Bartaman Logo
১০ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পুজোর বাকি ৯৯ দিন, আগের মতোই ‘এক জানালা ব্যবস্থা’ চান উদ্যোক্তারা

পুজোর কাউন্টডাউন শুরু, উদ্যোক্তারা এক জানালা ব্যবস্থার দাবি করেছেন। নতুন সরকারের সহযোগিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ। বিস্তারিত পড়ুন।

পুজোর বাকি ৯৯ দিন, আগের মতোই ‘এক জানালা ব্যবস্থা’ চান উদ্যোক্তারা
  • ১০ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পুজোর কাউন্টডাউন শুরু। ১০০ দিনও বাকি নেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের। কলকাতায় চোখ মেললেই দুর্গার আগমন বার্তা দেখা যাচ্ছে। এবছর রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হয়েছে। তারপর পুজো নিয়ে ইতিউতি শুরু হয়েছে জল্পনা। বহু প্রশ্ন ঘুরছে উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মনে। এতদিন মূলত তৃণমূল নেতাদের দখলে থাকা পুজোর চরিত্র কি পাল্টাবে বিজেপি আমলে? পুজো উদ্যোক্তাদের কি সুবিধা বেশি হবে? নাকি পড়তে হতে পারে অসুবিধার মুখে? কোন কোন রাস্তা বন্ধ রাখা যাবে তাও জানা যাচ্ছে না। কুমোরটুলিতে দেখা দিয়েছিল প্রতিমা তৈরির মাটি নিয়ে সমস্যা। ধীরে শুরু হয়েছে মূর্তি তৈরির কাজ। সবমিলিয়ে বিজেপি সরকার আসার পর বাংলার চেনা পুজোর জগতে একাধিক অচেনা প্রশ্নের আনাগোনা। কী বলছেন নামকরা পুজো উদ্যোক্তারা।

Advertisement

উত্তর কলকাতার জনপ্রিয় পুজো চোরবাগান সার্বজনীন দুর্গোত্সব সমিতি ইতিমধ্যেই তাদের থিম এনেছে প্রকাশ্যে। তাদের থিম ‘অকাল বোধন’। খুঁটিপুজো হয়ে গিয়েছে। সে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির নেতা, বিধায়ক। নতুন সরকারের কাছে কী চাইছেন পুজো উদ্যোক্তারা? চোরবাগানের সম্পাদক প্রত্যুষা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা একেবারে প্রস্তুত। কাজকর্ম শুরু হয়েছে। সরকারের কাছ থেকে এসওপি আসার পর পুরোপুরি কাজ শুরু হবে। আমরা এসওপি’র অপেক্ষায় আছি।’ দক্ষিণ কলকাতার জনপ্রিয় পুজো বাদামতলা আষাঢ় সংঘের কর্মকর্তা সন্দীপ চক্রবর্তী বলেন, ‘পুজো প্রস্তুতি আমরা শুরু করে দিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী পুজোর অনুদান নিয়ে বলেছেন, সকলকে দেওয়া হবে না। আমার মনে হয় সেটা ঠিকই।’ এই দুই পুজোর কর্মকর্তা জানান, গত সরকারের মতো ‘ওয়ান উইনডো সিস্টেম’ রাখলে সবচেয়ে ভালো। সন্দীপবাবু বলেন, ‘বামফ্রন্ট সরকারের আমলে আমাদের পুলিশ, কর্পোরেশন, পিডব্লুডি, বিদ্যুত্, দমকল, সব জায়গায় আলাদা করে যেতে হত। আগের সরকার এক জানলা পদ্ধতি এনেছিল। বর্তমান সরকারও যদি সে ব্যবস্থা রেখে দেন তবে আমাদের সুবিধা হয়। পাশাপাশি বিদ্যুত্ মাশুলের দিকটি দেখলে ভালো হয়।’ এবছর বিজ্ঞাপন বা অস্থায়ী দোকান বসানোর চাহিদা কেমন? প্রত্যুষা বলেন, ‘ফোন কিছু আসছে। কিন্তু আমরা এখনও বিজ্ঞাপনের জন্য কথাবার্তা শুরু করিনি। কারণ সরকারের নির্দেশিকা না এলে পুরোপুরি সব বুঝতে পারছি না।’ ফোরাম ফর দুর্গোৎসবের সভাপতি সন্দীপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘অন্যান্য বছরের মতো এবছরও পুজোর প্রস্তুতি একইভাবে শুরু হয়েছে। আশা করছি, সরকারের সবরকম সহযোগিতা পুজো কমিটিগুলি পাবে। এসওপি’র অপেক্ষাতে আছি।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ