Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

‘আড়ি থাকলে ভাব হবেই’,

‘আড়ি থাকলে ভাব হবেই’,
  • ২২ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

‘আড়ি’ মুক্তির আগে আড্ডায় যশ এবং নুসরত

Advertisement

ছবি মুক্তির আগে টেনশন হচ্ছে?
যশ: উত্তেজনা বলতে পারেন।
নুসরত: এবার টেনশন একটু কম। 
আপনারাই এই ছবির প্রযোজক এবং অভিনেতাও, উদ্বেগ সত্যিই কম?
নুসরত: প্রযোজক হিসেবে টেনশন আছে। তবে গল্পটা ভীষণ মনের কাছাকাছি। কোনও মানুষই এই গল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারবেন না। 
মা এবং ছেলের গল্প, ব্যক্তিগত আবেগ জড়িয়ে রয়েছে?
যশ: এই ছবি তৈরির ভাবনা এসেছে ভীষণ ব্যক্তিগত আবেগের জায়গা থেকেই। আমার মায়ের কথা ভেবে এই ছবিটা শুরু করেছি এবং নুসরতের মায়ের হাতে ক্ল্যাপস্টিক দিয়ে আমরা মহরত করেছি। 
নুসরত, আপনি মা হিসেবে কতটা কড়া? 
নুসরত: প্রয়োজনে আমি ভীষণ কড়া। বাকি সময় আমাদের ছেলে ঈশান আমাকে ওর বেস্ট ফ্রেন্ড ভাবে। কিন্তু ওর বাবা যদি চোখ বড় করে তাহলে ও জানে যে কাজটা করছে, সেটা ওর করা উচিত নয়। বাবা কিন্তু বেশি প্যাম্পারও করে। 
ছবির নাম ‘আড়ি’ কেন?
যশ: ‘আড়ি’ শব্দটা মেটাফর হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এই শব্দের সঙ্গে আমাদের একদম ছোটবেলায় পরিচয় হয়। আমাদের ছোটবেলায় আমরা যেভাবে আড়ি-ভাব করতাম, ‘জেন জি’র মধ্যে মনে হয় ঠিক সেই প্রচলন নেই। নস্টালজিয়া মাথায় রেখেই ছবির ভাবনা শুরু হয়েছিল।
নুসরত: আমার এখনও মনে আছে একদিন সকালবেলা আমরা চা খেতে খেতে গল্প করছি এবং ভাবছি যে এই সিনেমার নামটা কী হতে পারে। যশ তখন হঠাৎ করেই বলে ওঠে ‘আড়ি’ কেমন নাম? আমার একবার শুনেই নামটা ভীষণ ভালো লেগে গিয়েছিল। ভাব না থাকলে আড়ি হওয়া সম্ভব নয় এবং যেখানে আড়ি আছে সেখানে ভাব হবেই।
মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়ের কাছে প্রস্তাব নিয়ে যাওয়ার পর তিনি প্রথমেই রাজি হয়েছিলেন?
যশ: এত বছর পরে ওঁকে বাংলা ছবিতে পাওয়া যাবে। ওঁকে রাজি করাতে আমাদের একদমই অসুবিধা হয়নি। উনিও তো একজন মা। এই গল্পের সঙ্গে রিলেট করতে পেরেছিলেন। গল্পটা এত ভালো লেগেছিল বলেই উনি এই ছবিতে রাজি হয়েছেন। শ্যুটিংয়ের সময় আমাদের কিছু ভুল হলে আমাদের বকেওছেন।
নিজেদের প্রযোজনাতেই বারবার জুটি হিসেবে কাজ করছেন কেন?
যশ: আমি যখন থেকে প্রযোজনা সংস্থা শুরু করি তখন থেকেই কয়েকটা বিষয়ে খুব পরিষ্কার ছিলাম। আমি আমার প্রোডাকশনেই কাজ করব। আমার প্রোডাকশনের বাইরে কাজের বিষয়ে সেভাবে ভাবিনি। কারণ আমার মনে হয় আমাদের প্রযোজনা সংস্থা একদমই নতুন। আর শুরুতে একটা গাছকে যেভাবে যত্ন করতে হয় ঠিক সেই রকম ভাবেই আমাদের প্রযোজনা সংস্থাকেও আমরা দেখছি। আমরা সবে শুরু করেছি। তাড়াহুড়ো না করে ছোট্ট ছোট্ট পায়ে এগিয়ে যেতে চাই। 


পূর্বাশা দাস        ছবি: দীপেশ মুখোপাধ্যায়

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ