নিজস্ব সংবাদদাতা, নয়াদিল্লি: ‘ডাবল ইঞ্জিন’ রাজ্য হলেও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে আশানুরূপ ফল করতে পারেনি বিজেপি। সপ্তাহ ঘুরলেই রাজ্যের ন’টি বিধানসভা আসনের উপ নির্বাচন। ফলে লোকসভা ভোটে ‘বিপর্যয়ে’র পর এই উপ নির্বাচন পদ্ম দলের কাছে একপ্রকার প্রেস্টিজ ফাইট। কিন্তু ছয় আসনের প্রতিটিতে জয় নিয়ে নিঃসংশয় হতে পারছে না তারা। কারণ সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিয়েই রীতিমতো সন্দিহান মোদি-শাহের দল।
Advertisement
এই পরিস্থিতিতে উত্তরপ্রদেশের যেসব বিধানসভা আসনে উপ নির্বাচন হচ্ছে, তার প্রতি বুথে কমপক্ষে ১০ জন কর্মীর সক্রিয় উপস্থিতির রিপোর্ট চাইছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এছাড়া প্রতি আসনে রাজ্যের অন্তত চারজন মন্ত্রী এবং একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে শেষবেলার ভোট প্রচারে ঝাঁপাতে চাইছে দল। জানা গিয়েছে, ভোট গ্রহণের তিনদিন আগে এই ব্যাপারে বিস্তারিত মূল্যায়ন রিপোর্ট পাঠাতে বলা হয়েছে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডাকে। জানা গিয়েছে, গাজিয়াবাদ বিধানসভা আসনে ইতিমধ্যেই রাজ্যের পাঁচজন মন্ত্রীকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছে বিজেপি। তাঁরা হলেন সুনীল শর্মা, নরেন্দ্র কাশ্যপ, কপিলদেব আগরওয়াল, ব্রিজেশ সিং এবং অসীম অরুণ। একইভাবে বিজেপির কেন্দ্রীয় পার্টির নির্দেশ মেনে গাজিয়াবাদ বিধানসভা আসনের উপ নির্বাচনে বিশেষ সাংগঠনিক দায়িত্ব পেয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জীতিন প্রসাদ। গাজিয়াবাদ বিধানসভা কেন্দ্রে বুথের সংখ্যা প্রায় ৫০০টি। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র এই একটি আসন থেকেই ন্যূনতম পাঁচ হাজার সক্রিয় কর্মীর সাংগঠনিক কাজের ফিরিস্তি চেয়ে পাঠিয়েছেন নাড্ডা।
মহারাষ্ট্র এবং ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা ভোট থাকায় বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা সেভাবে রাজ্যের উপ নির্বাচনগুলিতে প্রচার করছেন না। সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে দিয়ে রাজ্যে যেন শুধুমাত্র জনসভাই করানো না হয়, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় পার্টির পক্ষ থেকে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক বিজেপির এক নেতা বলেন, ‘পার্টি চাইছে শেষবেলায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একাধিক রোড-শো করুন। সেইমতোই ব্যবস্থা হচ্ছে।’
মহারাষ্ট্র এবং ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা ভোট থাকায় বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা সেভাবে রাজ্যের উপ নির্বাচনগুলিতে প্রচার করছেন না। সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে দিয়ে রাজ্যে যেন শুধুমাত্র জনসভাই করানো না হয়, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় পার্টির পক্ষ থেকে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক বিজেপির এক নেতা বলেন, ‘পার্টি চাইছে শেষবেলায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একাধিক রোড-শো করুন। সেইমতোই ব্যবস্থা হচ্ছে।’



