Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

যোগীর ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ স্লোগান নিয়ে ভিন্নমত পদ্ম শিবিরের অন্দরেই

যোগীর ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ স্লোগান নিয়ে ভিন্নমত পদ্ম শিবিরের অন্দরেই
  • ১৫ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নয়াদিল্লি: ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ — হিন্দুত্বের সুর চড়া করতে এমনই স্লোগান হাতিয়ার করছেন যোগী আদিত্যনাথ। কিন্তু মহারাষ্ট্রের ভোটের প্রচারে এধরনের স্লোগানকে আগেই বাতিলের খাতায় ফেলেছেন শরিক দল এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার। এবার বিজেপির অন্দরেও ভিন্ন সুর শোনা গেল। অশোক চ্যবন এবং পঙ্কজা মুন্ডের মতো বিজেপি নেতারা ‘যোগী-মন্ত্রে’র বিরোধিতায় সরব। 
Advertisement
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর ওই স্লোগান মহারাষ্ট্রে ভোটের প্রচারে একেবারেই অচল বলে দাবি করেছেন বিজেপির রাজ্যসভা সাংসদ অশোক চ্যবন। কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের এই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি এধরনের স্লোগানকে কোনও গুরুত্ব দিতে নারাজ। চ্যবনের বক্তব্য, ‘ভোটে নানান ধরনের স্লোগান ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ স্লোগান মানুষ গ্রহণ করবেন বলে মনে হয় না। ব্যক্তিগতভাবে আমি এহেন স্লোগানের পক্ষে নই।’ এছাড়াও ভোট জিহাদের মতো ইস্যুতেও তিনি একেবারেই ভিন্ন মেরুতে। এব্যাপারে তাঁর বক্তব্য, বিজেপি তথা রাজ্যের শাসক জোট মহাযুতির প্রাথমিক লক্ষ্য দেশের এবং মহারাষ্ট্রের উন্নয়ন। কাজেই সেই লক্ষ্যেই এগতে হবে। মানুষের আবেগে আঘাত দিয়ে কোনও স্লোগান বা ইস্যু খাড়া করা উচিত নয় বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন এই বিজেপি নেতা। 
কার্যত একই সুর শোনা গিয়েছে বিজেপি নেত্রী পঙ্কজা মুন্ডের গলাতেও। তিনি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর স্লোগানে গা ভাসাতে রাজি নন। তাঁর সাফ কথা, ‘আমি অন্য ধরনের রাজনীতি করি। আমি এই দলে (বিজেপিতে) রয়েছি বলেই যে এহেন স্লোগানকে বাহবা দেব, এমন নয়। শুধুমাত্র উন্নয়নের উপর জোর দিয়েই আগামী দিনে এগতে চাই। একজন নেতার কাজ হল, তাঁর এলাকায় যতজন মানুষ রয়েছেন, তাঁদের সবার সমানাধিকার নিশ্চিত করা। সেই জন্যই মহারাষ্ট্রে অন্য কোনও ইস্যু নিয়ে আমরা লড়াই করতে চাই না।’
সম্পর্কিত সংবাদ