Bartaman Logo
৮ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

২০২৫ সালের নতুন নিয়মে নিয়োগ, দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স: এসএসসি

২০২৫ সালের নয়া নিয়ম মেনেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েই চলবে রাজ্য সরকার।

২০২৫ সালের নতুন নিয়মে নিয়োগ, দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স: এসএসসি
  • ৮ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০২৫ সালের নয়া নিয়ম মেনেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েই চলবে রাজ্য সরকার। শুক্রবার হাইকোর্টে নিয়োগ সংক্রান্ত এক মামলায় তাদের এই অবস্থান স্পষ্ট করল স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)।  

Advertisement

তৃণমূল জমানায় রাজ্যে এসএসসির নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির কারণে ২০১৬ সালের সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। তার প্রেক্ষিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া নতুন করেই শুরু করতে বলেছিল আদালত। তাই ২০২৫ সালে নতুন নিয়ম তৈরি করে কমিশন। সেইমতো নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু অনেকেই নতুন নিয়মের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন। মামলাকারীদের বক্তব্য, ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া ২০১৬ সালের নিয়ম অনুযায়ীই করতে হবে। ২০২৫ সালের নিয়ম অনুযায়ী ২০১৬ সালের নিয়োগ হতে পারে না। রাজ্যে পালাবদলের পর এই বিষয়ে সরকার বা এসএসসির অবস্থান কী, জানতে চেয়েছিল হাইকোর্ট। 
এদিন বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে এসএলএসটি নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলায় অবস্থান স্পষ্ট করে কমিশন জানায়, নতুন যে নিয়ম তৈরি করা হয়েছে, তার ভিত্তিতেই এসএলএসটি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তবে দুর্নীতির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতিই নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এসএসসি। যদিও এসএসসির নিয়োগ-দুর্নীতি মামলা এবং নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে অনেকগুলি বিষয় জড়িয়ে আছে। সেগুলি এদিন এসএসসিকে মনে করিয়ে দিয়েছেন বিচারপতি সিনহা। নতুন নিয়োগ বিধিতে বয়সের ছাড়, শূন্যপদের সংখ্যা বৃদ্ধি, নম্বর সংক্রান্ত একাধিক নিয়মে আপত্তি তোলা হয়েছিল। সেগুলি মাথায় রাখতে হবে কমিশনকে। 
নিয়োগে ওবিসি সংরক্ষণের বিষয়ও আদালতে স্পষ্ট করা হয়েছে। এর আগে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য ১৭ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল। কিন্তু হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী, নতুন নিয়মে ওবিসির জন্য সংরক্ষণ কমিয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে। বিচারপতি সিনহা জানান, রাজ্য এবং এসএসসিকে একসঙ্গে বসে সমন্বয়ের ভিত্তিতে ওবিসি সংক্রান্ত নীতি চূড়ান্ত করতে হবে। পরবর্তী শুনানি ২১ আগস্ট।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ