


সন্দীপন দত্ত, মালদহ: বিধানসভা ভোটে ইংলিশবাজার সহ মালদহ জেলায় ভালো ফল হবে, আশাবাদী কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের উন্নয়নের হাত ধরে এবার জেলায় আরও ভালো ফল হবে। মঙ্গলবার ইংলিশবাজার কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে শহরে প্রচার করেন তিনি। গত বিধানসভায় পিছিয়ে থাকা কেন্দ্রগুলিতে এগিয়ে যেতে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন এই প্রবীণ তৃণমূল নেতা।
কৃষ্ণেন্দু বলেন, লোকসভা ভোটের ফলাফলের নিরিখে ইংলিশবাজার কেন্দ্রে তৃণমূল পিছিয়ে রয়েছে। তবে এই ব্যবধান কীভাবে টপকানো যায়, আমরা তার চিন্তাভাবনা করছি। দলের নেতাকর্মীরা চেষ্টা করছেন ইংলিশবাজার সহ জেলার ১২টি কেন্দ্রেই ভালো ফল করতে।
ইংলিশবাজার কেন্দ্রে ২০১৩ সালের উপনির্বাচনে জিতেছিল তৃণমূল। সেবার কংগ্রেসের বিধায়ক পদ ছেড়ে তৃণমূলের টিকিটে কৃষ্ণেন্দু জিতেছিলেন।
এই কেন্দ্রে তিনিই তৃণমূলের প্রথম এবং এখনও পর্যন্ত একমাত্র বিধায়ক। এরপর গত ১৩ বছরে ইংলিশবাজার নিজেদের দখলে আনতে পারেনি তৃণমূল। ইংলিশবাজার কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থী আশিস কুন্ডুকে সঙ্গে নিয়ে কৃষ্ণেন্দু মঙ্গলবার সকাল সকাল প্রচারে বের হন।
প্রচার করেন তাঁর নিজের নির্বাচনি এলাকা ১০ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি। কালীতলা এবং বুড়ি কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেন প্রার্থী। একুশের ভোটে মালদহের ১২টির মধ্যে আটটি দখল করে তৃণমূল। এসআইআর পর্বে জেলায় বিপুল নাম বাদ যাওয়ার পর হিসেব কিছুটা বদলেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে শুরু হয়েছে অঙ্ক কষা। ঘাসফুল শিবিরের যুক্তি, বিজেপি মালদহে ভালো ফল করতে পারবে না, সেটা বুঝতে পেরেই কমিশনকে ব্যবহার করে জেলায় আট লক্ষের বেশি মানুষের নাম তারা বিচারাধীনের তালিকায় রেখেছিল। গণহারে সংখ্যালঘুদের নাম বাদ দিয়েছে। গত সপ্তাহে মালদহ জেলা সফরে এসে একই সুর শোনা গিয়েছে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও।
সীমান্তবর্তী বৈষ্ণবনগর, ভাঙন কবলিত মানিকচক, বিজেপির দখলে থাকা পুরাতন মালদহ এবং গাজোলে মুখ্যমন্ত্রীর সভায় যে উপচে পড়া স্বতঃস্ফূর্ত ভিড় ছিল, তাতে চওড়া হাসি জেলার তৃণমূল নেতাদের মুখে।