সিমলা: মার্কিন হামলায় নিহত তিন ভারতীয় নাবিকদের মধ্যে অন্যতম ২৩ বছরের আদিত্য শর্মা। আদতে হিমাচল প্রদেশের হামিরপুর জেলার বাসিন্দা। এম টি সেত্তেবেলো জাহাজে ডেক ক্যাডেট ছিলেন তিনি। তরুণের মৃত্যুর খবরে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। ঠিক কোন পরিস্থিতিতে হামলা চলল, তা নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। একইসঙ্গে জাহাজটির কমান্ড স্তরের সিদ্ধান্ত ও কাজের পরিবেশ নিয়েও গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদিত্যের বাবা রাজেশ শর্মার অভিযোগ, জাহাজে কর্মরত অবস্থায় সিনিয়র সদস্যদের শোষণের শিকার হতে হয়েছে ছেলেকে। দিনে ২০ ধণ্টা করে খাটানো হতো। এমনকি এপ্রিল মাসে কাজ ছাড়তেও চেয়েছিল। অভিযোগ জানানোর পর চাপ দিয়ে তা প্রত্যাহারে বাধ্য করা হয়েছিল আদিত্যকে। নিহত নাবিকের বাবার প্রশ্ন, জাহাজটিকে কেন হাই-রিস্ক জোনে নিয়ে যাওয়া হল? নিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল কি? বিদেশ মন্ত্রক ও হামিরপুরের সাংসদ অনুরাগ ঠাকুরের কাছে রাজেশের আরজি, ছেলের মৃতদের ফেরানোর ব্যবস্থা করা হোক। এই ঘটনার জন্য দায়ী কে, তা নির্ধারণে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হোক। আদিত্যের বাবা রাজেশ শর্মা এক্স হ্যান্ডলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ছেলের সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল গত রবিবার। সে বলেছিল, ১৫ দিনে তাদের জাহাজকে দু’বার সতর্ক করেছে মার্কিন নৌসেনা। তা সত্ত্বেও সেটি হরমুজ প্রণালী দিয়ে এগনোর চেষ্টা করছে।



