নিউইয়র্ক: স্প্যানিশ আর্মাডায় ধ্বংস হলো মেসিদের টানা দু'বার বিশ্বজয়ের স্বপ্ন।এ এক অদ্ভুত ফাইনাল। যেখানে আর্জেন্তিনা গোটা ম্যাচে গোল তো দূরের কথা, একটিও গোলমুখী শট করতে পারল না। গোটা ম্যাচ হল কার্যত স্পেনের আক্রমণের সঙ্গে আর্জেন্তিনা গোলরক্ষক মার্তিনেস এবং ডিফেন্সের লড়াই। এই ম্যাচে মার্তিনেস প্রাচীর হয়ে না দাড়ালে ম্যাচ হয়তো অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত গড়াতই না। গোটা ম্যাচে সেভাবে খুঁজে পাওয়া গেল না লিওনেল মেসিকে। ফুটবলের রাজপুত্র ফাইনালে ছিলেন একেবারেই ম্রিয়মান। ম্যাচের ১১৪ মিনিটে প্রথমবার গোলমুখী শট নেওয়ার চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়। ম্যাচের ১০৬ মিনিটে পরিবর্ত হিসেবে নামা ফেরান তোরসের গোলে ২০১০ এর পর ফের বিশ্বসেরা হল স্পেন। গোটা ম্যাচে ১১ বার গোলমুখী শট নিলেও আর্জেন্তিনার মার্তিনেসকে এই একবারই পরাস্ত করতে পারল স্পেন। আর তাতেই চ্যাম্পিয়ন দে লা ফুয়েন্তের দল। ২০১৪ থেকে ২০২৬ তিনবার বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠল মেসির আর্জেন্টিনা। ২০১৪ এর মত এবারও তাদের খুশি থাকতে হলো রানার্স হয়ে। গোটা ম্যাচে স্পেন খেললো ৮০৩ পাস। আর আর্জেন্তিনার সেখানে পাসের সংখ্যা মাত্র ৪৪৫। ম্যাচ যখন নির্ধারিত সময়ে শেষ করে অতিরিক্ত সময়ে যাওয়ার পথে ঠিক সে সময় বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্তিনা । ইনজুরি টাইমে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় এনজো ফার্নান্ডেজকে। ফলে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জন খেলতে হয় মেসিদের।



