সংবাদদাতা, বসিরহাট: এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে তুলকালাম কাণ্ড হয়ে গেল ন্যাজাট থানার হালদারপাড়া এলাকায়। বৃহস্পতিবার রাতে ৩২ বছরের যুবক বলরাম দাসকে ঘরের মধ্যেই ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাঁকে উদ্ধার করে বসিরহাট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনার পর উত্তেজিত গ্রামবাসী ওই বাড়িতে এসে যুবকের বউদি ও ভাইপোর উপর চড়াও হয়। তাঁদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এমনকী, তাঁদের বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ারও হুমকি দেয়। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তাঁদের না জানিয়ে কেন বলরামকে ওই অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল? নিশ্চয়ই এর পিছনে দাদা-বউদির কু-মতলব রয়েছে। ন্যাজাট থানার পুলিস এলে গ্রামবাসীরা শান্ত হন এবং যে যার মতো চলে যান। জানা গিয়েছে, বলরাম দাদা-বউদির সঙ্গেই থাকতেন। তাঁর স্ত্রী কর্মসূত্রে থাকেন দিল্লিতে। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটলেও বিষয়টি জানাজানি হয় পরেরদিন সকালে। তারপর উত্তেজিত গ্রামবাসীরা ওই বাড়িতে এসে চড়াও হন। অভিযোগ, বলরামের বউদি ও ভাইপোকে ঘর থেকে বের করে বেধড়ক মারধর করা হয়। আক্রান্ত মহিলা অপূর্ণা দাস বলেন, কেন গ্রামবাসীদের না জানিয়ে বলরামকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেব্যাপারে কৈফিয়ত চাইছিল তারা। মারধর করার পর আমার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় গ্রামবাসীরা। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। পুলিস আমাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করুক। পুরো বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিস।



