নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: সন্দেশখালিতে যুবতীর মৃতদেহ উদ্ধারের পর কেটে গিয়েছে ৭২ ঘণ্টা। কিন্তু ঘটনার কিনারা করতে পারেনি পুলিস। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না করে উল্টে বাড়ির লোকেদের থানায় তুলে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার চালাচ্ছে পুলিস– এমনটাই অভিযোগ পরিবারের সদস্যদের। এদিকে, পরিবারের সদস্যরা ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ করলেও প্রাথমিকভাবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ধর্ষণের কোনও প্রমাণ মেলেনি বলেই দাবি পুলিসের একটি সূত্রের। তবে রিপোর্ট হাতে পেলেই তা পরিষ্কার করে জানাবে পুলিস।
Advertisement
গত বুধবার থেকে নিখোঁজ ছিলেন ন্যাজাটের এক যুবতী। শনিবার ওই পরিবারের একটি গোয়ালঘরের সামনের পুকুর থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ওই যুবতীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের দাবি, তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনার পর প্রায় ৭২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও অভিযুক্তরা অধরা। ঘটনার তদন্তে নেমে ন্যাজাট থানার পুলিস মৃত যুবতীর দুই আত্মীয়কে আটক করে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, মূল অভিযুক্তদের পুলিস আড়াল করছে। পরিবারের সদস্যদের থানায় তুলে নিয়ে গিয়ে সারারাত ধরে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাচ্ছে পুলিস। আমরা খুবই আতঙ্কের মধ্যে আছি। এদিকে, পুলিসের একটি সূত্র বলছে, মৃত যুবতীর দেহে কিছুটা পচন ধরে গিয়েছিল। আর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এখনও হাতে পাওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের কোনও প্রমাণও পাওয়া যায়নি।
বসিরহাট পুলিস জেলার সুপার হোসেন মেহেদি রহমান বলেন, আমরা সব দিক থেকেই এই ঘটনা খতিয়ে দেখছি। পরিবারের লোকেদের তোলা অভিযোগের কোনও অর্থ নেই। তদন্তের স্বার্থে আমরা যা যা করার করছি।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, মূল অভিযুক্তদের পুলিস আড়াল করছে। পরিবারের সদস্যদের থানায় তুলে নিয়ে গিয়ে সারারাত ধরে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাচ্ছে পুলিস। আমরা খুবই আতঙ্কের মধ্যে আছি। এদিকে, পুলিসের একটি সূত্র বলছে, মৃত যুবতীর দেহে কিছুটা পচন ধরে গিয়েছিল। আর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এখনও হাতে পাওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের কোনও প্রমাণও পাওয়া যায়নি।
বসিরহাট পুলিস জেলার সুপার হোসেন মেহেদি রহমান বলেন, আমরা সব দিক থেকেই এই ঘটনা খতিয়ে দেখছি। পরিবারের লোকেদের তোলা অভিযোগের কোনও অর্থ নেই। তদন্তের স্বার্থে আমরা যা যা করার করছি।



