Bartaman Logo
২৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তরুণদের দলমুখী করতে মালদহে ১২ বিধানসভায় যুব তৃণমূলের সভা

উপলক্ষ্য একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা। কিন্তু বৃহত্তর লক্ষ্য পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনের আগে তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের তৃণমূলমুখী করা।

তরুণদের দলমুখী করতে মালদহে ১২ বিধানসভায় যুব তৃণমূলের সভা
  • ৭ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মালদহ: উপলক্ষ্য একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা। কিন্তু বৃহত্তর লক্ষ্য পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনের আগে তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের তৃণমূলমুখী করা। মঙ্গলবার থেকে তাই এক সপ্তাহব্যাপী মালদহের সব বিধানসভা এলাকায় একুশে জুলাইয়ের ব্যানারে সভা করবে জেলা যুব তৃণমূল। ইতিমধ্যে ওই কর্মসূচির নির্ঘণ্টও প্রকাশ হয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, বিচ্ছিন্নভাবে নয়, বরং দলের সংগঠন ও বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।  মালদহ জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস জানান, বিধানসভা ভিত্তিক এই কর্মসূচি শুরু হবে ৮ জুলাই রতুয়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে। শেষ হবে ১৪ জুলাই হরিশ্চন্দ্রপুরে। প্রতিটি সভায় দলের জেলা নেতৃত্ব, রাজ্য পদাধিকারী, রাজ্যসভার সাংসদ, স্থানীয় বিধায়ক, জেলা পরিষদের সভাধিপতি, পুরসভার চেয়ারম্যান, সহকারি সভাধিপতি, কর্মাধ্যক্ষ এবং পুরসভার কাউন্সিলারদের উপস্থিত থাকার জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। যুব তৃণমূলের ব্যানারে এই সভা হলেও দল ও অন্যান্য শাখা সংগঠনের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় রক্ষা করে এই কর্মসূচি পালন করার  পরিকল্পনা হয়েছে। জেলা যুব তৃণমূল সভাপতির বক্তব্য, একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ নিয়ে আলোচনাতেই লক্ষ্য থেমে যাবে না। বিধানসভা নির্বাচন খুব দূরে নেই। তার আগে তরুণ-তরুণী এবং প্রথমবারের ভোটারদের আরও বেশি করে তৃণমূলের সমর্থনে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। সেই বার্তাও সভাগুলি থেকে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে রাজ্য যুব তৃণমূল সভানেত্রী তথা লোকসভার সাংসদ সায়নী ঘোষের সঙ্গে কলকাতায় একপ্রস্থ বৈঠক সেরেছেন জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি। ওই বৈঠক থেকেই এই নির্বাচনী কৌশল স্থির হয়েছে কিনা, তা নিয়ে অবশ্য মন্তব্য করতে চাননি প্রসেনজিৎ। যুব তৃণমূলের এই কর্মসূচিকে তীব্র কটাক্ষ করেছে বিজেপি। মালদহ দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার বিজেপি’র যুব মোর্চার সভাপতি শুভঙ্কর চম্পটি বলেন, সারা রাজ্যের শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের অন্ধকার ভবিষ্যতের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। মুড়ি-মুড়কির মতো চাকরি বিক্রি করেছে। শিক্ষিত বেকারদের কর্মচ্যুত করেছে। কলেজে কলেজে ধর্ষণের সংস্কৃতি আমদানি করেছে তৃণমূলের যুব নেতারা। তারা এই সভায় হয়তো ক্ষমতার আস্ফালনে লোক জড়ো করবে, কিন্তু শিক্ষিত যুবক-যুবতীরা তৃণমূলকে ছুঁড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ