:42 PM

মাইক্রোসফ্ট বিভ্রাটের জের, গোয়া বিমানবন্দরে যাত্রীদের লম্বা লাইন

02:12:00 PM

রাজ্যজুড়ে অনলাইনেই মিলবে পুলিস ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
এবার থেকে র‌াজ্যজুড়ে অনলাইনেই মিলবে পুলিস ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট বা পিসিসি। ...বিশদ

01:50:22 PM